উদ্দীপকটি লালসালু উপন্যাসের সম্পূর্ন অংশ মিলে না - কথাটি যথাযথ।
লালসালু উপন্যাসে মজিদের কাজ ছিল সম্পূর্ণ ভন্ডামি কিন্তু উদ্দীপকের কদম আলীর পানি পড়া ভন্ডামি মনে হলেও এটি ছিল মানুষের মহৌষধ। এজন্য মানুষ তাকে বিশ্বাস করতেন। মজিদ মানুষকে বিভিন্নভাবে ঠকিয়েছে। যাদের সন্তান হয় না তাদেরকে সাত প্যাচ, পাচ প্যাচ, চৌদ্দ প্যাচ নাম দিয়ে কষ্ট দিয়েছে। আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়তে চাইলে তাকে অপমান করেছে। এভাবে সবকিছুই নিজের নামে চালানোর প্লান করেছে।
লালসালু মূলত একটি সামাজিক উপন্যাস। যুগ-যুগ ধরে প্রচলিত কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও ধর্মীয় ভীতি এই উপন্যাসের উপজীব্য বিষয়। মজিদ নামে এই স্বার্থান্বেষী, ভণ্ড ধর্মব্যবসায়ীকে কেন্দ্র করে এর কাহিনী গড়ে উঠেছে। স্বার্থান্বেষণে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে অবশেষে সে মহব্বতনগর গ্রামে ঘাঁটি গাড়ে মাতব্বর খালেক ব্যাপারীর বাড়িতে।
আওয়ালপুরের পীর সাহেবের পানি পড়া মানুষ বিশ্বাস করত। কেননা তার পানি পড়া খেয়ে মানুষ উপকার পেয়েছে। সেখানে পানি পড়া নেওয়ার জন্য খালেক ব্যাপারীর বড় বউ অনেক বড় শাস্তি পেল। অথচ উদ্দীপকের শাহ কদম আলী মজিদের মত এত ভন্ড ছিল না। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপক এবং লালসালু উপন্যাস সম্পুর্ন এক নয়।