শেয়ারFacebookWhatsApp

“উদ্দীপকের সুবেদ আলির বিশ্বাস আর 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামবাসীর বিশ্বাস যেন এক সুতোয় গাঁথা।”-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: “উদ্দীপকের সুবেদ আলির বিশ্বাস আর 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামবাসীর বিশ্বাস যেন এক সুতোয় গাঁথা”-মন্তব্যটি যথার্থ। মহব্বতনগর গ্রামটি কুসংস্কারাচ্ছন্ন । এখানকার মানুষ ভাগ্য ও অলৌকিকত্ব গভীরভাবে বিশ্বাস করে । গ্রামের সাধারণ মানুষদের কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও গোঁড়ামিকে পুঁজি করে মজিদ নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য মাজার ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত হয় এবং গ্রামের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়ে নেয় । উদ্দীপকের সুবেদ আলি যেমন বিত্তশালী তেমনি পরোপকারী মানুষ। তিনি গ্রামের মানুষের অত্যন্ত আপনজন। তাদের সকল বিপদে সুবেদ আলি পাশে দাড়ায়। কিন্তু সুবেদ আলি ব্যক্তিজীবনে সুখী ছিলেন না। কারণ তিনি ছিলেন নিঃসন্তান। অনেক চিকিৎসা করে কাজ না হলে তিনি ফকির বাবার সাহায্য নেন। তার বিশ্বাস ফকির বাবার ঝাড়ফুঁকে তার মনের আশা পূর্ণ হবে। উদ্দীপকের সুবেদ আলির যেমন পীর-ফকিরদের ঝাড়ফুঁকে বিশ্বাস ছিল তেমনি মহব্বতনগর গ্রামবাসীরাও এই সব কুসংস্কারে বিশ্বাস করত। খালেদ ব্যাপারী এবং আমেনা বিবির সন্তানের আশায় আওয়ালপুরের পীর এবং মজিদের শরণাপন্ন হওয়ায় তা স্পষ্ট হয়। তাছাড়া গ্রামের অশিক্ষিত মানুষদের ধর্মভীরুতার সুযোগ নিয়েই মজিদ তার স্বার্থসিদ্ধি করে। তাই সুবেদ আলির 'বিশ্বাস' আর উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামবাসীর 'বিশ্বাস' এক সুতোয় গাথা।

HSC Bangla 1st Paper উপন্যাস : লালসালু CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · উপন্যাস : লালসালু · সৃজনশীল

“উদ্দীপকের সুবেদ আলির বিশ্বাস আর 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রা…

উদ্দীপক

সুবেদ আলি গ্রামের একজন অবস্থাসম্পন্ন মানুষ। সাদা মনের মানুষ হিসেবে গ্রামেতাঁর একটা সুনাম আছে। পরোপকারী এবং সুখী বলেই সবাই তাঁকে জানে। প্রকৃতপক্ষে, ভেতরে তিনি সুখী ছিলেন না। বিয়ের বয়স দেড় যুগ গড়ালেও সন্তানের মুখ দেখেননি। বহুজনের কাছে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই চিকিৎসা নিয়েও ব্যর্থ হন। সুবেদআলি একদিন শুনতে পান পাশের গ্রামের ফকির বাবার কেরামতির কথা। উপঢৌকনসহ সস্ত্রীক ছুটে যান তার কাছে। তাদের বিশ্বাস, ফকির বাবার ঝাড়ফুঁক পেলেই মনের আশা পূরণ হবে।

Jessore · 2022

উত্তর

লালসালু উপন্যাসে উল্লিখিত আমেনা বিব শুক্রবার দিন রোজা রাখেন।

উত্তর

জমিলার প্রতি মজিদের অমানবিক আচরণের কারণে রহিমার পর্বতের মতো অটল বিশ্বাসে ফাটল ধরে। মজিদের সকল আদেশ-নির্দেশ, উপদেশ রহিমা যেভাবে পালন করেছে সেইভাবে জমিলাও যেন পালন করে সেই ছিল মজিদের চাওয়া। কিন্তু জমিলা তা না করলে মজিদ তার ওপর জোর-জবরদস্তি শুরু করে। যা রহিমা পছন্দ করে না। স্বামীর প্রতি তার দীর্ঘদিনের যে অটল ভক্তি, শ্রদ্ধা ও আনুগত্য ছিল তাতে ফাটল ধরে এই কারণে ৷ এ ক্ষেত্রে রহিমার ধর্মভীরুতাকে অতিক্রম করে মুখ্য হয়ে ওঠে নিপীড়িত নারীর প্রতি তার মাতৃহৃদয়ের সহানুভূতি ।

