শেয়ারFacebookWhatsApp

'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: শিলাবৃষ্টির পর মজিদসহ মহব্বতনগরবাসী সম্পর্কে বলা হয়েছে 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ'। মহব্বতনগরে শিলাবৃষ্টিতে ধানক্ষেত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। সেই ধানক্ষেত দেখে সবাই স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। তাদের দৃষ্টিতে কোনো ভাব বা উদ্দেশ্য ছিল না। মজিদ এই অবস্থা দেখে সকলকে খোদার ওপর বিশ্বাস রাখতে বলে। তখন সকলের দৃষ্টি দেখে মনে হয় যেন তাদের চোখ বিশ্বাসের পাথরে খোদাই করা।

HSC Bangla 1st Paper উপন্যাস : লালসালু CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · উপন্যাস : লালসালু · সৃজনশীল

'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপক

পলাশপুর গ্রামের সুশিক্ষিত ছেলে ফয়সাল। শহর থেকে এমএ পাস করে নিজ গ্রামে ফিরে এসেছে সে। তার ইচ্ছা এলাকার উন্নয়ন করা, বিশেষ করে নিরক্ষর মানুষকে সাক্ষর করে তোলা। এই প্রত্যাশায় ফয়সাল তার গ্রামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে। কিন্তু এ মহৎ কাজে সে সহযোগিতার পরিবর্তে তীব্র বাধার সম্মুখীন হয়। নিজের প্রভাব ক্ষুণ্ণ হবে ভেবে মাতব্বর রজত মিয়া ও তার লোকেরা ফয়সালকে অপমানিত করে গ্রাম ছাড়া করে। মূর্খ গ্রামবাসী আর স্বার্থবাদী মানুষের কাছে সত্যের অপমৃত্যু ঘটে।

Comilla · 2017

উত্তর

ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম মতলুব খাঁ।

উত্তর

শিলাবৃষ্টির পর মজিদসহ মহব্বতনগরবাসী সম্পর্কে বলা হয়েছে 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ'। মহব্বতনগরে শিলাবৃষ্টিতে ধানক্ষেত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। সেই ধানক্ষেত দেখে সবাই স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। তাদের দৃষ্টিতে কোনো ভাব বা উদ্দেশ্য ছিল না। মজিদ এই অবস্থা দেখে সকলকে খোদার ওপর বিশ্বাস রাখতে বলে। তখন সকলের দৃষ্টি দেখে মনে হয় যেন তাদের চোখ বিশ্বাসের পাথরে খোদাই করা।

উত্তর

উদ্দীপকের ফয়সাল 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে। 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস মোদাব্বের মিঞার ছেলে। সে করিমগঞ্জ স্কুলে পড়াশোনা করে কিছুদিন পাট বা তামাকের আড়তে চাকরি করে পয়সা জমিয়েছিল। যেহেতু মহব্বতনগর গ্রামে শুধু মস্তবের পড়া চলে তাই সে গ্রামবাসীকে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে এখানে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে চায়। কিন্তু মজিদ ভাবে যে, এতে গ্রামবাসীর ওপর তার যে প্রভাব তা ক্ষুণ্ণ হতে পারে। তাই মজিদ সালিশ বসিয়ে আক্কাসের উদ্যোগকে থামিয়ে দেয়। উদ্দীপকের ফয়সাল 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের প্রতিনিধি। সে শহর থেকে এমএ পাস করে নিজ গ্রামে ফিরে আসে। তার মধ্যে আক্কাসের মতোই নিজ গ্রামবাসীকে শিক্ষিত করার ইচ্ছা জাগ্রত হয়। কিন্তু সেও উপন্যাসের আক্কাসের মতোই বাধার সম্মুখীন হয়। তাকে বাধা দেয় গ্রামের মাতব্বর রজত মিয়া। আলোচ্য উপন্যাসের আক্কাসকে বাধা দিয়েছিল মজিদ। উদ্দীপকের ফয়সাল স্বার্থবাদী মানুষের কাছে হেরে যায়, যা উপন্যাসের আক্কাসের ক্ষেত্রেও ঘটেছিল। নিজেদের সৎ উদ্দ্যোগ ও বাধা পাওয়ার দিক দিয়ে উদ্দীপকের ফয়সাল 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের প্রতিনিধিত্ব করে।

