• নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি ও কর্মপরিকল্পনার দিক থেকে উদ্দীপকে বর্ণিত বহিপীরের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্র প্রায় সম্পূর্ণ সাদৃশ্যপূর্ণ।
• অধিকাংশ গ্রামীণ সমাজ শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হওয়ার ফলে কিছু স্বার্থান্বেষী, ভণ্ড ও প্রতারক ধর্মব্যবসায়ী সেখানে প্রতারণার জাল বিস্তার করে এবং সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে নিজেদের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করে।
• উদ্দীপকের অত্যন্ত ধূর্ত বহিপীর মানুষের অশিক্ষা, কুসংস্কার ও ধর্মভীতিকে পুঁজি করে নিজের স্বার্থসিদ্ধি করার মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষকে শোষণ করে চলেছে দিনের পর দিন, অন্যদিকে নিজে গড়ে তুলেছে সম্পদের পাহাড়। 'লালসালু' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্রে মজিদের ক্ষেত্রেও এ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। সে নিজের অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদে মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশ করে একটি পরিত্যক্ত কবরকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলে মাজার ব্যাবসা এবং হয়ে ওঠে অঢেল সম্পদের মালিক। যা উদ্দীপকের বহিপীরের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাদৃশ্যপূর্ণ।
• 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ একজন ভন্ড ধর্মব্যবসায়ী; উদ্দীপকের বহিপীরও ভন্ড ধর্মব্যবসায়ী। তারা উভয়েই সাধারণ মানুষকে প্রতারণার জালে আবদ্ধ করে নিজেদের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত বহিপীরের সঙ্গে মজিদ চরিত্রটি সম্পূর্ণ সাদৃশ্যপূর্ণ।