শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রতিফলিত বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের জীবনে আগ্রহ জাগিয়ে তোলা এবং পরার্থে আত্মনিবেদনের দিকটিকে নির্দেশ করে। মানুষের টিকে থাকাটাই সার্থকতা নয়। মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগের মধ্যেই মানবজীবনের প্রকৃত সার্থকতা প্রতিভাত হয়। মানবজীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো পরার্থে আত্মনিবেদন করা। উদ্দীপকে একজন পরোপকারী মানুষের কথা বলা হয়েছে। যিনি নিজে শিক্ষিত না হয়েও দিন-রাত পরিশ্রম করে অর্জিত অর্থ অন্যের সন্তানের শিক্ষাগ্রহণের জন্য উৎসর্গ করছেন। তার এই কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল চেতনার সঙ্গে মিলে যায়। প্রবন্ধের প্রথমেই বলা হয়েছে সমাজের কাজ কেবল টিকে থাকার সুবিধা দেওয়া নয়। মানুষকে বড় করে তোলা, বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের আগ্রহ জাগিয়ে তোলা। এই কাজটিই করছেন উদ্দীপকের বসির মিয়া। উদ্দীপকটি প্রবন্ধের উক্ত দিকটিকেই নির্দেশ করেছে। সারকথা: 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রকাশিত বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের জীবনে আগ্রহ জাগিয়ে তোলার বিষয়টির প্রতি উদ্দীপকটি নির্দেশ করেছে।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : জীবন ও বৃক্ষ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : জীবন ও বৃক্ষ · সৃজনশীল

উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

আকাশে মেঘ ডাকছে ভয়ঙ্করভাবে। বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তবুও বেতাগী ঘাটের বৃদ্ধ মাঝি বসির মিয়া নৌকা নিয়ে বসে আছে যাত্রীর আশায়। তার আজ আরও ১২৫ টাকা উপার্জন করতে হবে। কারণ আগামীকাল মামুনের স্কুলের পরীক্ষার ফি দেওয়ার তারিখ। না, মামুন তার রক্তের কেউ নয়। উত্তর পাড়ার দরিদ্র ফজর আলীর ছেলে। এই নিয়ে একে একে পাঁচজনকে নিঃসন্তান বসির মিয়া ম্যাট্রিক পর্যন্ত পড়াশোনার খরচ জুগিয়েছেন। এতেই তার শান্তি।

উত্তর

বস্তুজগৎ সম্পর্কে জানার আগ্রহকে বলে বস্তুজিজ্ঞাসা।

উত্তর

"তারই চরণে এরা নিবেদিতপ্রাণ।"- এই কথাটি নিষ্ঠুর ও বিকৃতবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন- স্বল্পপ্রাণ স্থূলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষে সংসার পরিপূর্ণ। অন্যের জীবনকে সার্থক ও সুন্দর করে তোলার পরিবর্তে তারা অন্যের জীবনের সার্থকতার পথে বাধা সৃষ্টি করে। তারা নিষ্ঠুর ও বিকৃতবুদ্ধি। অহংকার তাদের একমাত্র দেবতা। অহংকারের কাছে তারা আত্মনিবেদন করে। এই কারণেই তারই চরণে তারা নিবেদিতপ্রাণ। সারকথা: প্রশ্নোক্ত কথাটি সমাজে স্থলবৃদ্ধি, নিষ্ঠুর ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষদের সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রতিফলিত বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের জীবনে আগ্রহ জাগিয়ে তোলা এবং পরার্থে আত্মনিবেদনের দিকটিকে নির্দেশ করে। মানুষের টিকে থাকাটাই সার্থকতা নয়। মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগের মধ্যেই মানবজীবনের প্রকৃত সার্থকতা প্রতিভাত হয়। মানবজীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো পরার্থে আত্মনিবেদন করা। উদ্দীপকে একজন পরোপকারী মানুষের কথা বলা হয়েছে। যিনি নিজে শিক্ষিত না হয়েও দিন-রাত পরিশ্রম করে অর্জিত অর্থ অন্যের সন্তানের শিক্ষাগ্রহণের জন্য উৎসর্গ করছেন। তার এই কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল চেতনার সঙ্গে মিলে যায়। প্রবন্ধের প্রথমেই বলা হয়েছে সমাজের কাজ কেবল টিকে থাকার সুবিধা দেওয়া নয়। মানুষকে বড় করে তোলা, বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের আগ্রহ জাগিয়ে তোলা। এই কাজটিই করছেন উদ্দীপকের বসির মিয়া। উদ্দীপকটি প্রবন্ধের উক্ত দিকটিকেই নির্দেশ করেছে। সারকথা: 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রকাশিত বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের জীবনে আগ্রহ জাগিয়ে তোলার বিষয়টির প্রতি উদ্দীপকটি নির্দেশ করেছে।

