শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের রাজাকার ও কমান্ডার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকের রাজাকার ও কমান্ডার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের গভর্নর ড্রেক ও ক্যাপ্টন ক্লেটন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ওয়ালি খান ক্যাপ্টেন ক্লেটনকে যুদ্ধ বন্ধের জন্য অনুরোধ করে। ওয়ালি খান ইংরেজদের হয়ে যুদ্ধ করে কোম্পানির টাকার জন্য উমিচাদের গুপ্তচর নবাব ছাউনিতে খবর পাঠায়। হলওয়েলের মনে করে যে গভর্নর রজার ড্রেকের সাথে পরামর্শ করে নবাবের কাছে আত্মসমর্পণ করাই যুক্তিযুক্ত। উমিচাদকে নবাবের সেনাধ্যক্ষ রাজা মানিকচাদের কাছে পত্র লেখার অনুরোধ করা হয়। এজন্য উমিচাদ বলেন, “বন্দির কাছে এ প্রার্থনা কেন সার্জন হলয়েল?” নবাবের পদাতিক বাহিনী দমদমের সরু রাস্তা দিয়ে চলে আসে আর গোলন্দাজ বাহিনী শিয়ালদহের মারাঠা খাল পেরিয়ে বন্যার স্রোতের মতো ছুটে আসে। ক্যাপ্টেন মিনচিন দমদমের রাস্তাটা উড়িয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও সে পালিয়ে যায় । নবাবের সৈন্যরা গঙ্গার দিককার ফটক ভেঙে কেল্লার ভেতর ঢুকে পড়ে । সেখান দিয়ে একদল ডাচ সেনা পালিয়ে যায়। গভর্নর ড্রেক ও ক্যাপ্টন ক্লেটন (ব্রিটিশ সিংহ) নৌকা করে পালিয়ে যায়। এছাড়াও ক্যাপ্টেন মিনচিন, কাউন্সিলর ফাকল্যান্ড ও ম্যানিংহাম নৌকায় করে দুর্গ থেকে পালিয়ে যায়। উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই যে রাজাকার ও কমান্ডার যুদ্ধের পরিস্থিতি খানিকটা বিপদগ্রস্ত দেখতে পেরে তারা ভয় পেয়ে পালিয়ে যায়।

HSC Bangla 1st Paper নাটক : সিরাজউদ্দৌলা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · নাটক : সিরাজউদ্দৌলা · সৃজনশীল

উদ্দীপকের রাজাকার ও কমান্ডার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রের…

উদ্দীপক

মেলান্দহ নদীর পাড় ঘেঁষে পাইনশাইল গ্রাম। গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় মিলিটারি ক্যাম্প। সবুর কমান্ডারের নেতৃত্বে ছাপ্পান্ন জন মুক্তিযোদ্ধা এক বর্ষণমুখর রাতে আক্রমণ চালায় মিলিটারি ক্যাম্পে। তিনদিক থেকে বিরতিহীন গুলি বর্ষণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাক-সেনার দল। নিতান্তই আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছুঁড়ে তারা। একজন রাজাকার পাক কমান্ডারকে বলে, “গুলি না চালিয়ে চলেন পালাই।” কমান্ডারকে নিয়ে নদীপথে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে সে। ততক্ষণে মিলিটারি ক্যাম্প সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত।

Dinajpur · 2023

উত্তর

নবাব সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম মির্জা ইরিচ খাঁন

উত্তর

'দেশপ্রেমিকের রক্ত যেন আবর্জনার স্তূপে চাপা না পড়ে' - দেশের জন্য যারা জীবন দিয়েছেন তাদের আদর্শ কেউ যেন ভুলে না যায়, তা যেন টিকে থাকে এই দিক বিবেচনা করে নবাব সিরাজউদ্দৌলা এই কথাটি বলেছেন। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে শত্রুর ভয়ে যখন সবাই পালিয়ে যাচ্ছিল তখন নবাব সিরাজউদ্দৌলা তাদেরকে অভয় দেন। তিনি বলেন পলাশির প্রান্তরে পরাজয়ের পর আমরা যদি প্রাণভয়ে কাপুরুষের মতাে পালিয়ে যাই তবে যারা দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন তাদের মর্যাদা ক্ষুন্ন হবে। শত্রুরা আমাদের মাটিতে ঘাঁটি গড়ে তুলবে। ফলে দেশপ্রেমিকের প্রাণ নরপশুদের পায়ের তলায় ভূলুণ্ঠিত হবে। এই বিষয়টি নবাব সিরাজউদ্দৌলা কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি। তাঁর মনে হয়েছে শত্রুর অত্যাচারে এদেশ তখন আবর্জনার স্তুপে পরিণত হবে। তিনি শহিদ দেশপ্রেমিকদের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেন।

