অসচেতনতা ও সরল বিশ্বাসের দিক থেকে উদ্দীপকের সাধারণ মানুষের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের সাদৃশ্য রয়েছে।
'লালসালু' উপন্যাসের ধর্মব্যবসায়ী ভণ্ড মজিদ তথাকথিত মোদাচ্ছের পিরের মাজারকে কেন্দ্র করে মহব্বতনগর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার করে। এ গ্রামের কুসংস্কারাচ্ছন্ন, অশিক্ষিত, দরিদ্র মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে মজিদ তাদের সঙ্গে প্রতারণা করে। এ গ্রামের মানুষ প্রকৃতিঘনিষ্ঠ, সহজ-সরল ও অসচেতন প্রকৃতির। এই কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজজীবনে ধূর্ত মজিদ শঠতার জাল ফেলে নিজের স্বার্থ হাসিল করে।
উদ্দীপকের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসক্ত সাধারণ মানুষ অসচেতন ও সহজ-সরল। তারা জানে না এসব মাধ্যম কীভাবে. তাদের ক্ষতিসাধন করছে। সামাজিক এসব যোগাযোগ মাধ্যম পরিচালনাকারী কোম্পানিগুলো জনজীবনের জন্য ক্ষতিকর জেনেও এগুলোর প্রচার-প্রসারের জন্য প্রতিনিয়ত প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। নীতি, আদর্শ কিংবা স্বাস্থ্য নয়- মুনাফা অর্জনই তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য। 'লালসালু' উপন্যাসের সাধারণ মানুষও মজিদের চক্রান্ত বুঝতে না . পেরে তাকে ভয়' করে এবং তার প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করে। কারণ মজিদের প্রতি তাদের অন্ধবিশ্বাস। এভাবে সারল্য ও অসচেতনার দিক থেকে উদ্দীপকের সাধারণ জনগণের সঙ্গে 'মহব্বতনগর গ্রামের সাধারণ মানুষের সাদৃশ্য বিদ্যমান।