উদ্দীপকের তোতা কবিরাজের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।
উদ্দীপকে তোতা কবিরাজ অশিক্ষিত, অসহায়, কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষদের কাজে লাগিয়ে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করে। মোহনপুরে যখন নিপা ভাইরাস দেখা দিলো, তখন গ্রামবাসী আতঙ্কে বাড়িঘর ছেড়ে দেয়ার কথা ভাবছিল। এমন সময় তোতা কবিরাজ চিনি পড়া, পানি পড়া দিয়ে চিকিৎসা দেন এবং অনেক টাকা পয়সা হাতিয়ে নেন। কিছুদিন পর নিপা ভাইরাস বিদায় নেয়। তবুও গ্রামের মানুষ তোতা কবিরাজের অলৌকিক ক্ষমতায় মুগ্ধ হয়ে তাকে অর্থ-সম্পদ উপহার দেয় এবং ভয়ও করে।
'লালসালু' উপন্যাসের ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতার মতো মজিদ ভাগ্যের সন্ধানে মহব্বতনগর গ্রামে আসে। এখানে এসে সে পুরনো একটি কবরকে আশ্রয় করে তার ধর্মব্যবসায় প্রতিষ্ঠা করে। প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে মজিদ মাজার প্রতিষ্ঠা করে। উদ্দীপকের তোতা কবিরাজও মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে নিজের স্বার্থে মোহনপুরবাসীদের ব্যবহার করেছে।
এভাবে উদ্দীপকের তোতা কবিরাজের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।