শেয়ারFacebookWhatsApp

“ব্যাপারটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।”- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: মজিদকে বাদ দিয়ে আওয়ালপুরের পিরের কাছ থেকে পানিপড়া আনার জন্য খালেক ব্যাপারীর নির্দেশ প্রসঙ্গে ধলা মিঞা এ কথা ভেবেছে। স্ত্রী আমেনা বিবির আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য খালেক ব্যাপারী ধলা মিঞাকে নির্দেশ দেয়। ধলা মিঞার কাছ থেকে মজিদ সে কথা জানতে পেরে রেগে যায়। বউয়ের খাতিরে ব্যাপারী মজিদের নির্দেশের বরখেলাপ করে ঠক-পিরের কাছে লোক পাঠাবে পড়াপানি আনার জন্য, সেটা মজিদের পছন্দসই নয়। তাই ধলা মিঞারও মনে হয়, ব্যাপারী যে কাজ করেছে। সেটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।

HSC Bangla 1st Paper উপন্যাস : লালসালু CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · উপন্যাস : লালসালু · সৃজনশীল

“ব্যাপারটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।”- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

আব্দুল জব্বার মৃধা নিঃসন্তান বলে তার মনে অনেক কষ্ট। সামাজিক ও পারিবারিকভাবে অনেক হেয় হতে হয় তাকে। একদিন সে তার স্ত্রী মেরিনাকে তার এমন অবস্থার কথা খুলে বললে নিজেই উদ্যোগী হয়ে স্বামীর বিয়ে দেয় মেরিনা, গরিব ঘরের অল্প বয়সী মেয়ে সুচরিতার সাথে বিয়ে দিয়ে ঘরে নিয়ে আসে। কিন্তু সুচরিতা বাবার বয়সী জব্বার মৃধাকে স্বামী বলে মেনে নিতে চায় না। তাই তার মুখে থুথু দেয় ও ভেংচি কাটে। জব্বার মৃধা এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সুচরিতাকে অনেক কষ্টদায়ক শাস্তি দেয়। সন্তানতুল্য মেয়েটিকে কষ্ট পেতে দেখে মেরিনাও ভীষণ কষ্ট পায়। মনের অজান্তেই চোখ মোছে শাড়ির আঁচলে।

Chittagong · 2022

উত্তর

'লালসালু' উপন্যাসে হাঁপানি রোগী সলেমনের বাপ ।

উত্তর

মজিদকে বাদ দিয়ে আওয়ালপুরের পিরের কাছ থেকে পানিপড়া আনার জন্য খালেক ব্যাপারীর নির্দেশ প্রসঙ্গে ধলা মিঞা এ কথা ভেবেছে। স্ত্রী আমেনা বিবির আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য খালেক ব্যাপারী ধলা মিঞাকে নির্দেশ দেয়। ধলা মিঞার কাছ থেকে মজিদ সে কথা জানতে পেরে রেগে যায়। বউয়ের খাতিরে ব্যাপারী মজিদের নির্দেশের বরখেলাপ করে ঠক-পিরের কাছে লোক পাঠাবে পড়াপানি আনার জন্য, সেটা মজিদের পছন্দসই নয়। তাই ধলা মিঞারও মনে হয়, ব্যাপারী যে কাজ করেছে। সেটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।

উত্তর

সুচরিতা চরিত্রটি 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রের সঙ্গে ন সংগতিপূর্ণ । 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চপলা-চঞ্চলা এক কিশোরী। অল্প বয়সেই * জমিলার বিয়ে হয় তার চেয়ে অনেক বেশি বয়সি মজিদের সাথে। মজিদ মহব্বতনগর গ্রামে ভাগ্যের পরিবর্তনের আশায় এসে ধর্মকেন্দ্রিক ব্যাবসা শুরু করেন। মজিদ একটি অজ্ঞাত কবরকে মাজার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে থ সকলের বিশ্বস্ত হয়ে ওঠে। কিন্তু অল্প বয়সি জমিলা মজিদের এই ট প্রভাবকে গুরুত্ব দেয় না। তাই সে জমিলাকে বশো আনার জন্য শাস্তি দেয় এবং নানা রকম ভয় দেখায় । সুচরিতা আব্দুল জব্বার মৃধার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম বিয়ের পর বাবা হতে না পরে তিনি গরিব ঘরের মেয়ে সুচরিতাকে বিয়ে করেন। কিন্তু সুচরিতা বাবার বয়সি জব্বার মৃধাকে স্বামী হিসেবে মেনে নিতে পারেনি। সে জব্বার মৃধার সাথে শিশুসুলভ আচরণ করে। তাই বলা যায়, বয়স্ক স্বামীকে মান্য না করার দিক থেকে সুচরিতা ও জমিলা সংগতিপূর্ণ ।

