উদ্দীপকে সাথে লালসালু উপন্যাসের মহব্বতনগরের বৈচিত্র্যহীন ও দুর্দশাপূর্ণ জীবনের সাদৃশ্য রয়েছে।
লালসালু উপন্যাসে মহব্বতনগরের মানুষ তারা অশিক্ষিত,ধর্মান্ধ ও কুসংস্কারে বিশ্বাস করে জীবন অতিবাহিত করতেন। তারা অশিক্ষিত হলেও পরিশ্রমী ছিলেন। পরিশ্রমী হওয়ার ফসলের অভাব না হলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগে তাদের ফসল তলিয়ে যায়। দিশেহারা হয়ে তারা খোদাকে স্মরণ করে, মসজিদের সাহায্য কামনা করে,কিন্তু তাদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয় না। মাঝখান দিয়ে মসজিদের মতো ব্যক্তিরা গ্রামবাসীর বিশ্বাসকে পুঁজি করে নিজের স্বার্থসিদ্ধি করে।
উদ্দীপকে পদ্মার পাড়ের মানুষের বৈচিত্রহীন জীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে। একইরকমভাবে তাদের দিন কেটে যায়।পদ্মার তীরে কখনো ভাঙ্গন ধরে, আবার কখনো পদ্মার বুকে চড় জাগে,আবার সে চর বিলীন হয়ে যায়।জেলেপাড়ার শিশুর ক্রন্দন কোনদিনই বন্ধ হয় না। ক্ষুধা-তৃষ্ণা ও হাসি কান্নার দেবতার পূজা কোনদিনই সাঙ্গ হয় না। উত্থান পতনের মাধ্যমে তাদের জীবনযাত্রা অগ্রসর হলেও তাদের জীবনচিত্রের বিশেষ কোন পরিবর্তন হয়নি।তাই বলা যায় উদ্দীপকের পদ্মার পাড়ে মানুষের মতই লালসালু উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের জীবন বৈচিত্র্যহীন।