শেয়ারFacebookWhatsApp

"খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে?"- কোন প্রসঙ্গে এ কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: "খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে?"- এ কথাটি দ্বারা তাহের-কাদেরের বাপের চলে যাওয়ায় তাদের মায়ের চুপচাপ থাকার বিষয়টিকে নির্দেশ করা হয়েছে। 'লালসালু' উপন্যাসে মজিদের চক্রান্তে তাহের-কাদেরের বাপকে নিজ মেয়ের কাছে অপমানিত হতে হয়। এতে তার আত্মসম্মানে আঘাত লাগে। বাবা হয়ে মেয়ের কাছে ক্ষমা চাইবে এ লজ্জা সে সহ্য করতে না পেরে বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। তার চলে যাওয়ার ফলে তার স্ত্রী একা ও নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ে। প্রতিপক্ষ হিসেবে স্বামী না থাকায় এখন সে আর ঝগড়া করে না, কারণ তার ঝগড়া করার কেউ নেই। তার এই অসহায় অবস্থা বোঝানোর জন্যই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

HSC Bangla 1st Paper উপন্যাস : লালসালু CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · উপন্যাস : লালসালু · সৃজনশীল

"খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে?"- কোন প্রসঙ্গে এ কথা বলা হয়েছে?

উদ্দীপক

তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের মানুষেরা নিত্যই অভাব-অনটন নিয়ে বসবাস করে। দিনের পর দিন আসে কিন্তু হতভাগ্য এ অঞ্চলের মানুষদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন আসে না। বৎসরান্তে তিস্তার অপ্রতিরোধ্য ভাঙন মানুষকে আরও বেশি অসহায়, নিঃস্ব করে ফেলে। শস্যহীন মানুষগুলো ক্ষুধা-তৃষ্ণা, রোগ-শোক, শিশুর আর্তচিৎকার, সব মিলে আনন্দহীন এক মানবেতর জীবন অতিবাহিত করে। এদের মধ্যে সলেমান ব্যতিক্রম। সে সাহসী, সংগ্রামী ও কূটবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ। সলেমান উত্তরবঙ্গে কৃষিসমৃদ্ধ একটি গ্রামে কবিরাজি ব্যবসায় শুরু। করে। গাছপালার শিকড়-বাকর ও তাবিজ-কবজ বিক্রি করে সে বিপুল অর্থ ও সম্মান অর্জন করে। সরল গ্রামবাসী তাকে 'জিনের বাদশা' মনে করে।

Sylhet · 2025

উত্তর

'তোয়াক্কল' শব্দের অর্থ ভরসা।

উত্তর

"খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে?"- এ কথাটি দ্বারা তাহের-কাদেরের বাপের চলে যাওয়ায় তাদের মায়ের চুপচাপ থাকার বিষয়টিকে নির্দেশ করা হয়েছে। 'লালসালু' উপন্যাসে মজিদের চক্রান্তে তাহের-কাদেরের বাপকে নিজ মেয়ের কাছে অপমানিত হতে হয়। এতে তার আত্মসম্মানে আঘাত লাগে। বাবা হয়ে মেয়ের কাছে ক্ষমা চাইবে এ লজ্জা সে সহ্য করতে না পেরে বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। তার চলে যাওয়ার ফলে তার স্ত্রী একা ও নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ে। প্রতিপক্ষ হিসেবে স্বামী না থাকায় এখন সে আর ঝগড়া করে না, কারণ তার ঝগড়া করার কেউ নেই। তার এই অসহায় অবস্থা বোঝানোর জন্যই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকের সলেমান 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'লালসালু' উপন্যাসে মজিদের জন্ম 'ধর্মীয় গোঁড়ামিতে আচ্ছন্ন এক জনবহুল অঞ্চলে। সেখানে শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি। সেখান থেকে অস্তিত্বরক্ষার আশায় মহব্বতনগরের একটি পুরানো কবরকে তথাকথিত মোদাচ্ছের পীরের মাজার আখ্যা দিয়ে, তাকে কেন্দ্র করে মজিদ ধর্মব্যাবসা শুরু করে। লালসালু আবৃত মাজারটি মজিদের সব অপশাসন ও ক্ষমতার উৎস। উদ্দীপকের সলেমান এমন এক হতভাগ্য অঞ্চলে থেকে এসেছে যেটি অভাব-অনটনে ক্লিষ্ট। ওই অঞ্চলের মানুষ মানবেতর জীবন অতিবাহিত করলেও সলেমান এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। সে সাহসী, সংগ্রামী ও কূটবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ। তাই কবিরাজি ব্যাবসা শুরু করে সে গাছপালার শিকড়-বাকর ও তাবিজ-কবজ বিক্রি করে বিপুল অর্থ ও সম্মান অর্জন করে। 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদও শস্যহীন জনবহুল অঞ্চল থেকে মহব্বতনগরে এসে একটি 'কবরকে মাজার বানিয়ে নিজের প্রভাব-প্রতিপত্তি ও অর্থবিত্ত অর্জন করে। মাজারের ভয় দেখিয়ে এবং সাধারণ মানুষকে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে তাদের সহায়-সম্পদ ও অর্থ হাতিয়ে নেয়। সরল গ্রামবাসীও তাকে মাজারের জন্য ভয় পায়। তার এমন কর্মকাণ্ড উদ্দীপকের সলেমানের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