উত্তর

সন্তানের আশায় দ্বিতীয় বিয়ে করে ভোগান্তির শিকার হওয়ায় উদ্দীপকের জব্বার মৃধা মজিদ চরিত্রের আংশিক রূপ ধারণ করেছে। 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ কুসংস্কার, শঠতা, প্রতারণা এবং অন্ধ বিশ্বাসের প্রতীকী চরিত্র। সে গ্রামের সরল মানুষদের ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে আত্মপ্রতিষ্ঠা লাভ করে। তারপর বিয়ে করে সংসার শুরু করলেও মজিদ ছিল নিঃসন্তান। পরবর্তী সময়ে মেয়ের বয়সি জমিলাকে বিয়ে করে নিয়ে এলে মজিদ আরও হতাশ হয়ে পড়ে। কারণ, প্রথম স্ত্রী মজিদের অনুগত হলেও জমিলা ছিল তার বিপরীত। জব্বার মৃধা নিঃসন্তান। সন্তান না হওয়ার যন্ত্রণায় জব্বার মৃধা অনেকটা দিশেহারা হয়েই প্রথম স্ত্রী মেরিনার অনুমতি নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। কিন্তু তার দ্বিতীয় স্ত্রী সুচরিতা বাবার বয়সি জব্বার মৃধাকে মেনে নেয় না এবং তাকে সম্মান করে না। এতে আব্দুল জব্বার মৃধা কষ্ট পায় । মজিদ শস্যহীন জনবহুল এক অঞ্চল থেকে ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য মহব্বতনগর গ্রামে আসে। এখানে এসে সে একটি অজ্ঞাত কবরকে মোদাচ্ছের পিরের মাজার বলে প্রতিষ্ঠিত করে। এই মাজারকে কেন্দ্র করে সে মহব্বতনগরে নিজের প্রভাব-প্রতিপত্তি বিস্তার করে। গ্রামের সহজ-সরল ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষের বিশ্বাসকে পুঁজি করে সে তার ধর্ম ব্যাবসা চালিয়ে যায়। সন্তান লাভের আশায় ঘরে স্ত্রী থাকার পরও মজিদ অল্প বয়সি জমিলাকে বিয়ে করে। কিন্তু গ্রামের সবাই তাকে ভক্তি ও শ্রদ্ধা করলেও জমিলা মজিদের অবাধ্য হয় এবং মজিদ তাকে অমানবিক শাস্তি হয়। মজিদের এই দ্বিতীয় বিয়ে, স্ত্রীর অবাধ্য ও অসম্মানজনক আচরণ ইত্যাদি বিষয়গুলো উদ্দীপকের জব্বার মৃধার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তবে উপন্যাসে মজিদের যে প্রভাব, প্রতাপ ও প্রতিপত্তি তা আব্দুল জব্বার মৃধার সাথে সংগতিপূর্ণ নয় । তাই বলা যায়, “উদ্দীপকের জব্বার মৃধা 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের আংশিক রূপধারণ করেছে।”— মন্তব্যটি যথার্থ ।
HSCBangla 1st Paperউপন্যাস : লালসালুChittagong
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?

  • অবধারিত
  • নাটকীয়
  • কাব্যিক
  • স্বাভাবিক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • বিশ্বাস
  • আনুগত্য
  • ভীতি
  • অনুরাগ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?

  • তাহের
  • খালেক
  • আক্কাস
  • ধলা মিয়া

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ১৯২০
  • ১৯২২
  • ১৮২০
  • ১৯২৬

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

  • চট্টগ্রাম
  • যশোর
  • রাজশাহী
  • খুলনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?

  • ফেণী
  • নোয়াখালী
  • কুমিল্লা
  • চট্টগ্রাম

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?

  • বাংলা সাহিত্য
  • বায়োলজি
  • অর্থনীতি
  • ইতিহাস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতো?

  • ঢাকা
  • চট্টগ্রাম
  • প্যারিস
  • কলকাতা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?

  • ১৯৪০ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৪৬ সালে
  • ১৯৪৭ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]

  • করাচি
  • লন্ডন
  • জার্মানি
  • প্যারিস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

  • ১৯৬৯
  • ১৯৭০
  • ১৯৭১
  • ১৯৭২

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

  • ১৯৪৮ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৫২ সালে
  • ১৯৬১ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতোসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।