শেয়ারFacebookWhatsApp

"উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের সম্পূর্ণ অংশের সাথে মিলে না"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো

উত্তর: উদ্দীপকটি লালসালু উপন্যাসের সম্পূর্ন অংশ মিলে না - কথাটি যথাযথ। লালসালু উপন্যাসে মজিদের কাজ ছিল সম্পূর্ণ ভন্ডামি কিন্তু উদ্দীপকের কদম আলীর পানি পড়া ভন্ডামি মনে হলেও এটি ছিল মানুষের মহৌষধ। এজন্য মানুষ তাকে বিশ্বাস করতেন। মজিদ মানুষকে বিভিন্নভাবে ঠকিয়েছে। যাদের সন্তান হয় না তাদেরকে সাত প্যাচ, পাচ প্যাচ, চৌদ্দ প্যাচ নাম দিয়ে কষ্ট দিয়েছে। আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়তে চাইলে তাকে অপমান করেছে। এভাবে সবকিছুই নিজের নামে চালানোর প্লান করেছে। লালসালু মূলত একটি সামাজিক উপন্যাস। যুগ-যুগ ধরে প্রচলিত কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও ধর্মীয় ভীতি এই উপন্যাসের উপজীব্য বিষয়। মজিদ নামে এই স্বার্থান্বেষী, ভণ্ড ধর্মব্যবসায়ীকে কেন্দ্র করে এর কাহিনী গড়ে উঠেছে। স্বার্থান্বেষণে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে অবশেষে সে মহব্বতনগর গ্রামে ঘাঁটি গাড়ে মাতব্বর খালেক ব্যাপারীর বাড়িতে। আওয়ালপুরের পীর সাহেবের পানি পড়া মানুষ বিশ্বাস করত। কেননা তার পানি পড়া খেয়ে মানুষ উপকার পেয়েছে। সেখানে পানি পড়া নেওয়ার জন্য খালেক ব্যাপারীর বড় বউ অনেক বড় শাস্তি পেল। অথচ উদ্দীপকের শাহ কদম আলী মজিদের মত এত ভন্ড ছিল না। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপক এবং লালসালু উপন্যাস সম্পুর্ন এক নয়।

HSC Bangla 1st Paper উপন্যাস : লালসালু CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · উপন্যাস : লালসালু · সৃজনশীল

"উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের সম্পূর্ণ অংশের সাথে মিলে না"- মন্তব্…

উদ্দীপক

শিক্ষিত মানুষের সংস্কৃতিই ধর্ম আর সাধারণ মানুষের ধর্মই সংস্কৃতি। তাই অশিক্ষিত দরিদ্র অঞ্চলে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে যুগে যুগে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। এই সংগঠনের নেতাগণ সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তোলেন সম্পদের পাহাড়। তেমনি একজন নেতা শাহকদম আলী। নিজের পানি পড়ায় বিশ্বাস নেই তার। তাই চিকিৎসার জন্য ভক্তদের টাকা নিয়ে সিঙ্গাপুর যান। তবে গ্রামবাসীর মহৌষধ হলো শাহ কদমআলীর পড়া পানি।

সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2024

উত্তর

খালেক ব্যাপারীর ২য় স্ত্রীর নাম তানুবিবি।

উত্তর

শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের চেয়ে আগাছা বেশি - উক্তিটি দ্বারা ধর্মের অপব্যবহার বোঝানো হয়েছে। লালসালু উপন্যাসে মজিদ একজন প্রতারকের নাম। ধর্মের দোহাই দিয়ে তিনি মানুষকে অনেক ঠকিয়েছে। সবাইকে মজিদের কথামত চলার জন্য বুঝিয়েছে । তার প্রতি মানুষের ধারণা একেবারেই বদলে দিয়েছে। এজন্য মানুষ কাজ বন্ধ দিয়ে ধর্মের পথে নেমেছে। যতটুকু শস্য পায় তা মজিদের জন্য ভাগ রাখতে হয়। এজন্য শস্যের চেয়ে টুপি বেশি।

