• "উদ্দীপকে ওসমান মন্ডলের চেয়ে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ শক্তিশালী চরিত্র"- উক্তিটি যথার্থ।
• ধর্ম মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করে। কিন্তু স্বার্থসিদ্ধির জন্য যারা ধর্মের মূল সত্যকে আড়াল করে, মিথ্যা কুসংস্কারের জালে বিস্তার করে তারা ধার্মিক নয়, বরং ধর্মব্যবসায়ী।
• উদ্দীপকে উচ্চশিক্ষিত যুবক মিলন গ্রামে পাঠাগার স্থাপন করতে চাইলে তাতে বাধা দেয় ওসমান মন্ডল। কারণ পাঠাগার স্থাপনের মাধ্যমে জনগণ শিক্ষিত হয়ে গেলে তার প্রভাব কমে যাবে। 'লালসালু' উপন্যাসেও শিক্ষিত যুবক আক্কাসের কর্মকান্ডে গ্রামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করতে দেখা যায়। সেটা স্বার্থপর ও প্রতারক মজিদের চক্রান্তে বাস্তবায়িত হয়নি। উপন্যাসে এই ঘটনাটি ছাড়াও মজিদের আরও অনেক চক্রান্ত দেখানো হয়, যা উদ্দীপকে নেই।
• 'লালসালু' উপন্যাসে মজিদ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আত্মপ্রতিষ্ঠার লড়াই করে অসৎ পন্থা অবলম্বন করে। সে গ্রামের মানুষের সরলতাকে কেন্দ্র করে মাজার ব্যবসা করে, প্রভাব ও প্রতিপত্তির অধিকারী খালেক ব্যাপারীকে নিজের বশে আনে, আমেনা বিবি মজিদের বিরুদ্ধে অবিশ্বাস প্রকাশ করলে প্রতিশোধ হিসেবে স্বামী খালেক ব্যাপারী কর্তৃক তাকে তালাক দিতে বাধ্য করে, কিশোরী স্ত্রী জমিলার প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করে এবং পাশের গ্রামে নতুন পিরের আগমন ঘটলে তার ওপর হামলা করে। নিজের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখতে উদ্দীপকের ওসমান মণ্ডল একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করে কিন্তু 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের পদক্ষেপ আরও সুদূরপ্রসারী। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।