উত্তর

উদ্দীপকের সুবেদ আলি চরিত্রের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারী চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে। খালেক ব্যাপারী আলোচ্য উপন্যাসের অন্যতম প্রতিনিধিত্বশীল চরিত্র। ভূ- স্বামী ও প্রভাব-প্রতিপত্তির অধিকারী হওয়ায় তাঁর কাঁধেই রয়েছে মহব্বতনগরের সামাজিক নেতৃত্ব। কিন্তু তার প্রথম স্ত্রী আমেনা বিবি নিঃসন্তান। তেরো বছর বয়সে বিয়ে হয়েছিল, আজ তিরিশ পেরিয়ে গেছে। শূন্য কোল নিয়ে হা-হুতাশের সঙ্গে বুক বেঁধে তবু থাকা যেত, কিন্তু চোখের সামনে সতিন তানু বিবিকে ফি-বছর আস্ত-আস্ত সন্তানের জন্ম দিতে দেখে বড়ো বিবির আর সহ্য হয় না। তাই প্রথম স্ত্রীর অনুরোধে সন্তানের আশায় খালেক ব্যাপারী প্রথমে আওয়ালপুরের পির সাহেবের এবং পরে মজিদের আধ্যাত্মিক শক্তির সাহায্য নেয় । উদ্দীপকের সুবেদ আলি গ্রামের সম্পদশালী মানুষ। গ্রামের সকল মানুষের বিপদের দিনের বন্ধু হলো সুবেদ আলি। তিনি গ্রামে সাদা মনের মানুষ হিসেবে পরিচিত। কিন্তু পারিবারিক জীবনে তিনি সুখী ছিলেন না। কারণ, তিনি ছিলেন নিঃসন্তান। অনেক চিকিৎসা করেও তিনি ব্যর্থ হয়ে অবশেষে ফকির বাবার শরণাপন্ন হন । তাই বলা যায়, সুবেদ আলির সাথে উপন্যাসের খালেদ ব্যাপারীর চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।

উত্তর

“উদ্দীপকের সুবেদ আলির বিশ্বাস আর 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামবাসীর বিশ্বাস যেন এক সুতোয় গাঁথা”-মন্তব্যটি যথার্থ। মহব্বতনগর গ্রামটি কুসংস্কারাচ্ছন্ন । এখানকার মানুষ ভাগ্য ও অলৌকিকত্ব গভীরভাবে বিশ্বাস করে । গ্রামের সাধারণ মানুষদের কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও গোঁড়ামিকে পুঁজি করে মজিদ নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য মাজার ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত হয় এবং গ্রামের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়ে নেয় । উদ্দীপকের সুবেদ আলি যেমন বিত্তশালী তেমনি পরোপকারী মানুষ। তিনি গ্রামের মানুষের অত্যন্ত আপনজন। তাদের সকল বিপদে সুবেদ আলি পাশে দাড়ায়। কিন্তু সুবেদ আলি ব্যক্তিজীবনে সুখী ছিলেন না। কারণ তিনি ছিলেন নিঃসন্তান। অনেক চিকিৎসা করে কাজ না হলে তিনি ফকির বাবার সাহায্য নেন। তার বিশ্বাস ফকির বাবার ঝাড়ফুঁকে তার মনের আশা পূর্ণ হবে। উদ্দীপকের সুবেদ আলির যেমন পীর-ফকিরদের ঝাড়ফুঁকে বিশ্বাস ছিল তেমনি মহব্বতনগর গ্রামবাসীরাও এই সব কুসংস্কারে বিশ্বাস করত। খালেদ ব্যাপারী এবং আমেনা বিবির সন্তানের আশায় আওয়ালপুরের পীর এবং মজিদের শরণাপন্ন হওয়ায় তা স্পষ্ট হয়। তাছাড়া গ্রামের অশিক্ষিত মানুষদের ধর্মভীরুতার সুযোগ নিয়েই মজিদ তার স্বার্থসিদ্ধি করে। তাই সুবেদ আলির 'বিশ্বাস' আর উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামবাসীর 'বিশ্বাস' এক সুতোয় গাথা।
HSCBangla 1st Paperউপন্যাস : লালসালু
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?

  • অবধারিত
  • নাটকীয়
  • কাব্যিক
  • স্বাভাবিক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • বিশ্বাস
  • আনুগত্য
  • ভীতি
  • অনুরাগ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?

  • তাহের
  • খালেক
  • আক্কাস
  • ধলা মিয়া

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ১৯২০
  • ১৯২২
  • ১৮২০
  • ১৯২৬

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

  • চট্টগ্রাম
  • যশোর
  • রাজশাহী
  • খুলনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?

  • ফেণী
  • নোয়াখালী
  • কুমিল্লা
  • চট্টগ্রাম

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?

  • বাংলা সাহিত্য
  • বায়োলজি
  • অর্থনীতি
  • ইতিহাস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতো?

  • ঢাকা
  • চট্টগ্রাম
  • প্যারিস
  • কলকাতা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?

  • ১৯৪০ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৪৬ সালে
  • ১৯৪৭ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]

  • করাচি
  • লন্ডন
  • জার্মানি
  • প্যারিস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

  • ১৯৬৯
  • ১৯৭০
  • ১৯৭১
  • ১৯৭২

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

  • ১৯৪৮ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৫২ সালে
  • ১৯৬১ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতোসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।