শেয়ারFacebookWhatsApp

'লালসালু' উপন্যাসে অশীতিপর বৃদ্ধ কে?

উত্তর: 'লালসালু' উপন্যাসে অশীতিপর বৃদ্ধ হলেন সলেমনের বাপ।

HSC Bangla 1st Paper উপন্যাস : লালসালু CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · উপন্যাস : লালসালু · সৃজনশীল

'লালসালু' উপন্যাসে অশীতিপর বৃদ্ধ কে?

উদ্দীপক

'হুযুর কেবলা' গল্পে এমদাদ নামক শিক্ষিত যুবক অনেকটা কৌতূহলের বশে ভন্ডপীরের মুরিদ হয়। কিন্তু যখনই ভণ্ডপীরের চালাকি ও তার লোলুপ কামনা এমদাদের সামনে উন্মোচিত হয়েছে, তখনই সে প্রতিবাদ করেছে। কিন্তু ভন্ডপীর হুযুর কেবলা তার ধর্মান্ধ মুরিদদের সহায়তায় এমদাদকে পাগল আখ্যা দিয়ে গ্রাম থেকে বের করে দিয়েছে। আর নিজে মুরিদের সুন্দরী স্ত্রীকে কৌশলে তালাক দিতে বাধ্য করেছে এবং নিজের বাসনা পূরণ করেছে।

Dinajpur · 2024

উত্তর

'লালসালু' উপন্যাসে অশীতিপর বৃদ্ধ হলেন সলেমনের বাপ।

উত্তর

"শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি।"- উক্তিটিতে বোঝানো হয়েছে যে, খাদ্য না থাকলেও লোক দেখানো ধর্মচর্চায় কেউ কার্পণ্য করে না। 'লালসালু' উপন্যাসে লেখক যে এলাকার বর্ণনা দিয়েছেন সেখানকার মানুষ প্রচণ্ড অভাবী। এই অভাবের মধ্যেও তারা ধর্মচর্চা করে। ঘরে খাদ্য না থাকলেও সেই অঞ্চলের মানুষের মধ্যেও ধর্মচর্চায় কোনো কার্পণ্য নেই। তাদের মধ্যে সবাই যে খোদার ভয়ে ধর্মচর্চা করে ব্যাপারটা এমন নয়। কেউ কেউ ধর্মের নামে প্রতারণা ও ভণ্ডামি করে। এই প্রতারকরাই ধর্মের আগাছা। এই দিকটি বোঝাতেই লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।

উত্তর

উদ্দীপকের এমদাদের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের 'আক্কাস' চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে। অশিক্ষা ও অসচেতনতার কারণে মানুষ কুসংস্কারে বিশ্বাস করে। কুসংস্কার মানুষের জীবনে কোনো কল্যাণ বয়ে আনে না। বরং এ ধরনের অন্ধবিশ্বাস মানুষকে তার লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। অনেক সময় নানা রকম বিপদের কারণ হয়। উদ্দীপকে 'হুযুর কেবলা' গল্পে শিক্ষিত যুবক এমদাদের কর্মকাণ্ডের পরিচয় প্রতিফলিত হয়েছে। এমদাদ কৌতূহলের বশে ভণ্ডপিরের মুরিদ হয়। একসময় সে বুঝতে পারে যে, প্রকৃতপক্ষে পির একজন প্রতারক। ভন্ডপিরের চালাকি ও তার লোলুপ কামনা এমদাদের সামনে উন্মোচিত হলে সে তাকে প্রত্যাখ্যান করেছে। একই সঙ্গে এমদাদ হুযুর কেবলার ভণ্ডামির প্রতিবাদ করেছে। উদ্দীপকের এমদাদের এই প্রতিবাদী মনোভাব ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। শিক্ষিত যুবক আক্কাসও মজিদের ভণ্ডামি বুঝতে পেরে তার প্রতিকারের জন্য মহব্বতনগর গ্রামবাসীকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে চেয়েছিল। ধর্মব্যবসায়ী মজিদের ছায়া থেকে গ্রামবাসীকে মুক্ত করতে সে তার গ্রামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। স্কুল প্রতিষ্ঠিত হলে অশিক্ষিত, কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ, শিক্ষিত হবে এবং তারা মজিদের হীনস্বার্থ হাসিলের মাজার ব্যবসায়ের প্রতিবাদ করবে এবং তাকে প্রত্যাখ্যান করবে। এক্ষেত্রে আক্কাস উদ্দীপকের এমদাদের মতোই মজিদের কূটকৌশলের কাছে ব্যর্থ হয়েছে। এভাবে উদ্দীপকের এমদাদ ও 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র।

