• ধর্মান্ধতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হওয়ার মনোভাব নিয়ে যদি উদ্দীপকের এবং 'লালসালু' উপন্যাসের গ্রামবাসীরা এগিয়ে আসত তাহলে লাইব্রেরি এবং স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ সফল হতো বলে আমি মনে করি।
• যারা নিজেদের অমূলক স্বার্থ হাসিলের জন্য প্রগতিশীল সমাজ গঠনের ক্ষেত্রে বাধা প্রদান করে তারা দেশ ও দেশের মানুষের শত্রু। স্বার্থান্বেষী সেই অমানুষদের বিরুদ্ধে আমাদের সবার ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা দরকার।
• উদ্দীপকের অনিক শহরের কলেজে পড়ে। তবে তার গ্রামের বেশিরভাগ লোকই অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামে অনিক স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে গেল মাতব্বর জলিল মণ্ডল ও ভন্ডপির ছাবেদ আলির কারণে তাকে গ্রামছাড়া করা হয়। 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসও তার গ্রামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করে মানুষদের শিক্ষিত করতে চেয়েছিল। খালেক ব্যাপারী ও ভন্ড মজিদের হস্তক্ষেপে সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়।
• উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাস উভয় ক্ষেত্রেই গ্রামের মানুষগুলো অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। তাদেরকে ঠান্ডা মাথায় এগুলোর কুফল বোঝানো যেত। আর সমাজের জলিল, ছাবেদ আলি, খালেক ব্যাপারী ও মজিদেরা যে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে স্কুল প্রতিষ্ঠা বন্ধ করতে চায় এ ব্যাপারে ব্যাপক প্রচারণা চালানো যেত। আধুনিক শিক্ষার সুফল ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা যেত। পাশাপাশি এ ব্যাপারে সরকারের সহায়তা নেওয়া গেলে উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসে স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে সফল করা যেত।