শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের মূল বক্তব্য 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: ➤ পরার্থে আত্মনিবেদিত হওয়ার বিষয়টিই হলো উদ্দীপকের মূল বক্তব্য। ➤ নিজের জন্য বেঁচে থাকা জীবনের সার্থকতা নয়। অন্যের জন্য নিবেদিত হওয়ার মাঝেই রয়েছে জীবনের সার্থকতা। এই শিক্ষা বৃক্ষের কাছ থেকে গ্রহণ করে আমাদের জীবন সুন্দর ও সার্থক করে তুলতে হবে। ➤ উদ্দীপকে নিমগাছের বর্ণনায় বৃক্ষের উপকারী দিকগুলোর পরিচয় পাওয়া যায়। নিমগাছ নিজেকে প্রস্ফুটিত করেছে নিজের জন্য নয়। অন্যের প্রয়োজনে নিজেকে নিবেদিত করার মাঝেই নিমগাছ নিজের সার্থকতা খুঁজে পায়। কোনো রকম প্রতিদানের প্রত্যাশা না করেই নিমগাছ মানুষের উপকার করে। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধেও লেখক বৃক্ষের উপকারী দিকের বর্ণনা দিয়েছেন। বৃক্ষ ফুলে- ফলে পরিপূর্ণতা পায়। অন্যকে দান করে বৃক্ষ খুঁজে নেয় তার সার্থকতা। সেখানে থাকে না বৃক্ষের কোনো ধরনের স্বার্থপরতা। বৃক্ষের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে নিজেকে বিকশিত, বিবেকবান ও পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে ওঠার আহ্বান রয়েছে প্রবন্ধে। ➤ 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বলতে চেয়েছেন নিজেকে সম্পূর্ণরূপে পরিপূর্ণ করাই বৃক্ষের একমাত্র উদ্দেশ্য নয়। নিঃস্বার্থভাবে পরের জন্য নিবেদিত হওয়ার মাঝেই বৃক্ষের সার্থকতা। আর পরার্থে আত্মনিবেদিত হওয়ার এই মূল চেতনা উদ্দীপকের নিমগাছের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে। সারকথা: জীবনকে মহত্ত্বের মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে আমাদের বৃক্ষের মতো পরার্থে আত্মনিবেদিত হতে হবে। এ বিষয়টিই উদ্দীপক ও আলোচ্য প্রবন্ধের মূল বক্তব্য হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : জীবন ও বৃক্ষ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : জীবন ও বৃক্ষ · সৃজনশীল

উদ্দীপকের মূল বক্তব্য 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে। পাতাগুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ। কচি ডালগুলো ভেঙে চিবোয় কত লোক ldots. দাঁত ভালো থাকে। কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। বাড়ির পাশে গজালে বিজ্ঞরা খুশি হন। বলেন- নিমের হাওয়া ভালো, থাক, কেটো না। কাটে না, কিন্তু যত্নও করে না। হঠাৎ একদিন একটা নূতন ধরনের লোক এলো। মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইল নিমগাছের দিকে। ছাল তুললে না, পাতা ছিঁড়লে না, ডাল ভাঙলে না, মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইল শুধু।

Dhaka · 2017

উত্তর

➤ অনুভূতির কান দিয়ে বৃক্ষের গান শুনতে হবে।

উত্তর

➤ মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও।"- বলতে মানুষের দৈহিক বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আত্মিক বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তাকে বোঝানো হয়েছে। ➤ সাধারণভাবে আত্মার বৃদ্ধি বলতে মানুষের মানসিক অবস্থা ও আত্মিক উন্নতিকে বোঝায়। শারীরিকভাবে মানুষের বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবস্থারও উন্নতি ঘটাতে হয়। আস্থার বৃদ্ধির জন্য মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়। কারণ তা তৈরি পাওয়া যায় না। আম্মা হচ্ছে সুখ-দুঃখ-বেদনা উপলব্ধির ফলে অন্তরের পরিপক্ষতা। বিচিত্র অভিজ্ঞতা ও গভীর অনুভবের মাধ্যমেই মানুষের আত্মার শ্রীবৃদ্ধি হয়। আর তা হলেই একজন মানুষ পরিপূর্ণতা অর্জন করে। এ কারণেই বলা হয়েছে, মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। সারকথা: মানুষের দৈহিক বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আয়িক বৃদ্ধিও প্রয়োজন। প্রচুর দুঃখ-সুখ, আনন্দ-বেদনার দ্বারা অত্তরে পরিপক্ষতা আসে। • আর তখন আত্তিক বৃদ্ধি হয়।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের নিমগাছটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের ক্ষেত্রে অনেকাংশে প্রাসঙ্গিক এ কথা বলা যায়। ➤ বৃক্ষ ফুলে-ফলে খুঁজে পায় নিজের পরিপূর্ণতা। নিজেকে অন্যের সেবায় নিয়োজিত করে বৃক্ষ পায় সার্থকতা। মানবজীবনের সার্থকতা প্রতিষ্ঠায় আমাদের বৃক্ষের মতো হতে হবে। ➤ উদ্দীপকে নিমগাছের বর্ণনা রয়েছে। এ গাছের ছাল, পাতা, কচি ডাল সবই মানুষ তাদের নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করছে ও উপকৃত হচ্ছে। নিমগাছ এ উপকারী দিকগুলোর কারণে পেয়েছে সবার প্রশংসা। তার প্রাপ্তিই তার সার্থকতা। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধেও লেখক বৃক্ষের নানা গুণ ও উপকারী দিকগুলোর কথা বলেছেন। তাই তিনি বৃক্ষকে জীবনের আদর্শ হিসেবে তুলে ধরতে চেয়েছেন। প্রাবন্ধিকের মতে নিজেকে উজাড় করে মানুষ ও প্রকৃতির সেবা করাই বৃক্ষের অন্যতম প্রধান কাজ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের নিমগাছটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সঙ্গে অনেকাংশে প্রাসঙ্গিক। সারকথা: জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বৃক্ষের গুণ ও উপকারী দিকগুলো বর্ণনা করা হয়েছে, যা উদ্দীপকে বর্ণিত নিমগাছের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক।

