➤ উপর্যুক্ত সত্তাটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার শেষ কথা নয়। মন্তব্যটি যথার্থ।
➤ মানুষ প্রতিনিয়ত অজানাকে জানতে চায়, অদেখাকে দেখতে চায়। দেশে-বিদেশে ভ্রমণ করে মানুষ সেখানকার বিচিত্র মানুষ, প্রকৃতি, ভূগোল, ইতিহাস ও সংস্কৃতির সান্নিধ্যে আসে।
➤ উদ্দীপকের বর্ণনায় মানুষের প্রতিনিয়ত বাইরের জগতের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দেশভ্রমণে যাওয়ার দিকটি ফুটে উঠেছে। বিভিন্ন দেশ ও জাতির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বর্ণনা দিয়ে তথ্যসংবলিত বই প্রকাশ করেন। এখানে লেখকের ব্যক্তিসত্তার দিকটি ফুটে উঠেছে। এই ব্যক্তিসত্তার দিকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার একটি মাত্র দিককে নির্দেশ করে। কেননা এ রচনায় লেখকের ব্যক্তিগত জীবনবোধ ও অসাধারণ রসঘন এক ভ্রমণকাহিনির বর্ণনা ফুটে উঠেছে।
➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক যেসব ঘটনা ও কাহিনি বর্ণনা করেছেন সেগুলো তিনি কখনো দেখেছেন রসিকের চোখে, কখনো ভাবুকের চোখে, কখনোবা বিদগ্ধ পান্ডিত্যের মনন ও নিষ্ঠার চোখে। ফলে রচনাটি জীবনচাঞ্চল্যে ভরপুর এক কথামালা। লেখক ফিরিঙ্গির সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ যাত্রার মাধ্যমে মানবিকতা, সাম্য ও সৌন্দর্যের ইতিহাসের সঙ্গে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেন। এসব গুরুত্বপূর্ণ দিক উদ্দীপকে নেই। তাই বলা যায়, আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।
সারকথা: উদ্দীপকের বর্ণনায় দেশভ্রমণে লেখকের ব্যক্তিসভার দিকটি ফুটে উঠলেও 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় এটি ছাড়াও আরও অনেক বিচিত্র বিষয় ও ভাব ফুটে উঠেছে। তাই আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।