উত্তর

উদ্দীপকের হুযুর কেবলা আর 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ একই বৈশিষ্ট্যের অধিকারী- মন্তব্যটি যথার্থ। সাধারণ সমাজের হীন স্বভাবের স্বার্থপর ব্যক্তিরা যেকোনো উপায়ে নিজেদের কর্তৃত্ব বজায় রাখতে চায়। অনেক ক্ষেত্রে ধর্মকে পুঁজি করে একশ্রেণির লোক সমাজের সহজ-সরল ধর্মপ্রাণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করে। সচেতন কেউ তা বুঝে ফেলে প্রতিবাদ করলে তারা তাকে নানাভাবে দমিয়ে রাখে। 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ একজন প্রতারক, ভন্ড, ধর্মব্যবসায়ী। তথাকথিত মোদাচ্ছের পিরের মাজারকে আশ্রয় করে সে মহব্বতনগর গ্রামের অশিক্ষিত কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে। কূট- কৌশলের মাধ্যমে গ্রামের মানুষকে নানাভাবে ঠকাত। 'নারীর প্রতি অমর্যাদা দেখানো এবং নিজের মনগড়া ধর্মের ব্যাখ্যা দিয়ে সবাইকে দমিয়ে রাখত। মাজার ব্যবসায় করে মজিদ অল্পদিনের মধ্যে প্রভাব- প্রতিপত্তির মালিক হয়। গ্রামের ধনী ব্যক্তি খালেক ব্যাপারীকেও নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে খেয়াল মতো ঘোরায়। শিক্ষিত যুবক আক্কাস, গ্রামে স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে মজিদ কৌশলে তার চেষ্টাকে ব্যর্থ করে দেয়। মজিদের এই কাজে অশিক্ষিত কুসংস্কারাচ্ছন্ন গ্রামবাসী সমর্থন দেয়। উদ্দীপকের হুযুর কেবলাও শিক্ষিত যুবক এমদাদকে পাগল আখ্যা দিয়ে গ্রাম থেকে বের করে দিয়ে নিজের আধিপত্য বজায় রাখে। তার ধর্মান্ধ মুরিদরা তার এই কাজে সহায়তা করে। 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ কূটকৌশলী, ধর্মব্যবসায়ী, প্রতারক। মহব্বতনগর গ্রামের কেউ তার অপকর্মের প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে সম্বল করে সে নারীর প্রতিও অমানবিক আচরণ করে। স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার জন্য খালেক ব্যাপারীকে প্ররোচিত করে। নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী জমিলাকে বশে আনতে সে ঝড়- বৃষ্টির রাতে মাজারের সঙ্গে বেঁধে রাখে। হাসুনির মায়ের প্রতি লোলুপ দৃষ্টিতে মজিদের তাকানোর সঙ্গে উদ্দীপকের হুযুর কেবলার নারীর প্রতি লোলুপ কামনা সাদৃশ্যপূর্ণ। সেও নিজের মুরিদের সুন্দরী স্ত্রীকে কৌশলে তালাক দিতে বাধ্য করেছে। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।"
HSCBangla 1st Paperউপন্যাস : লালসালুDinajpur
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?

  • অবধারিত
  • নাটকীয়
  • কাব্যিক
  • স্বাভাবিক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • বিশ্বাস
  • আনুগত্য
  • ভীতি
  • অনুরাগ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?

  • তাহের
  • খালেক
  • আক্কাস
  • ধলা মিয়া

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ১৯২০
  • ১৯২২
  • ১৮২০
  • ১৯২৬

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

  • চট্টগ্রাম
  • যশোর
  • রাজশাহী
  • খুলনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?

  • ফেণী
  • নোয়াখালী
  • কুমিল্লা
  • চট্টগ্রাম

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?

  • বাংলা সাহিত্য
  • বায়োলজি
  • অর্থনীতি
  • ইতিহাস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতো?

  • ঢাকা
  • চট্টগ্রাম
  • প্যারিস
  • কলকাতা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?

  • ১৯৪০ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৪৬ সালে
  • ১৯৪৭ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]

  • করাচি
  • লন্ডন
  • জার্মানি
  • প্যারিস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

  • ১৯৬৯
  • ১৯৭০
  • ১৯৭১
  • ১৯৭২

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

  • ১৯৪৮ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৫২ সালে
  • ১৯৬১ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতোসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।