উত্তর

উদ্দীপকের শাহ কদম আলী ' লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সাথে মিলে যায়। শাহ কদম আলী একজন কপট ব্যক্তি । তিনি সাধারণ মানুষের কাছে ধর্মের ব্যবসা করে। ধর্মকে ব্যবসার কেন্দ্র ধরে পানি পড়া দিয়ে চিকিৎসা করে। এতে সাধারণ মানুষের মনে জায়গা তৈরি হয়। ধর্মের প্রতি দুর্বলতা সবার থাকে। এজন্য ধর্মের অভিশাপ থেকে সবাই মুক্ত থাকার চেষ্টা করেছে। এই দুর্বল জায়গায় শাহ কদম আলী আঘাত করেছে এবং অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়ে সিঙ্গাপুর চলে যায়। অন্যদিকে লালসালু উপন্যাসের মজিদ একই সুতায় বাধা। তিনি লালসালু দিয়ে ঘেরা মাজার বানিয়ে সাধারণ মানুষকে বোকা বানানোর ফাদ পাতেন। সেই ফাদে পা দিয়েছেন গ্রামের সিংহভাগ মানুষ। মহব্বতপুর গ্রামে মজিদের প্রবেশ ছিল এক নাটকীয় ঘটনা। এই ঘটনার পর থেকে মানুষ তার প্রতি দূর্বল। ফলে বৃদ্ধ বয়সে কয়েকটি বিবাহ করে। মানুষকে পানি পড়া দিয়ে ইনকাম করে। পাশাপাশি শস্যের ভাগ নেয়। এভাবে ধর্মীয় বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে তিনি অনেক ধনসম্পদ হাতিয়ে নেন। সুতরাং উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, উদ্দীপকের শাহ কদম আলী এবং লালসালু উপন্যাসের মজিদ চরিত্রে মিলে যায়।

উত্তর

উদ্দীপকটি লালসালু উপন্যাসের সম্পূর্ন অংশ মিলে না - কথাটি যথাযথ। লালসালু উপন্যাসে মজিদের কাজ ছিল সম্পূর্ণ ভন্ডামি কিন্তু উদ্দীপকের কদম আলীর পানি পড়া ভন্ডামি মনে হলেও এটি ছিল মানুষের মহৌষধ। এজন্য মানুষ তাকে বিশ্বাস করতেন। মজিদ মানুষকে বিভিন্নভাবে ঠকিয়েছে। যাদের সন্তান হয় না তাদেরকে সাত প্যাচ, পাচ প্যাচ, চৌদ্দ প্যাচ নাম দিয়ে কষ্ট দিয়েছে। আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়তে চাইলে তাকে অপমান করেছে। এভাবে সবকিছুই নিজের নামে চালানোর প্লান করেছে। লালসালু মূলত একটি সামাজিক উপন্যাস। যুগ-যুগ ধরে প্রচলিত কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও ধর্মীয় ভীতি এই উপন্যাসের উপজীব্য বিষয়। মজিদ নামে এই স্বার্থান্বেষী, ভণ্ড ধর্মব্যবসায়ীকে কেন্দ্র করে এর কাহিনী গড়ে উঠেছে। স্বার্থান্বেষণে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে অবশেষে সে মহব্বতনগর গ্রামে ঘাঁটি গাড়ে মাতব্বর খালেক ব্যাপারীর বাড়িতে। আওয়ালপুরের পীর সাহেবের পানি পড়া মানুষ বিশ্বাস করত। কেননা তার পানি পড়া খেয়ে মানুষ উপকার পেয়েছে। সেখানে পানি পড়া নেওয়ার জন্য খালেক ব্যাপারীর বড় বউ অনেক বড় শাস্তি পেল। অথচ উদ্দীপকের শাহ কদম আলী মজিদের মত এত ভন্ড ছিল না। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপক এবং লালসালু উপন্যাস সম্পুর্ন এক নয়।
HSCBangla 1st Paperউপন্যাস : লালসালু
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?

  • অবধারিত
  • নাটকীয়
  • কাব্যিক
  • স্বাভাবিক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • বিশ্বাস
  • আনুগত্য
  • ভীতি
  • অনুরাগ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?

  • তাহের
  • খালেক
  • আক্কাস
  • ধলা মিয়া

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ১৯২০
  • ১৯২২
  • ১৮২০
  • ১৯২৬

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

  • চট্টগ্রাম
  • যশোর
  • রাজশাহী
  • খুলনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?

  • ফেণী
  • নোয়াখালী
  • কুমিল্লা
  • চট্টগ্রাম

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?

  • বাংলা সাহিত্য
  • বায়োলজি
  • অর্থনীতি
  • ইতিহাস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতো?

  • ঢাকা
  • চট্টগ্রাম
  • প্যারিস
  • কলকাতা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?

  • ১৯৪০ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৪৬ সালে
  • ১৯৪৭ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]

  • করাচি
  • লন্ডন
  • জার্মানি
  • প্যারিস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

  • ১৯৬৯
  • ১৯৭০
  • ১৯৭১
  • ১৯৭২

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

  • ১৯৪৮ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৫২ সালে
  • ১৯৬১ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতোসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।