শেয়ারFacebookWhatsApp

“উদ্দীপকের 'মন্দার' ও 'সুপ্রভার' চেয়ে পাঠ্য উপন্যাসের রহিমা ও জমিলা অধিকতর প্রাণবন্ত ও শক্তিশালী।”- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: “উদ্দীপকের 'মন্দার' ও 'সুপ্রভার' চেয়ে পাঠ্য উপন্যাসের রহিমা ও জমিলা অধিকতর প্রাণবন্ত ও শক্তিশালী।”- উক্তিটি যথার্থ। 'লালসালু' উপন্যাসে রহিমা চরিত্রের মাঝে এক অকৃত্রিম মাতৃমূর্তি প্রতিফলিত হয়েছে। এজন্য সে জমিলাকে সতিনের দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে নিজের মেয়ে হিসেবে দেখেছে। মজিদ যতবার জমিলাকে শান্তি দিয়েছে, ঠিক ততবার রহিমার মাতৃহৃদয়ে কষ্ট অনুভূত হয়েছে। উদ্দীপকের মন্দার মধ্যে সতিনের প্রতি একধরনের স্নেহপরায়ণতা লক্ষ করা যায়। সতিন হলেও সুপ্রভাকে সে নয়নের মণি করে রাখে। সুপ্রভাও প্রভুত্ব করার চেয়ে তার প্রতি নির্ভর করতেই ভালোবাসে। আদর পাওয়াই তার কাছে বড়ো পাওয়া বলে গণ্য হয়। তাদের দেখে কেউ মনে করতে পারে না যে তারা সতিন । উপন্যাসের রহিমার মানসিকতা উদ্দীপকের মন্দার মাঝেও লক্ষ করা যায়। সে-ও তার সতিনের প্রতি সন্তানের মতো স্নেহপরায়ণ হয়ে উঠেছে। এদিক থেকে 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমা ও উদ্দীপকের মন্দা একই মানসিকতার অধিকারী। আবার সুপ্রভা এবং জমিলাও একই রকম চেতনাকে ধারণ করেছে। কিন্তু আলোচ্য উপন্যাসের রহিমা ও জমিলা যেভাবে একে অন্যের প্রতি আত্মিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে তা বিরল। যে রহিমা স্বামীর প্রতি 'লালসালু' উপন আস্থাশীল, সে-ই জমিলার প্রতি অত্যাচারের প্রতিবাদ করে ওঠে। তাদের আচরণও অনেক বেশি প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে প্রাত্যহিক কাজকর্মে। সুতরাং উভয়ের মাঝে স্নেহ-ভালোবাসা প্রকাশ পেলেও উপন্যাসের রহিমা ও জমিলা জন্য মুজিদ ও অনেক বেশি প্রাণবন্ত' ও শক্তিশালী হয়ে ধরা দিয়েছে।

HSC Bangla 1st Paper উপন্যাস : লালসালু CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · উপন্যাস : লালসালু · সৃজনশীল

“উদ্দীপকের 'মন্দার' ও 'সুপ্রভার' চেয়ে পাঠ্য উপন্যাসের রহিমা ও জমিলা…

উদ্দীপক

সুপ্রভা প্রভুত্ব করার চেয়ে নির্ভর করিতেই ভালোবাসে বেশি, আদর পাওয়াটাই তার জীবনে সবচেয়ে বড় প্রাপ্য। মন্দার গৃহিণীপনার ভিত্তিও ওইখানেই- সুপ্রভাকে সে নয়নের মণি করিয়া রাখিয়াছে। কে বলিবে সুপ্রভা তাহার সতীন? স্নেহ-যতেœ সুপ্রভার দিনগুলিকে সে ভরাট করিয়া রাখে।... সতীনের সংসারেও তাই এখানে কলহ-বিবাদ মান-অভিমান মন-কষাকষি নাই

Rajshahi · 2022

উত্তর

ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম- মতলুব।

উত্তর

প্রশ্নোক্ত কথাটির মাধ্যমে মজিদের জীবনের অতীত পরি সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির পার্থক্য বোঝানো হয়েছে। 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ মসজিদে যাওয়ার পথে তার অতীত জীবনের কথা মনে পড়ে যায়। দশ বা বারো বছর আগে এক নিঃস্তব্ধ শ্রাবণের নুপুরে সে মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশ করেছিল। তখন সে ছিল ভাগ্যদেবী ও সুন্দ একজন মানুষ। কিন্তু আজ সে জোত-জমি, সম্মান-প্রতিপত্তির মালিক বছরগুলো ভালোই কেটেছে তার; হয়তো ভবিষ্যতেও এমনই কাটবে। তাই নিজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বোঝাতেই মজিদ প্রশ্নোক্ত কথাটি ভেবেছে।

