➤ "উদ্দীপকের শেষ লাইনের মূলভাবে 'গন্তব্য কাবুল' রচনার একটি বিশেষ দিক প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটি যথার্থ।
➤ আচার-আচরণের দিক থেকে সব জাতি একই রকম থাকে না। কোনো কোনো জাতি তাদের আতিথেয়তা দিয়ে যেকোনো মানুষকে মুগ্ধ করে। তাদের আচার-ব্যবহার এতটাই সুন্দর যে, মানুষ তাদের ব্যবহারে মুগ্ধ হয়।
➤ উদ্দীপকের শেষ লাইনে বলা হয়েছে, মেজাজ সবারই স্নিন্দ, ব্যবহার অনিন্দনীয়। আলেপ্পোর মানুষদের এমন বৈশিষ্ট্য মূলত আফগানিস্তানের মানুষদের আচার-ব্যবহারের দিকটিকে নির্দেশ করে। যেসব বৈশিষ্ট্য 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখকের বর্ণনায় ফুটে উঠেছে। এ রচনায় লেখক পেশাওয়ার স্টেশন থেকে বাসে করে কাবুল যাওয়ার পথে আফগানিস্তানের বাসিন্দাদের আচার-ব্যবহারে যুদ্ধ হয়েছেন। লেখক যখন দক্কা দুর্গে গেলেন তখন দুর্গের অফিসার তাঁর সঙ্গে ভালো ব্যবহার করলেন, অনেক খাতির-যত্ন করলেন।
➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক বাসে থাকাকালীন আফগানিস্তানের মানুষদের বিভিন্ন দিক লক্ষ করেছেন। লেখকের ডানে ছিলেন বাসের ড্রাইভার সর্দারজি এবং বামে ছিলেন আফগানিস্তানের এক সরকারি বেতারকর্তা। বেতারকর্তা ছিলেন ভদ্রলোক, অত্যন্ত বন্ধুবৎসল, বিপন্নের সহায়। লেখকের একাকী ভ্রমণে তিনি সঙ্গী হয়েছেন ঠিক বন্ধুর মতো। এ বিষয়টি উদ্দীপকের শেষ লাইনের মূলভাবকেই নির্দেশ করে। এই দিক থেকে মন্তব্যটি যথার্থ।
সারকথা: উদ্দীপকের শেষ লাইনের মূলভাবে মানুষের স্নিস্থ মেজাজ ও সুন্দর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে, যা 'গন্তব্য কাবুল' রচনার আফগানিস্তানের মানুষের আচার-আচরণের সৌন্দর্যকে নির্দেশ করে। এদিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।