উত্তর

➤ পরার্থে আত্মনিবেদিত হওয়ার বিষয়টিই হলো উদ্দীপকের মূল বক্তব্য। ➤ নিজের জন্য বেঁচে থাকা জীবনের সার্থকতা নয়। অন্যের জন্য নিবেদিত হওয়ার মাঝেই রয়েছে জীবনের সার্থকতা। এই শিক্ষা বৃক্ষের কাছ থেকে গ্রহণ করে আমাদের জীবন সুন্দর ও সার্থক করে তুলতে হবে। ➤ উদ্দীপকে নিমগাছের বর্ণনায় বৃক্ষের উপকারী দিকগুলোর পরিচয় পাওয়া যায়। নিমগাছ নিজেকে প্রস্ফুটিত করেছে নিজের জন্য নয়। অন্যের প্রয়োজনে নিজেকে নিবেদিত করার মাঝেই নিমগাছ নিজের সার্থকতা খুঁজে পায়। কোনো রকম প্রতিদানের প্রত্যাশা না করেই নিমগাছ মানুষের উপকার করে। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধেও লেখক বৃক্ষের উপকারী দিকের বর্ণনা দিয়েছেন। বৃক্ষ ফুলে- ফলে পরিপূর্ণতা পায়। অন্যকে দান করে বৃক্ষ খুঁজে নেয় তার সার্থকতা। সেখানে থাকে না বৃক্ষের কোনো ধরনের স্বার্থপরতা। বৃক্ষের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে নিজেকে বিকশিত, বিবেকবান ও পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে ওঠার আহ্বান রয়েছে প্রবন্ধে। ➤ 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বলতে চেয়েছেন নিজেকে সম্পূর্ণরূপে পরিপূর্ণ করাই বৃক্ষের একমাত্র উদ্দেশ্য নয়। নিঃস্বার্থভাবে পরের জন্য নিবেদিত হওয়ার মাঝেই বৃক্ষের সার্থকতা। আর পরার্থে আত্মনিবেদিত হওয়ার এই মূল চেতনা উদ্দীপকের নিমগাছের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে। সারকথা: জীবনকে মহত্ত্বের মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে আমাদের বৃক্ষের মতো পরার্থে আত্মনিবেদিত হতে হবে। এ বিষয়টিই উদ্দীপক ও আলোচ্য প্রবন্ধের মূল বক্তব্য হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : জীবন ও বৃক্ষ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মোতাহের হোসেন চৌধুরী কাকে মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.“ প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম”- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উদ্দীপকের তমালের সাথে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য আছে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.মোতাহের হোসেন চৌধুরী কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মোতাহের হোসেন চৌধুরী কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাশ করেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.মোতাহের হোসেন চৌধুরী কোন বিষয়ে এমএ পাশ করেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মোতাহের হোসেন চৌধুরী বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার প্রসার ঘটাতে কোনটি প্রতিষ্ঠিত করেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.“ মুসলিম সাহিত্য সমাজ” কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.মোতাহের হোসেন চৌধুরী 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' কোথায় প্রতিষ্ঠা করেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.“ জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব”- উক্তিটি কোন লেখকের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদারপন্থী মানবতাবাদী চিন্তাধারায় স্নাত ছিলেন কে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম কান্ডারি ছিলেন- i. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ii. মোতাহের হোসেন চৌধুরী iii. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস নিচের কোনটি সঠিক?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মোতাহের হোসেন চৌধুরী কাকে মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন?“ প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম”- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?উদ্দীপকের তমালের সাথে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য আছে?মোতাহের হোসেন চৌধুরী কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?মোতাহের হোসেন চৌধুরী কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাশ করেন?মোতাহের হোসেন চৌধুরী কোন বিষয়ে এমএ পাশ করেন?মোতাহের হোসেন চৌধুরী বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার প্রসার ঘটাতে কোনটি প্রতিষ্ঠিত করেন?“ মুসলিম সাহিত্য সমাজ” কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?মোতাহের হোসেন চৌধুরী 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' কোথায় প্রতিষ্ঠা করেন?“ জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব”- উক্তিটি কোনউদারপন্থী মানবতাবাদী চিন্তাধারায় স্নাত ছিলেন কে?মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম কান্ডারি ছিলেন- i. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ii. মোতাহের হোস

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।