উত্তর

উদ্দীপকের বসির মিয়া যেন 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল চেতনাকে ধারণ করেছেন- মন্তব্যটি যথার্থ। পরোপকারিতা মানুষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গুণ। সমাজ-সংসারে যদি শুধু স্বার্থপরতা বিরাজ করত তবে মানুষের জীবন থমকে যেত। মানুষের পরোপকারী চেতনাই সমাজ-সভ্যতাকে টিকিয়ে রেখেছে এবং পৃথিবীকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করেছে। উদ্দীপকে একজন পরোপকারী মানুষের নিঃস্বার্থ কর্মকান্ডের কথা প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে বসির মিয়া বেতাগী ঘাটের মাঝি। তিনি দিন-রাত পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করেন। সেই অর্জিত অর্থে তিনি অন্যের সন্তানের লেখাপড়ার খরচ চালান। তার এই কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল চেতনাকে নির্দেশ করেছে। কারণ লেখক এই প্রবন্ধে বৃক্ষের পরোপকারী বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন এবং মানবজীবনে তার প্রতিফলন প্রত্যাশা করেছেন। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষের বিকাশ, পরিপূর্ণতা ও সার্থকতার পেছনে রয়েছে তার নীরব সাধনাকে দেখিয়েছেন। বৃক্ষ ফুলে-ফলে পরিপূর্ণ হয়ে সেসব অন্যকে দান করে সার্থক হয়ে ওঠে। মানবজীবনের সার্থকতার জন্য তেমন হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন। প্রবন্ধের এই দিকটি উদ্দীপকের বসির মিয়ার চেতনায় প্রতিফলিত হয়েছে। এই দিক বিচারে তাই বলা যায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষের পরোপকারী ও সেবাদানকারী চেতনার দিকটি তুলে ধরে মানবজীবনে তার প্রতিফলন প্রত্যাশা করেছেন। উদ্দীপকের বসির মিয়া প্রবন্ধের এই চেতনাকে বাস্তবে প্রয়োগ করেছেন
HSCBangla 1st Paperগদ্য : জীবন ও বৃক্ষ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.মোতাহের হোসেন চৌধুরী কাকে মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন?

  • নদীকে
  • বৃক্ষকে
  • ধর্মকে
  • আত্মাকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.“ প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম”- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

  • পরোপকারিতা
  • সহনশীলতা
  • উদারতা
  • সংবেদনশীলতা
  • বৃদ্ধি।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উদ্দীপকের তমালের সাথে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য আছে?

  • বৃক্ষের
  • জীবনের
  • লেখকের
  • নদীর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.মোতাহের হোসেন চৌধুরী কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?

  • কুমিল্লা
  • সিলেট
  • লক্ষ্মীপুর
  • ঢাকা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মোতাহের হোসেন চৌধুরী কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাশ করেন?

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  • রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  • চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  • কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.মোতাহের হোসেন চৌধুরী কোন বিষয়ে এমএ পাশ করেন?

  • ইংরেজিতে
  • বাংলায়
  • ইতিহাসে
  • অর্থনীতিতে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মোতাহের হোসেন চৌধুরী বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার প্রসার ঘটাতে কোনটি প্রতিষ্ঠিত করেন?

  • মুসলিম সাহিত্য সমাজ
  • স্বদেশি আন্দোলন
  • ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন
  • ফরায়েজী আন্দোলন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.“ মুসলিম সাহিত্য সমাজ” কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

  • ১৯২৬ সালে
  • ১৯২৫ সালে
  • ১৯২৭ সালে
  • ১৯২৮ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.মোতাহের হোসেন চৌধুরী 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' কোথায় প্রতিষ্ঠা করেন?

  • ঢাকায়
  • রাজশাহীতে
  • চট্টগ্রামে
  • লক্ষ্মীপুরে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.“ জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব”- উক্তিটি কোন লেখকের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত?

  • মোতাহের হোসেন চৌধুরীর
  • কাজী নজরুল ইসলামের
  • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের
  • আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদারপন্থী মানবতাবাদী চিন্তাধারায় স্নাত ছিলেন কে?

  • মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  • আল মাহমুদ
  • আনিসুজ্জামান
  • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম কান্ডারি ছিলেন- i. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ii. মোতাহের হোসেন চৌধুরী iii. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস নিচের কোনটি সঠিক?

  • i
  • ii
  • iii
  • ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মোতাহের হোসেন চৌধুরী কাকে মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন?“ প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম”- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?উদ্দীপকের তমালের সাথে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য আছে?মোতাহের হোসেন চৌধুরী কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?মোতাহের হোসেন চৌধুরী কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাশ করেন?মোতাহের হোসেন চৌধুরী কোন বিষয়ে এমএ পাশ করেন?মোতাহের হোসেন চৌধুরী বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার প্রসার ঘটাতে কোনটি প্রতিষ্ঠিত করেন?“ মুসলিম সাহিত্য সমাজ” কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?মোতাহের হোসেন চৌধুরী 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' কোথায় প্রতিষ্ঠা করেন?“ জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব”- উক্তিটি কোনউদারপন্থী মানবতাবাদী চিন্তাধারায় স্নাত ছিলেন কে?মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম কান্ডারি ছিলেন- i. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ii. মোতাহের হোস

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।