শেয়ারFacebookWhatsApp

'তাই তারা ছোটে, ছোটে'- কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: অভাব অনটন দূর হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে শস্যহীন গারো পাহাড়ের লোকেরা ছোটে। 'লালসালু' উপন্যাসে শস্যহীন জনবহুল অঞ্চলের বাসিন্দাদের কথা বলা হয়েছে। এই অঞ্চলের বাসিন্দারা সুখে থাকার আশা নিয়ে দিন কাটায়। ঘরে খাবার না থাকলেও দূরে তাকিয়ে থেকে অভাব মেটাবার দুরাশায় মত্ত হয় তারা। কিন্তু, কেবল আশায় বুক বেঁধে অভাব মিটবে না বুঝতে পেরে তারা দিন-ক্ষণের হিসেব না করেই ছুটে চলে অজানার উদ্দেশ্যে।

HSC Bangla 1st Paper উপন্যাস : লালসালু CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · উপন্যাস : লালসালু · সৃজনশীল

'তাই তারা ছোটে, ছোটে'- কেন? ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপক

হিজলতলী গ্রামের মানুষগুলো অত্যন্ত পরিশ্রমী। তাদের গোলাভরা ধান আছে, কণ্ঠভরা গান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের যুবক-বৃদ্ধ সকলে ফসলের মাঠে যেমন সুরের মূর্ছনা তোলে, তেমনি আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাজীপীর কিংবা বদরপীরের সাহায্যও কামনা করে। এ গ্রামের লোকদের অনেকের ঘরেই হয়তো অভাব আছে, কিন্তু তাদের দুঃখ-কষ্ট আছে কিনা তা বোঝা দায়! এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ। গ্রামের মানুষ সরল ও ধর্মপ্রাণ, কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় ভন্ড ধার্মিকেরা এদের ঠকায়।

Comilla · 2017

উত্তর

'কলমা জানো মিঞা?'- মজিদ প্রশ্নটি দুদু মিঞাকে করেছে।

উত্তর

অভাব অনটন দূর হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে শস্যহীন গারো পাহাড়ের লোকেরা ছোটে। 'লালসালু' উপন্যাসে শস্যহীন জনবহুল অঞ্চলের বাসিন্দাদের কথা বলা হয়েছে। এই অঞ্চলের বাসিন্দারা সুখে থাকার আশা নিয়ে দিন কাটায়। ঘরে খাবার না থাকলেও দূরে তাকিয়ে থেকে অভাব মেটাবার দুরাশায় মত্ত হয় তারা। কিন্তু, কেবল আশায় বুক বেঁধে অভাব মিটবে না বুঝতে পেরে তারা দিন-ক্ষণের হিসেব না করেই ছুটে চলে অজানার উদ্দেশ্যে।

উত্তর

সরলতার কারণে প্রতারণার শিকার হওয়ার দিক থেকে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগরবাসীর সাথে উদ্দীপকের গ্রামবাসীর মিল খুঁজে পাওয়া যায়। আলোচ্য উপন্যাসে বর্ণিত মহব্বতনগর গ্রামের মানুষেরা ধর্মান্ধও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। তবে, পরিশ্রমী হওয়ায় তাদের ফসলের অভাব হয় না। কিন্তু প্রাকৃতিক দূর্যোগের সময় তারা দিশেহারা হয়ে গিয়ে একমনে খোদাকে স্মরণ করে। গ্রামবাসীর এ ধর্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে শস্যহীন অঞ্চল থেকে আগত মজিদ নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য মাজারে মানত করার কথা বলে তাদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে। সহজ-সরল সেইসব মানুষ মজিদকে বিশ্বাস করে তার কথা মান্য করে। এ কারণে কোনো বিপদ হলে তারা মজিদের কাছে সাহায্য কামনা করে। উদ্দীপকের হিজলতলী গ্রামের মানুষগুলো পরিশ্রমী হওয়ায় তাদের ধানের অভাব নেই। যারা অভাবে আছে তাদেরও দুঃখ-কষ্টে থাকার কথা শোনা যায় না। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় তারা গাজীপীর বা বদরপীরের সাহায্য কামনা করে। আর প্রতারক শ্রেণীর এই মানুষেরা গ্রামবাসীর ধর্মবিশ্বাস ও সরলতার সুযোগে প্রতিনিয়ত ধর্মের দোহাই দিয়ে তাদের ঠকায়। উদ্দীপকের গ্রামের মানুষগুলোর এরূপ চিন্তা-চেতনা ও জীবনযাপনের দিকটি মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের অনুরূপ। তাই বলা যায়, সরলমন ও ধর্মবিশ্বাসী হওয়ায় ভন্ড ধার্মিকদের কাছে ঠকে যাওয়ার দিক দিয়ে হিজলতলীর মানুষ ও মহব্বতনগর গ্রামবাসীর সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।

