উদ্দীপকের দৈববাণীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মোদাচ্ছের পিরের মাজারের সাদৃশ্য রয়েছে।
'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের সব শক্তির উৎস হচ্ছে মোদাচ্ছের পিরের মাজার। একটি পরিত্যক্ত প্রাচীন কবরকে মাজার বানিয়ে এর ভয় দেখিয়ে মজিদ ধর্মব্যাবসা শুরু করে। অশিক্ষা, অসচেতনতা ও কুসংস্কারের কারণে গ্রামের সহজ-সরল মানুষ সহজেই তার প্রতারণার ফাঁদে পা দিয়ে দিনের পর দিন শোষিত হতে থাকে।
উদ্দীপকের ঘটনায় দেখা যায়, সুন্দরলাল গ্রামের অশিক্ষিত অসহায় মানুষদের সরল ধর্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে নিজের স্বার্থসিদ্ধি করে নেয়। মানুষের। সরল ধর্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে তাদের বশ করে নেয় এবং শিং বোঙ্গার দৈববাণীর ভয় দেখিয়ে অসহায় মানুষদের কুলির কাজ করতে বাধ্য করে সে। সুন্দরলালের মতো 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদও মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে মোদাচ্ছের পিরের মাজারের ভয় দেখিয়ে নিজের শাসন ও শোষণ প্রতিষ্ঠা করে। তার সকল শক্তির উৎস হয়ে ওঠে মাজারটি, যা উদ্দীপকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের দৈববাণীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মোদাচ্ছের পিরের মাজারের সাদৃশ্য রয়েছে।