• না, মজিদ কোনো দিক দিয়েই জোয়ারদার মিয়ার সমকক্ষ হতে পারেনি।
• ব্যক্তিত্বশীল, ন্যায়-নিষ্ঠাসম্পন্ন মানুষ মাত্রই আত্মসম্মান সচেতন। তিনি মানুষকে সৎ পরামর্শ প্রদান করেন এবং মানব-কল্যাণে কাজ করেন। ক্ষুদ্র স্বার্থের জন্য কখনই মানুষের ক্ষতি করেন না।
• উদ্দীপকের জোয়ারদার মিয়া একজন আদর্শবান সৎ মৌলভি। তিনি সকলের প্রিয়পাত্র। শুধু ধর্মীয় বিষয় নয়, সকল বিষয়ে তিনি জ্ঞান রাখেন। অসুখ-বিসুখে ঝাড়ফুঁক, পানিপড়া এসবের পরিবর্তে তিনি সবাইকে অভিজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে বলেন। 'লালসালু' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদের মধ্যে মাজার ব্যাবসাসহ সর্বপ্রকারে মানুষের কল্যাণের নামে ক্ষতি করে এবং অসৎ পরামর্শ প্রদান করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের জোয়ারদার সাহেবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের পার্থক্য বিদ্যমান।