উত্তর

মূর্খ গ্রামবাসী আর স্বার্থবাদী মানুষের কাছে সত্যের অপমৃত্যু ঘটে'- উক্তিটি 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে যথার্থ। 'লালসালু' উপন্যাসে ভণ্ড ধর্মব্যবসায়ী মজিদ অজ্ঞাত একটি কবরকে মাজার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। তার এই ভণ্ডামি অজ্ঞ ও মর্থ গ্রামবাসী বুঝতে পারে না। তারা মজিদের কথা বিশ্বাস করে মাজারে মানত করে দান-সদকা হিসেবে টাকা দেয়। মাজারে প্রাপ্ত অর্থই মজিদের আয়ের প্রধান উৎস। এজন্যই গ্রামবাসীকে শিক্ষিত ও সচেতন করার জন্য আক্কাস স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে মজিদ তাকে অপমান করে। ফলে আক্কাস মহব্বতনগর থেকে চলে যেতে বাধ্য হয়। স্বার্থবাদী মজিদ মাজার সম্পর্কে লোকের মনে ভয় ঢুকিয়ে ধর্মের মূল সত্য থেকে তাদের দূরে সরিয়ে রাখে। উদ্দীপকের পলাশপুর গ্রামের শিক্ষিত যুবক ফয়সাল। এলাকার উন্নয়ন করার লক্ষ্যে শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করে সে গ্রামবাসীকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে চায়। গ্রামের স্বার্থবাদী মাতব্বর রজত মিয়া নিজের প্রভাব ক্ষুণ্ণ হওয়ার ভয়ে ফয়সালকে অপমান করে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য করে। কিন্তু মূর্খ গ্রামবাসী নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য ফয়সালকে তার কাজে কোনো সহযোগিতা করে না। ফলে তার উদ্যোগ শুরুতেই বিনষ্ট হয়। আলোচ্য উপন্যাস ও উদ্দীপকে দেখা যায়, গ্রামীণ জীবনে যুগযুগ ধরে শেকড়-গাড়া কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসের সাথে সুস্থ জীবনাকাঙ্ক্ষার দ্বন্দ্ব। উপন্যাসের আক্কাস ও উদ্দীপকের ফয়সাল দু'জনেই নিজ গ্রামে স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। কিন্তু আক্কাসের মহব্বতনগর গ্রামে নিজের প্রভাব প্রতিষ্ঠা করে অন্ধবিশ্বাসের জাল বিছিয়ে রেখেছিল মজিদ। তার ভণ্ডামি ও দাপটের কারণে আক্কাসের গ্রামবাসীকে শিক্ষত করার স্বপ্ন আলোর মুখ দেখে না। স্বার্থের কাছে পরাজিত হয় তার সৎ উদ্দেশ্য। তেমনিভাবে, উদ্দীপকের সরল গ্রামবাসীর জীবনেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। তাই উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে বলা যায়, মূর্খ গ্রামবাসী আর স্বার্থবাদী মানুষের কাছে সত্যের অপমৃত্যু ঘটে- মন্তব্যটি যথার্থ।
HSCBangla 1st Paperউপন্যাস : লালসালুComilla
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?

  • অবধারিত
  • নাটকীয়
  • কাব্যিক
  • স্বাভাবিক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • বিশ্বাস
  • আনুগত্য
  • ভীতি
  • অনুরাগ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?

  • তাহের
  • খালেক
  • আক্কাস
  • ধলা মিয়া

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ১৯২০
  • ১৯২২
  • ১৮২০
  • ১৯২৬

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

  • চট্টগ্রাম
  • যশোর
  • রাজশাহী
  • খুলনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?

  • ফেণী
  • নোয়াখালী
  • কুমিল্লা
  • চট্টগ্রাম

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?

  • বাংলা সাহিত্য
  • বায়োলজি
  • অর্থনীতি
  • ইতিহাস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতো?

  • ঢাকা
  • চট্টগ্রাম
  • প্যারিস
  • কলকাতা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?

  • ১৯৪০ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৪৬ সালে
  • ১৯৪৭ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]

  • করাচি
  • লন্ডন
  • জার্মানি
  • প্যারিস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

  • ১৯৬৯
  • ১৯৭০
  • ১৯৭১
  • ১৯৭২

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

  • ১৯৪৮ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৫২ সালে
  • ১৯৬১ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতোসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।