উভয় ক্ষেত্রেই মানুষ অভাব-অনটনে বসবাস করায় "উদ্দীপকের দুর্দশাগ্রস্ত মানুষ 'লালসালু' উপন্যাসের শস্যহীন জনবহুল অঞ্চলের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়" উক্তিটি যথার্থ। 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ এমন এক অঞ্চলে বেড়ে উঠেছে যেখানে অভান-অনটন, দুঃখ-দারিদ্র্য সব সময় লেগেই থাকে। তাদের ঘরে কিছুই নেই। ফলে খাদ্যের জন্য তাদের মধ্যে ভাগাভাগি, লুটালুটি, আবার স্থানবিশেষে খুনাখুনি পর্যন্ত হয়ে থাকে। সেখানে খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে। তাই তারা দেশ ত্যাগ করে। নানা পেশায় নিজেদের নিযুক্ত করে তারা জীবন বাঁচায়। কেউ জাহাজের খালাসি হয়, কারখানার শ্রমিক হয়, বাসাবাড়ির চাকর, কেউ মসজিদের ইমাম, কেউ মোয়াজ্জিন হয়। উদ্দীপকে তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের মানুষদের নিত্য অভাবঅনটনে বসবাস করার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। নদীর অপ্রতিরোধ্য ভাঙন তাদেরকে আরও বেশি অসহায়, নিঃস্ব করে ফেলে। ফলে শস্যহীন এ মানুষগুলো ক্ষুধা-তৃষ্ণা, রোগ-শোক, শিশুর আর্তচিৎকার সব মিলিয়ে আনন্দহীন এক মানবেতর জীবন অতিবাহিত করে। অন্যদিকে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের অঞ্চলটিও শস্যহীন জনবহুল এক অঞ্চল। তাদের কোনো শস্য নেই, যা আছে তা যৎসামান্য। ফলে তাদের মধ্যে অভাব-অনটন লেগেই থাকে। আর এজন্য অন্য এলাকায় তাদের বেরিয়ে পড়ার ব্যাকুলতা লক্ষ করা যায়। ফলে তাদের দুর্দশাগ্রস্ত জীবন যেন উদ্দীপকের দুর্দশাগ্রস্ত জীবনের সঙ্গে মিলে যায়। 'লালসালু' উপন্যাসে মজিদের জন্মস্থানকে শস্যহীন জনবহুল এক মরার দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। সেখানে শস্যের চেয়ে টুপির সংখ্যা বেশি। পর্যাপ্ত শস্য না থাকায় তারা খেয়ে না-খেয়ে জীবন কাটায়। তাদের এমন দুর্দশাগ্রস্ত জীবনই উদ্দীপকের বর্ণনায় ফুটে উঠেছে। উভয় ক্ষেত্রেই মানুষগুলোকে অভাবগ্রস্ত ও মানবেতর জীবনযাপন করতে দেখা যায়। এদিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
HSCBangla 1st Paperউপন্যাস : লালসালুSylhet
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?

  • অবধারিত
  • নাটকীয়
  • কাব্যিক
  • স্বাভাবিক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • বিশ্বাস
  • আনুগত্য
  • ভীতি
  • অনুরাগ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?

  • তাহের
  • খালেক
  • আক্কাস
  • ধলা মিয়া

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ১৯২০
  • ১৯২২
  • ১৮২০
  • ১৯২৬

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

  • চট্টগ্রাম
  • যশোর
  • রাজশাহী
  • খুলনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?

  • ফেণী
  • নোয়াখালী
  • কুমিল্লা
  • চট্টগ্রাম

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?

  • বাংলা সাহিত্য
  • বায়োলজি
  • অর্থনীতি
  • ইতিহাস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতো?

  • ঢাকা
  • চট্টগ্রাম
  • প্যারিস
  • কলকাতা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?

  • ১৯৪০ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৪৬ সালে
  • ১৯৪৭ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]

  • করাচি
  • লন্ডন
  • জার্মানি
  • প্যারিস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

  • ১৯৬৯
  • ১৯৭০
  • ১৯৭১
  • ১৯৭২

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

  • ১৯৪৮ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৫২ সালে
  • ১৯৬১ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতোসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।