শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজবাস্তবতা অভিন্ন- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজবাস্তবতা অভিন্ন- মন্তব্যটি যথার্থ। অধিকাংশ গ্রামীণ সমাজ শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। শিক্ষার আলো নেই বলে তারা বিভিন্ন কুসংস্কারে সহজে বিশ্বাস করে। আর একদল মানুষ তাদের এই সরল বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করে। 'লালসালু' উপন্যাসে এমনই এক সমাজচিত্র দেখা যায়। সেখানে দেখা যায়, মহব্বতনগর গ্রাম। আর সেই গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত। আর এটারই সুযোগ নেয় মজিদ। সে এক নাম না জানা ব্যক্তির মাজার দেখিয়ে বলে এটা মোদাচ্ছের পিরের মাজার, যা তারা হেলায় ফেলে রেখেছে। এর ফলে তারা ভয় পায়। আর এই ভয়কে 1. কাজে লাগিয়ে মজিদ নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে। এটি আসলে শিক্ষার আলোহীন সমাজের নিদারুণ বাস্তবতা, যা কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও ধর্মান্ধতায় পূর্ণ। উদ্দীপকেও এমনই এক সমাজবাস্তবতা দেখা যায়। সাঁওতালদের কাছে সাধু সুন্দরলাল দেবতাতুল্য। এই সাঁওতালরাও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। 'যার দরুন তারা সুন্দরলালের ভিত্তিহীন কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে যা মূলত 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজবাস্তবতার অন্য রূপ। এই বিবেচনায় বলা যায়, উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজবাস্তবতা অভিন্ন।

HSC Bangla 1st Paper উপন্যাস : লালসালু CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · উপন্যাস : লালসালু · সৃজনশীল

উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজবাস্তবতা অভিন্ন- বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

সাধু সুন্দরলাল সাঁওতালদের কাছে দেবতাতুল্য। তবে সে নিরীহ সাঁওতালদের বিশ্বাসের সাথে খেলা করে। করম দেবতা ও শিং বোঙ্গার ভয় দেখায়। দেবতার কোপে মড়ক লেগে সবাই মরে যাবে- এমন কথায় ভয় পেয়ে সবাই তার কাছেই সাহায্য চায়। এই সুযোগে সুন্দরলাল তাদের আসামের চা বাগানে কুলির কাজ করতে পাঠিয়ে দেয়। মনে মনে হিসেব করে- কতজন পাঠাল আর কমিশন কত টাকা পাবে।

Rajshahi · 2024

উত্তর

মজিদকে দেখে প্রথমে জমিলার মনে হয় সে বুঝি দুলার (বরের) বাবা।

উত্তর

“শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি।"- উক্তিটিতে বোঝানো হয়েছে যে, খাদ্য না থাকলেও লোক দেখানো ধর্মচর্চায় কেউ কার্পণ্য করে না। 'লালসালু' উপন্যাসে লেখক যে এলাকার বর্ণনা দিয়েছেন সেখানকার মানুষ প্রচণ্ড অভাবী। এই অভাবের মধ্যেও তারা ধর্মচর্চা করে। ঘরে খাদ্য না থাকলেও সেই অঞ্চলের মানুষের মধ্যেও ধর্মচর্চায় কোনো কার্পণ্য নেই। তাদের মধ্যে সবাই যে খোদার ভয়ে ধর্মচর্চা করে ব্যাপারটা এমন নয়। কেউ কেউ ধর্মের নামে প্রতারণা ও ভন্ডামি করে। এই প্রতারকরাই ধর্মের আগাছা। এই দিকটি বোঝাতেই লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।

