শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের বেইমান 'লালসালুর' কোন চরিত্রটিকে ইঙ্গিত করেব্যাখ্যা করো

উত্তর: ধর্মকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করায় উদ্দীপকের বেইমান 'লালসালু' উপন্যাসের ভণ্ড ধর্মব্যবসায়ী মজিদ চরিত্রকে ইঙ্গিত করে। আলোচ্য উপন্যাসের মজিদ মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের ধর্মীয় অন্ধবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করে। ধর্মকে পুঁজি করে একটি পুরোনো কবরকে মোদাচ্ছের পিরের মাজার বলে প্রতিষ্ঠিত করে । সহজ-সরল মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে ধর্মব্যবসার মাধ্যমে সে বিত্ত-বৈভবের মালিক হয়। উদ্দীপকের কবিতাংশে ইসলামি' পোশাক ব্যবহার করে আল্লাহকে ধোঁকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণার দিকটি উঠে এসেছে। সেইসঙ্গে সর্বশক্তিমান আল্লাহ সব দেখছেন বলে সতর্ক করা হয়েছে। কেননা, আল্লাহ সর্বশক্তিমান । তাঁর কাছে কোনো কিছুই অজানা থাকে না। কেয়ামতের দিন তিনি অবশ্যই অন্যায়ের বিচার করবেন । যে আল্লাহ্র নামে বেইমানি করবে তাকে তিনি ক্ষমা করবেন না । উদ্দীপকের এই বেইমানই হচ্ছে আলোচ্য উপন্যাসের মজিদ। কারণ ধর্মকে হাতিয়ার করে, সাধারণ মানুষকে ঠকিয়ে সে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করছে। সুতরাং, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের কারণে উদ্দীপকের বেইমান 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রকেই ইঙ্গিত করে।

HSC Bangla 1st Paper উপন্যাস : লালসালু CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · উপন্যাস : লালসালু · সৃজনশীল

উদ্দীপকের বেইমান 'লালসালুর' কোন চরিত্রটিকে ইঙ্গিত করেব্যাখ্যা করো

উদ্দীপক

জানো না কি তুমি, রে বেইমান আল্লা সর্বশক্তিমান দেখিছেন তোর সবকিছু? জাব্বা জোব্বা দিয়ে ধোঁকা দিবি আল্লারে, ওরে বোকা কেয়ামতে হবে মাথা নীচু।

Sylhet · 2019

উত্তর

জমিলাকে তার বুবু খোদেজা প্রথম মজিদকে দেখায়।

উত্তর

মহব্বতনগরের লোকেরা মজিদের প্রথম স্ত্রী রহিমার মতোই দৈহিক শক্তিতে বলীয়ান, কিন্তু সহজ-সরল এবং মানসিকভাবে দুর্বল ও ভীতু প্রকৃতির, যা প্রশ্নোক্ত বাক্যটির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে। মহব্বতনগরের মানুষগুলো কাজ করে আনন্দ পায়। তাদের অন্তরজুড়ে শুধু জমি আর ধান। সারা বছর খোদার কথা ভুলেই থাকে তারা । কেবল বর্ষণহীন খরার দিনে যখন জমিতে ফাটল ধরে তখন তারা খোদাকে স্মরণ করে। বিশাল শরীর নিয়ে তারা সব সময় কাজে মগ্ন থাকে। মোটাতাজা শরীর হলেও লোকগুলো রহিমার মতো অন্তরে নারীসুলভ ভয় লালন করে। রহিমার মতোই তারা মজিদকে ভয় পায় ও শ্রদ্ধা করে। এজন্যই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

উত্তর

ধর্মকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করায় উদ্দীপকের বেইমান 'লালসালু' উপন্যাসের ভণ্ড ধর্মব্যবসায়ী মজিদ চরিত্রকে ইঙ্গিত করে। আলোচ্য উপন্যাসের মজিদ মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের ধর্মীয় অন্ধবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করে। ধর্মকে পুঁজি করে একটি পুরোনো কবরকে মোদাচ্ছের পিরের মাজার বলে প্রতিষ্ঠিত করে । সহজ-সরল মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে ধর্মব্যবসার মাধ্যমে সে বিত্ত-বৈভবের মালিক হয়। উদ্দীপকের কবিতাংশে ইসলামি' পোশাক ব্যবহার করে আল্লাহকে ধোঁকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণার দিকটি উঠে এসেছে। সেইসঙ্গে সর্বশক্তিমান আল্লাহ সব দেখছেন বলে সতর্ক করা হয়েছে। কেননা, আল্লাহ সর্বশক্তিমান । তাঁর কাছে কোনো কিছুই অজানা থাকে না। কেয়ামতের দিন তিনি অবশ্যই অন্যায়ের বিচার করবেন । যে আল্লাহ্র নামে বেইমানি করবে তাকে তিনি ক্ষমা করবেন না । উদ্দীপকের এই বেইমানই হচ্ছে আলোচ্য উপন্যাসের মজিদ। কারণ ধর্মকে হাতিয়ার করে, সাধারণ মানুষকে ঠকিয়ে সে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করছে। সুতরাং, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের কারণে উদ্দীপকের বেইমান 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রকেই ইঙ্গিত করে।