উত্তর

উদ্দীপকের রাজাকার ও কমান্ডার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের গভর্নর ড্রেক ও ক্যাপ্টন ক্লেটন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ওয়ালি খান ক্যাপ্টেন ক্লেটনকে যুদ্ধ বন্ধের জন্য অনুরোধ করে। ওয়ালি খান ইংরেজদের হয়ে যুদ্ধ করে কোম্পানির টাকার জন্য উমিচাদের গুপ্তচর নবাব ছাউনিতে খবর পাঠায়। হলওয়েলের মনে করে যে গভর্নর রজার ড্রেকের সাথে পরামর্শ করে নবাবের কাছে আত্মসমর্পণ করাই যুক্তিযুক্ত। উমিচাদকে নবাবের সেনাধ্যক্ষ রাজা মানিকচাদের কাছে পত্র লেখার অনুরোধ করা হয়। এজন্য উমিচাদ বলেন, “বন্দির কাছে এ প্রার্থনা কেন সার্জন হলয়েল?” নবাবের পদাতিক বাহিনী দমদমের সরু রাস্তা দিয়ে চলে আসে আর গোলন্দাজ বাহিনী শিয়ালদহের মারাঠা খাল পেরিয়ে বন্যার স্রোতের মতো ছুটে আসে। ক্যাপ্টেন মিনচিন দমদমের রাস্তাটা উড়িয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও সে পালিয়ে যায় । নবাবের সৈন্যরা গঙ্গার দিককার ফটক ভেঙে কেল্লার ভেতর ঢুকে পড়ে । সেখান দিয়ে একদল ডাচ সেনা পালিয়ে যায়। গভর্নর ড্রেক ও ক্যাপ্টন ক্লেটন (ব্রিটিশ সিংহ) নৌকা করে পালিয়ে যায়। এছাড়াও ক্যাপ্টেন মিনচিন, কাউন্সিলর ফাকল্যান্ড ও ম্যানিংহাম নৌকায় করে দুর্গ থেকে পালিয়ে যায়। উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই যে রাজাকার ও কমান্ডার যুদ্ধের পরিস্থিতি খানিকটা বিপদগ্রস্ত দেখতে পেরে তারা ভয় পেয়ে পালিয়ে যায়।

উত্তর

নবাব সিরাজউদ্দৌলার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ একই প্রেরণা থেকে উৎসারিত। "সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ১৭৫৬ সালের ১৯ জুন থেকে ১৭৫৭ সালের ২৯ জুন পর্যন্ত সময়সীমার মধ্যে ঘটে যাওয়া বিশেষ ঘটনা স্থান পেয়েছে। ১৭৫৬ সালের ১৯ জুন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সেনাবাহিনী ইংরেজদের ফোর্ট উইলিয়াম দূর্গ আক্রমণ করে। ক্যাপ্টেন ব্রেটন মুষ্টিমেয় গোলন্দাজ নিয়ে কামান চালাচ্ছেন আর অন্য সৈনাদের প্রাণপণে যুদ্ধ করার জন্য অনুপ্রাণিত করছেন। এর মধ্যে যুদ্ধ করার আদেশ দেওয়ার অনুরোধ করলে ব্রেটন বাঙালিদের উদ্দেশে আপত্তিকর মন্তব্য করায় বাঙালি ওয়ালি যান তার প্রতিবাদ করেন। এ সময় হলওয়েল প্রবেশ করে নবাবের কাছে আত্মসমর্পণ করার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। গভর্নর ড্রেকের সঙ্গে পরামর্শের কথা বলে কেটন পালিয়ে যান। উদ্দীপকে বর্ষণমুখর রাতে আক্রমণ চালায় মিলিটারি ক্যাম্পে। তিনদিক থেকে বিরতিহীন গুলি বর্ষণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাক-সেনার দল। নিতান্তই আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছুঁড়ে তারা। একজন রাজাকার পাক কমান্ডারকে বলে, “গুলি না চালিয়ে চলেন পালাই।” কমান্ডারকে নিয়ে নদীপথে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে সে। ততক্ষণে মিলিটারি ক্যাম্প সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত। উইলিয়াম ফোর্ট দুর্গে নবাবের পদাতিক বাহিনী দমদমের সরু রাস্তা দিয়ে চলে আসে আর গোলন্দাজ বাহিনী শিয়ালদহের মারাঠা খাল পেরিয়ে বন্যার স্রোতের মতো ছুটে আসে। ক্যাপ্টেন মিনচিন দমদমের রাস্তাটা উড়িয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও সে পালিয়ে যায় । উদ্দীপকের কাহিনী এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলা নাটকের নবাব সিরাজউদ্দৌলার উইলিয়াম ফোর্ট দুর্গ জয়ের কাহিনী একই প্রেরণার উৎস।
HSCBangla 1st Paperনাটক : সিরাজউদ্দৌলা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.মোহাম্মদি বেগ কত হাজার টাকার বিনিময়ে সিরাজকে হত্যা করতে রাজি হয়েছিল?

