ঝড়-বৃষ্টির রাতে জমিলাকে মাজার আঙিনায় বেঁধে রেখে, মাঠের ধানের ক্ষতি সম্পর্কে মজিদ কথা বলায় রহিমা তার প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছে।
মজিদ কূটকৌশলী, ধর্মব্যবসায়ী, প্রতারক। মহব্বতনগর গ্রামের কেউ তার অপকর্মের প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। অথচ তার দ্বিতীয় স্ত্রী জমিলা তার কথা শোনে না, প্রতিবাদ করে। সে নিজেকে মজিদের জালে আবদ্ধ করতে চায় না। জমিলাকে শাস্তি দিতে মজিদ এক রাতে তাকে মাজারের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখে। কিছুক্ষণ পর বাইরে ঝড় ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। সেই অবস্থায় নির্দয় মজিদ জমিলার কথা না ভেবে মাঠে ধান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সেই কথা বলতে থাকে। তখন রহিমা ক্ষোভ প্রকাশ করে জমিলাকে ঘরের ভেতরে নিয়ে আসতে মজিদকে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলে। উপন্যাসজুড়ে ব্যক্তিত্বহীন রহিমা এখানে এসে মাতৃত্বের মধ্য দিয়ে ব্যক্তিত্বময়ী হয়ে উঠেছে।