উত্তর

উদ্দীপকের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের মাজারের ভয় দেখানোর প্রসঙ্গের সাদৃশ্য পাওয়া যায়। আমাদের সমাজে এমন কিছু মানুষ আছে যারা ধর্মের নামে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখায়। তারা সাধারণ মানুষের ধর্মভীরুতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আখের গোছায়। এ ধরনের মানুষ দেশ ও সমাজের অন্যতম শত্রু। 'লালসালু' উপন্যাসের এমনই এক চরিত্র হলো মজিদ। সে নাটকীয়ভাবে মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশ করে। তারপর নাম না জানা এক ব্যক্তির কবর দেখিয়ে বলে যে এটা মোদাচ্ছের পিরের মাজার, যা তারা অবহেলায় ফেলে রেখেছে। তখন তাদের চোখেমুখে সে ভয় দেখতে পায়। আর এই ভয়কে পুঁজি করেই নিজের নানা উদ্দেশ্য সে চরিতার্থ করে। উদ্দীপকেও দেখা যায় এমনই এক চরিত্র সুন্দরলাল। সে সাঁওতাল সম্প্রদায়ের কাছে দেবতাতুল্য। সে ভিত্তিহীন করম দেবতা ও শিং বোঙ্গার ভয় দেখায়। ভয় দেখিয়ে কৌশলে সবাইকে চা বাগানে পাঠায়। সাধারণ মানুষকে ধর্মের নামে ভিত্তিহীন কোনো ভয় দেখানোতে মজিদ ও সুন্দরলাল একই সূত্রে যেন গাঁথা। এভাবে উদ্দীপকের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের মাজারের ভয় দেখানোর প্রসঙ্গের সাদৃশ্য পাওয়া যায়।

উত্তর

উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজবাস্তবতা অভিন্ন- মন্তব্যটি যথার্থ। অধিকাংশ গ্রামীণ সমাজ শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। শিক্ষার আলো নেই বলে তারা বিভিন্ন কুসংস্কারে সহজে বিশ্বাস করে। আর একদল মানুষ তাদের এই সরল বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করে। 'লালসালু' উপন্যাসে এমনই এক সমাজচিত্র দেখা যায়। সেখানে দেখা যায়, মহব্বতনগর গ্রাম। আর সেই গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত। আর এটারই সুযোগ নেয় মজিদ। সে এক নাম না জানা ব্যক্তির মাজার দেখিয়ে বলে এটা মোদাচ্ছের পিরের মাজার, যা তারা হেলায় ফেলে রেখেছে। এর ফলে তারা ভয় পায়। আর এই ভয়কে 1. কাজে লাগিয়ে মজিদ নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে। এটি আসলে শিক্ষার আলোহীন সমাজের নিদারুণ বাস্তবতা, যা কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও ধর্মান্ধতায় পূর্ণ। উদ্দীপকেও এমনই এক সমাজবাস্তবতা দেখা যায়। সাঁওতালদের কাছে সাধু সুন্দরলাল দেবতাতুল্য। এই সাঁওতালরাও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। 'যার দরুন তারা সুন্দরলালের ভিত্তিহীন কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে যা মূলত 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজবাস্তবতার অন্য রূপ। এই বিবেচনায় বলা যায়, উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজবাস্তবতা অভিন্ন।
HSCBangla 1st Paperউপন্যাস : লালসালু
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?

  • অবধারিত
  • নাটকীয়
  • কাব্যিক
  • স্বাভাবিক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • বিশ্বাস
  • আনুগত্য
  • ভীতি
  • অনুরাগ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?

  • তাহের
  • খালেক
  • আক্কাস
  • ধলা মিয়া

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ১৯২০
  • ১৯২২
  • ১৮২০
  • ১৯২৬

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

  • চট্টগ্রাম
  • যশোর
  • রাজশাহী
  • খুলনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?

  • ফেণী
  • নোয়াখালী
  • কুমিল্লা
  • চট্টগ্রাম

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?

  • বাংলা সাহিত্য
  • বায়োলজি
  • অর্থনীতি
  • ইতিহাস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতো?

  • ঢাকা
  • চট্টগ্রাম
  • প্যারিস
  • কলকাতা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?

  • ১৯৪০ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৪৬ সালে
  • ১৯৪৭ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]

  • করাচি
  • লন্ডন
  • জার্মানি
  • প্যারিস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

  • ১৯৬৯
  • ১৯৭০
  • ১৯৭১
  • ১৯৭২

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

  • ১৯৪৮ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৫২ সালে
  • ১৯৬১ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতোসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।