  • \[দশ ]
  • \[আট ]
  • \[ছয় ]
  • \[পাঁচ ]

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.' স্বার্থান্ধ প্রতারকের কাপুরুষতা বীরের সংকল্প টলাতে পারেনি' বলতে বোঝানো হয়েছে-

  • মুক্তির আকাঙ্ক্ষা
  • সাহসিকতা
  • যুদ্ধনীতি
  • দেশপ্রেম

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উদ্দীপকের টুপু 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সঙ্গে তুলনীয়?

  • মিরন
  • মিরজাফর
  • মানিকচাঁদ
  • মোহাম্মদি বেগ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সিকান্দার আবু জাফরের জন্মস্থান কোথায়?

  • যশোরে
  • খুলনায়
  • বরিশালে
  • সাতক্ষীরায়

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সিকান্দার আবু জাফর কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ১৯০০ সালে
  • ১৯১৫ সালে
  • ১৯১৯ সালে
  • ১৯২০ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনে অগ্রবর্তী ছিলেন কে?

  • সেলিম আল দীন
  • সিকান্দার আবু জাফর
  • জিয়া হায়দার
  • সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সিকান্দার আবু জাফর কোন পত্রিকা সম্পাদনা করেন?

  • কালি-কলম
  • দৈনিক বাংলা
  • মাসিক সমকাল
  • মাসিক মোহাম্মদী

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.তরুণ সাহিত্যিকদের মিলনক্ষেত্র ছিল কোন পত্রিকা?

  • সময়
  • বাংলা নিউজ
  • সমকাল
  • সবুজপত্র

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কোন পত্রিকাটি পাকিস্তান সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?

  • ইত্তেফাক
  • সমকাল
  • যুগান্তর
  • প্রথম আলো

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সিকান্দার আবু জাফরের মুখ্য পেশা কী?

  • শিক্ষকতা
  • ওকালতি
  • ব্যবসা
  • সাংবাদিকতা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সিকান্দার আবু জাফর রচিত মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতা থেকে কোন পত্রিকা প্রকাশিত হতো?

  • প্রগতি
  • সমকাল
  • যুগান্তর
  • সাপ্তাহিক অভিযান

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সিকান্দার আবু জাফর রচিত 'মাকড়সা' নাটকটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

  • ১৯৫০
  • ১৯৬০
  • ১৯৭০
  • ১৯৮০

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মোহাম্মদি বেগ কত হাজার টাকার বিনিময়ে সিরাজকে হত্যা করতে রাজি হয়েছিল?' স্বার্থান্ধ প্রতারকের কাপুরুষতা বীরের সংকল্প টলাতে পারেনি' বলতে বোঝানো হয়েছে-উদ্দীপকের টুপু 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সঙ্গে তুলনীয়?সিকান্দার আবু জাফরের জন্মস্থান কোথায়?সিকান্দার আবু জাফর কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনে অগ্রবর্তী ছিলেন কে?সিকান্দার আবু জাফর কোন পত্রিকা সম্পাদনা করেন?তরুণ সাহিত্যিকদের মিলনক্ষেত্র ছিল কোন পত্রিকা?কোন পত্রিকাটি পাকিস্তান সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?সিকান্দার আবু জাফরের মুখ্য পেশা কী?সিকান্দার আবু জাফর রচিত মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতা থেকে কোন পত্রিকা প্রকাশিত হতো?সিকান্দার আবু জাফর রচিত 'মাকড়সা' নাটকটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।