➤ না, উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার মূল বিষয়কে নির্দেশ করে না।
➤ ভ্রমণ মানুষকে একদিকে যেমন আনন্দিত করে অন্যদিকে তেমনই মানুষের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে। ভ্রমণের মাধ্যমে লব্ধ জ্ঞান হলো মানুষের প্রত্যক্ষ জ্ঞান। ভ্রমণ মানুষের জ্ঞানচক্ষু খুলে দেয় আর মানুষকে বিভিন্নভাবে অভিজ্ঞ করে তোলে।
➤ 'গন্তব্য কাবুল' রচনায় লেখক তাঁর হাওড়া থেকে কাবুল পর্যন্ত যাত্রার নানা অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। হাওড়া থেকে পেশাওয়ার পৌছানোর পর সেখানকার আতিথেয়তা তাঁকে মুগ্ধ করে তোলে। তিনি তাঁর রচনায় দুই-একটি বাক্যের মধ্যে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সম্যক ধারণা দিয়েছেন। ফিরিঙ্গির একটি বাক্যে তিনি ব্রিটিশশাসিত দুইশ বছরের ইতিহাসের মাত্রা অনুভব করিয়েছেন। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানের প্রকৃতির বর্ণনা এবং মানুষের আচরণ তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেয়। এভাবেই ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা পরিচয় আলোচ্য রচনায় পাওয়া যায়। এসবের কোনোকিছুর ইঙ্গিতই উদ্দীপকে নেই।
➤ উদ্দীপকে ভ্রমণের যে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে সেখানে কেবল আলোচ্য রচনার লেখকের ভ্রমণপথের অভিজ্ঞতার দিকটি ইঙ্গিত করেছে। এছাড়া 'গন্তব্য কাবুল' রচনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির পরিচয়সহ আরও যেসব বিষয় রয়েছে সেগুলো উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার মূল বিষয়কে নির্দেশ করে না।
সারকথা: উদ্দীপকে কেবল লেখকের ভ্রমণপথের অভিজ্ঞতার আভাস আছে। এছাড়া ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির দিকটি উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই উদ্দীপকটি 'গন্তব্য কাবুল' রচনার । মূল বিষয়কে নির্দেশ করে না।