উত্তর

স্বার্থপর মানুষের প্রতারণার কারণেই সহজ-সরল মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের জীবনে দুর্দশা নেমে আসে। 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগরবাসী অশিক্ষিত ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। পরিশ্রমী হওয়ার কারণে তারা অবস্থাপন্ন হলেও তাদের মধ্যে রয়েছে অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার। এর ফলে তারা মজিদ ও আউয়ালপুরের পীরের মতো মানুষদের দ্বারা বারবার প্রতারিত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে, খালেক ব্যাপারী মজিদের কথা শুনে তার স্ত্রীর পেটে বেড়ি পড়ার অজুহাতে তাকে তালাক দেয়। উদ্দীপকের হিজলতলীর মানুষেরা সরল ও ধর্মপ্রাণ। কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে তাদের স্বচ্ছ ধারণা নেই। কুসংস্কারাচ্ছন্নতার কারণে তারা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাজীপীর ও বদরপীরের কাছে সাহায্য চায়। তাদের এই সরলতা ও অজ্ঞতার সুযোগে ভণ্ড ধার্মিকরা তাদের ঠকায়। মহব্বতনগর গ্রামের মানুষেরা স্বচ্ছলভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রতিনিয়ত পরিশ্রম করে। আর এই গ্রামেই মজিদ আসে নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের আশায়। এখাসে এসে গ্রামের মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে কেন্দ্র করে সে তার প্রভাব বিস্তার করে। গ্রামের মানুষও তাদের সবধরনের সমস্যায় মজিদের শরণাপন্ন হয়। সন্তান না হলে মজিদের কাছে পানিপড়া নিতে আসে কিংবা ধান কাটার সময় প্রকৃতি বিরূপ হলে তারই কাছে ছুটে যায় সমাধানের আশায়। মজিদও এদের সরলতার সুযোগে নিজের অর্থও প্রতিপত্তি বৃদ্ধি করতে থাকে। এছাড়াও, ধান কাটার মৌসুমে গ্রামে গ্রামে পীরদের সফর শুরু হয় ভক্তদের কাছ থেকে অর্থ বা ধান নেওয়ার জন্য। উদ্দীপকের হিজলতলী গ্রামের মানুষেরা পরিশ্রমী ও বেশীর ভাগেরই গোলা ভরা ধান আছে। এরপরও প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগে তারা গাজীপীর, বদরপীরের সাহায্য কামনা করে। এই পীরেরা নিজেদের আখের গোছানোর জন্য কৌশলে এদেরকে ঠকায়, যা 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ ও আউয়ালপুরের পীরের মাঝেও লক্ষ করা যায়। এভাবে, উভয়স্থানে প্রতারক শ্রেণির দ্বারা ঠকে যাওয়াই গ্রামের মানুষের দুঃখের কারণ হিসেবে দেখা দেয়।
HSCBangla 1st Paperউপন্যাস : লালসালুComilla
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?

  • অবধারিত
  • নাটকীয়
  • কাব্যিক
  • স্বাভাবিক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • বিশ্বাস
  • আনুগত্য
  • ভীতি
  • অনুরাগ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?

  • তাহের
  • খালেক
  • আক্কাস
  • ধলা মিয়া

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ১৯২০
  • ১৯২২
  • ১৮২০
  • ১৯২৬

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

  • চট্টগ্রাম
  • যশোর
  • রাজশাহী
  • খুলনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?

  • ফেণী
  • নোয়াখালী
  • কুমিল্লা
  • চট্টগ্রাম

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?

  • বাংলা সাহিত্য
  • বায়োলজি
  • অর্থনীতি
  • ইতিহাস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতো?

  • ঢাকা
  • চট্টগ্রাম
  • প্যারিস
  • কলকাতা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?

  • ১৯৪০ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৪৬ সালে
  • ১৯৪৭ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]

  • করাচি
  • লন্ডন
  • জার্মানি
  • প্যারিস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

  • ১৯৬৯
  • ১৯৭০
  • ১৯৭১
  • ১৯৭২

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

  • ১৯৪৮ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৫২ সালে
  • ১৯৬১ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতোসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।