উত্তর

'লালসালু' উপন্যাসের ধর্মকে ব্যবহার করে প্রতারণার দিকটির সঙ্গে উদ্দীপকের ভাবগত ঐক্য পরিলক্ষিত হয়। আলোচ্য উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদ আত্মপ্রতিষ্ঠার জন্য ধর্মকে অসৎভাবে ব্যবহার করেছে। সে একটি পুরোনো কবরকে মাজার বানিয়ে সাধারণ মানুষের সম্পদ লুট করেছে। ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষকে ঠকানো গর্হিত কাজ জেনেও সে তা করতে দ্বিধা করেনি। কেননা, সে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করতে এবং সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিতে এর চেয়ে ভালো উপায় আর পায়নি। শুধু তা-ই নয়, যাকে সে তার পথের কাঁটা মনে করেছে, তাকেই ধর্মকে ব্যবহার করে নির্মমভাবে প্রতিহত করেছে। উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি ধর্মের নামে যারা তণ্ডামি করে তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। তিনি বলেছেন, পৃথিবীর কোনো কিছুই আল্লাহর জানার বাইরে থাকে না। কেননা, আল্লাহ সর্বশক্তিমান এবং সকল কিছুর মালিক। যে আল্লাহকে ধোঁকা দেবে, তিনি অবশ্যই কেয়ামতের দিনে তার বিচার করবেন। আলোচ্য উপন্যাসের লেখক ও উদ্দীপকের কবি দুজনেই ধর্মব্যবসায়ীর মুখোশ উন্মোচন করতে চেয়েছেন। উপন্যাসের মজিদ একজন অসৎ ব্যক্তি, যে কিনা ধর্মভীরু মানুষের ধর্মের প্রতি অন্ধবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে তাদের শোষণ করার মাধ্যমে নিজের কার্যসিদ্ধি করেছে। গ্রামের মানুষের অন্ধ ধর্মীয় দুর্বলতা মজিদকে মহব্বতনগর গ্রামে আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে। এর মাধ্যমে বোঝা যায় ঐ গ্রামের মানুষের সঠিক ধর্মীয় শিক্ষার অভাব রয়েছে। উদ্দীপকে ধর্মব্যবসায়ী অসৎ ব্যক্তিদের ধর্মকে আশ্রয় করে তাদের কার্যসিদ্ধির বিষয়টি ফুটে উঠেছে। ধর্মের মূল উদ্দেশ্য মানবকল্যাণ, কিন্তু কিছু অসৎ ব্যক্তি এই ধর্মকে ব্যবহার করে আপন স্বার্থ উদ্ধার করে। 'লালসালু' উপন্যাসের ধর্মকে এভাবে অসৎ কাজে ব্যবহার করার দিকটি উদ্দীপকের বক্তব্যের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
HSCBangla 1st Paperউপন্যাস : লালসালু
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?

  • অবধারিত
  • নাটকীয়
  • কাব্যিক
  • স্বাভাবিক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • বিশ্বাস
  • আনুগত্য
  • ভীতি
  • অনুরাগ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?

  • তাহের
  • খালেক
  • আক্কাস
  • ধলা মিয়া

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ১৯২০
  • ১৯২২
  • ১৮২০
  • ১৯২৬

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

  • চট্টগ্রাম
  • যশোর
  • রাজশাহী
  • খুলনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?

  • ফেণী
  • নোয়াখালী
  • কুমিল্লা
  • চট্টগ্রাম

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?

  • বাংলা সাহিত্য
  • বায়োলজি
  • অর্থনীতি
  • ইতিহাস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতো?

  • ঢাকা
  • চট্টগ্রাম
  • প্যারিস
  • কলকাতা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?

  • ১৯৪০ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৪৬ সালে
  • ১৯৪৭ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]

  • করাচি
  • লন্ডন
  • জার্মানি
  • প্যারিস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

  • ১৯৬৯
  • ১৯৭০
  • ১৯৭১
  • ১৯৭২

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

  • ১৯৪৮ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৫২ সালে
  • ১৯৬১ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতোসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।