➤ "সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার পুরো বিষয়কে নির্দেশ করে না।"- মন্তব্যটি যথার্থ।
➤ প্রকৃতির বিস্ময়কর সব বস্তু বাস্তবে দেখার অভিপ্রায় থেকে মানুষ ভ্রমণে বের হয় এবং আনন্দ লাভ করে। ভ্রমণ একদিকে যেমন আনন্দের বিষয় অন্যদিকে আবার অভিজ্ঞতার বিষয়ও। এই অভিজ্ঞতা মানুষ তার পরবর্তী সময়ে কাজে লাগায়।
➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক কাবুলে যাওয়ার বর্ণনার পাশাপাশি বিভিন্ন স্টেশন, ব্যবহৃত যানবাহন, আলাপচারিতায় শামিল হওয়া লোকজন, তাদের স্বভাব-বৈশিষ্ট্য, সাধারণ ও নিম্ন আয়ের নারীর পর্দা না মেনে কাজ করা, তাদের সম্পর্কে পাঠানদের বক্তব্য, হাওড়া স্টেশনে ফিরিঙ্গির ব্যবহার, শিখ সর্দারজির কথা বলার ধরন, স্বভাব-বৈশিষ্ট্য প্রভৃতি তুলে ধরেছেন। এসব বিষয় উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়নি। উদ্দীপকে কাশ্মীরের রূপবৈচিত্র্যের প্রকাশ ঘটেছে। এখানে কথক হাঁটতে হাঁটতে কাশ্মীরের চিরায়ত রূপ প্রত্যক্ষ করেছেন। আর 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক চলার পথে এবং যাত্রাবিরতিতে অবস্থানের সময় সেই সৌন্দর্য উপভোগ করেছেন। এই দিকটি ছাড়া উদ্দীপকের সঙ্গে 'গন্তব্য কাবুল' রচনার আর কোনো মিল নেই।
➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক হাওড়া স্টেশন, জাকারিয়া স্ট্রিট, পেশাওয়ার, খাইবার পাস, টাট্টু ঘোড়ায় টানা দুই চাকার গাড়ির কথা বলেছেন। এসব বিষয় উদ্দীপকে নেই। এই দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
সারকথা: উদ্দীপকে কাশ্মীরের সৌন্দর্য বর্ণনায় কথকের যে মুগ্ধতা প্রকাশ পেয়েছে তা 'গন্তব্য কাবুল' রচনার লেখকের নারগিস ও চিনারের সৌন্দর্য উপভোগের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এছাড়া অন্য কোনো বিষয় উদ্দীপকে নেই যা 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় প্রকাশ পেয়েছে।