উত্তর

উদ্দীপকের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত কিশোরী জমিদার প্রতি মজিদের প্রথম স্ত্রী রহিমার মাতৃহৃদয়ের আকুলতা প্রকাশের দিক দিয়ে সাদৃশ্য রয়েছে। 'লালসালু' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদের প্রথম স্ত্রীর নাম রহিমা। সে নরম স্বভাব ও ভীতু প্রকৃতির মেয়ে। মজিদের প্রতি তার সম্মান, শ্রদ্ধা ভয় রয়েছে। রহিমা নিঃসন্তান হওয়ায় মজিদ সন্তান লাভের আকা অল্পবয়সি জমিলাকে বিয়ে করে। সম্পর্কে সতিন হলেও জমিলার স সরল ও চপল স্বভাব রহিমার নারীহৃদয়ে মাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে। জমিলাকে সতিন না ভেবে খুব সহজেই সন্তানস্নেহে আপন করে নেয়। নিঃসন্তান রহিমা যেন জমিলার মাঝেই সন্তানের ছারা দেখতে পায়। উদ্দীপকের মন্দার মধ্যে সতিনের প্রতি একধরনের স্নেহপরায়ণতা লক্ষ যায়। সতিন হলেও সুপ্রভাকে সে নয়নের মণি করে রাখে। সুপ্রভাও এ মনোভাব করার চেয়ে তার প্রতি নির্ভর করতেই ভালোবাসে। আদর পাওয়াই তার কাছে বড়ো পাওয়া বলে গণ্য হয়। তাদের দেখে কেউ মনে করতে পারে না চারিত্রিক র যে তারা সতিন। এমন দিকটি আমরা আলোচ্য উপন্যাসের রহিম ও জমিলার মধ্যেও দেখতে পাই। সতিন হলেও জমিলাকে রহিমা সন্তানস্নেহে আগলে রাখে। জমিলা ও তার প্রতি সমান সম্মান দেখায়। আর এদিকটিই উদ্দীপকের সঙ্গে আলোচ্য উপন্যাসের সাদৃশ্য রচনা করেছে।

উত্তর

“উদ্দীপকের 'মন্দার' ও 'সুপ্রভার' চেয়ে পাঠ্য উপন্যাসের রহিমা ও জমিলা অধিকতর প্রাণবন্ত ও শক্তিশালী।”- উক্তিটি যথার্থ। 'লালসালু' উপন্যাসে রহিমা চরিত্রের মাঝে এক অকৃত্রিম মাতৃমূর্তি প্রতিফলিত হয়েছে। এজন্য সে জমিলাকে সতিনের দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে নিজের মেয়ে হিসেবে দেখেছে। মজিদ যতবার জমিলাকে শান্তি দিয়েছে, ঠিক ততবার রহিমার মাতৃহৃদয়ে কষ্ট অনুভূত হয়েছে। উদ্দীপকের মন্দার মধ্যে সতিনের প্রতি একধরনের স্নেহপরায়ণতা লক্ষ করা যায়। সতিন হলেও সুপ্রভাকে সে নয়নের মণি করে রাখে। সুপ্রভাও প্রভুত্ব করার চেয়ে তার প্রতি নির্ভর করতেই ভালোবাসে। আদর পাওয়াই তার কাছে বড়ো পাওয়া বলে গণ্য হয়। তাদের দেখে কেউ মনে করতে পারে না যে তারা সতিন । উপন্যাসের রহিমার মানসিকতা উদ্দীপকের মন্দার মাঝেও লক্ষ করা যায়। সে-ও তার সতিনের প্রতি সন্তানের মতো স্নেহপরায়ণ হয়ে উঠেছে। এদিক থেকে 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমা ও উদ্দীপকের মন্দা একই মানসিকতার অধিকারী। আবার সুপ্রভা এবং জমিলাও একই রকম চেতনাকে ধারণ করেছে। কিন্তু আলোচ্য উপন্যাসের রহিমা ও জমিলা যেভাবে একে অন্যের প্রতি আত্মিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে তা বিরল। যে রহিমা স্বামীর প্রতি 'লালসালু' উপন আস্থাশীল, সে-ই জমিলার প্রতি অত্যাচারের প্রতিবাদ করে ওঠে। তাদের আচরণও অনেক বেশি প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে প্রাত্যহিক কাজকর্মে। সুতরাং উভয়ের মাঝে স্নেহ-ভালোবাসা প্রকাশ পেলেও উপন্যাসের রহিমা ও জমিলা জন্য মুজিদ ও অনেক বেশি প্রাণবন্ত' ও শক্তিশালী হয়ে ধরা দিয়েছে।
HSCBangla 1st Paperউপন্যাস : লালসালু
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?

  • অবধারিত
  • নাটকীয়
  • কাব্যিক
  • স্বাভাবিক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • বিশ্বাস
  • আনুগত্য
  • ভীতি
  • অনুরাগ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?

  • তাহের
  • খালেক
  • আক্কাস
  • ধলা মিয়া

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ১৯২০
  • ১৯২২
  • ১৮২০
  • ১৯২৬

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

  • চট্টগ্রাম
  • যশোর
  • রাজশাহী
  • খুলনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?

  • ফেণী
  • নোয়াখালী
  • কুমিল্লা
  • চট্টগ্রাম

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?

  • বাংলা সাহিত্য
  • বায়োলজি
  • অর্থনীতি
  • ইতিহাস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতো?

  • ঢাকা
  • চট্টগ্রাম
  • প্যারিস
  • কলকাতা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?

  • ১৯৪০ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৪৬ সালে
  • ১৯৪৭ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]

  • করাচি
  • লন্ডন
  • জার্মানি
  • প্যারিস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

  • ১৯৬৯
  • ১৯৭০
  • ১৯৭১
  • ১৯৭২

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

  • ১৯৪৮ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৫২ সালে
  • ১৯৬১ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতোসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।