শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের হোসেন মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের মধ্যে সাদৃশ্য তুলে ধরো।

উত্তর: নীতিহীন ও অবৈধভাবে প্রভাব-প্রতিপত্তি গড়ে তোলার দিক দিয়ে উদ্দীপকের হোসেন মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের মধ্যে সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। উপন্যাসের মজিদ শস্যহীন জনবহুল নোয়াখালী অঞ্চল থেকে জীবিকার তাগিদে মহব্বতনগর গ্রামে এসে আশ্রয় নেয়। মজিদ অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে মহব্বতনগর গ্রামে এসে প্রবেশ করে। একটি অজ্ঞাত কবরকে মোদাচ্ছের পীরের মাজার বলে প্রচার করে সে ধীরে ধীরে নিজের আধিপত্য তৈরি করে। সবাই তাকে সম্মান করে এবং তার কথা গ্রামের মানুষের মনে প্রভাব বিস্তার করে। এসব কিছুর মূলে ছিল তার মাজারকেন্দ্রিক ভণ্ডামি। উদ্দীপকের হোসেন মিয়া চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামে জহর মাঝির বাড়িতে এসে আশ্রয় নেন। রহস্যময় চরিত্র হোসেন মিয়া নিজের ভালো ব্যবহারের কারণে এলাকার বিশেষ ব্যক্তিতে পরিণত হন। সকলের বিপদে তিনি হাসিমুখে এগিয়ে আসেন। কিন্তু সবার অজান্তে তিনি অবৈধ ব্যবসা করে বিশাল প্রতিপত্তি গড়ে তোলেন। উপন্যাসের মজিদও মহব্বতনগর গ্রামে এসে সকলের ভক্তি-শ্রদ্ধার আড়ালে মাজারকেন্দ্রিক ভণ্ডামির মাধ্যমে সম্পদ গড়ে তোলে। উপন্যাসের মজিদ ও উদ্দীপকের হোসেন মিয়া দুজনেই অবৈধভাবে প্রভাব-প্রতিপত্তি গড়ে তোলার দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

HSC Bangla 1st Paper উপন্যাস : লালসালু CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · উপন্যাস : লালসালু · সৃজনশীল

উদ্দীপকের হোসেন মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের মধ্যে সাদৃ…

উদ্দীপক

হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এই এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে-আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা। সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।

Barisal · 2017

উত্তর

'নিরাক পড়া' শব্দের অর্থ- বাতাসহীন স্তব্ধ গুমোট আবহাওয়া।

উত্তর

প্রশ্নোক্ত উক্তিটি দ্বারা এ দেশের প্রান্তিক মানুষের অন্ধ ধর্মবিশ্বাসের দিকটিকে বোঝানো হয়েছে। গ্রামবাংলায় সাধারণত শিক্ষার আলো জোরালো নয়। এর ফলে সেখানকার অধিকাংশ মানুষ হয় ধর্মান্ধ। তারা উন্নত চাষপদ্ধতি গ্রহণ করে না। খোদার ওপর ভরসা করে চুপ করে বসে থাকে। তাই গ্রামে দেখা দেয় দুর্ভিক্ষ ও শুরু হয় ক্ষুধার যন্ত্রণা। তখন ধর্মকে কেন্দ্র করে শুরু হয় ব্যবসা, ধর্মের নামে চলে ভন্ডামি। আলোচ্য উক্তিটি দ্বারা প্রান্তিক মানুষের জীবনে ধর্মের প্রতি অন্ধবিশ্বাস ও ধর্মকেন্দ্রিক ব্যবসার বিষয়টিই বোঝানো হয়েছে।

উত্তর

নীতিহীন ও অবৈধভাবে প্রভাব-প্রতিপত্তি গড়ে তোলার দিক দিয়ে উদ্দীপকের হোসেন মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের মধ্যে সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। উপন্যাসের মজিদ শস্যহীন জনবহুল নোয়াখালী অঞ্চল থেকে জীবিকার তাগিদে মহব্বতনগর গ্রামে এসে আশ্রয় নেয়। মজিদ অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে মহব্বতনগর গ্রামে এসে প্রবেশ করে। একটি অজ্ঞাত কবরকে মোদাচ্ছের পীরের মাজার বলে প্রচার করে সে ধীরে ধীরে নিজের আধিপত্য তৈরি করে। সবাই তাকে সম্মান করে এবং তার কথা গ্রামের মানুষের মনে প্রভাব বিস্তার করে। এসব কিছুর মূলে ছিল তার মাজারকেন্দ্রিক ভণ্ডামি। উদ্দীপকের হোসেন মিয়া চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামে জহর মাঝির বাড়িতে এসে আশ্রয় নেন। রহস্যময় চরিত্র হোসেন মিয়া নিজের ভালো ব্যবহারের কারণে এলাকার বিশেষ ব্যক্তিতে পরিণত হন। সকলের বিপদে তিনি হাসিমুখে এগিয়ে আসেন। কিন্তু সবার অজান্তে তিনি অবৈধ ব্যবসা করে বিশাল প্রতিপত্তি গড়ে তোলেন। উপন্যাসের মজিদও মহব্বতনগর গ্রামে এসে সকলের ভক্তি-শ্রদ্ধার আড়ালে মাজারকেন্দ্রিক ভণ্ডামির মাধ্যমে সম্পদ গড়ে তোলে। উপন্যাসের মজিদ ও উদ্দীপকের হোসেন মিয়া দুজনেই অবৈধভাবে প্রভাব-প্রতিপত্তি গড়ে তোলার দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

উত্তর

স্বার্থরক্ষায় উদ্দীপকের হোসেন মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ একই রকম প্রতারণা ও অবৈধপন্থা অবলম্বন করেছে। উপন্যাসের মজিদ জীবিকার তাগিদে মহব্বতনগর গ্রামে এসে প্রবেশ করে। শস্যহীন অঞ্চল থেকে এখানে এসে সে বুঝতে পারে, এই গ্রামের লোকেরা অবস্থাপন্ন কৃষক হলেও তারা কুসংস্কারাচ্ছন্ন। তাই সহজেই একটি কবরকে মোদাচ্ছের পীরের মাজার বলে প্রচার করে সে। গ্রামের লোকের মনে আল্লাহর কালাম শুনিয়ে ভয়ের সৃষ্টি করে। মাজারে মানত করে মানুষ যে দান করে সেই অর্থ সংগ্রহের মাধ্যমে মজিদ নিজের সম্পদ বৃদ্ধি করে। উদ্দীপকের হোসেন মিয়া চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় খুঁজে নেন। দারিদ্র্যের মাঝে বড় হওয়ায় নিজের স্বার্থের ব্যাপারে সচেতন হোসেন মিয়া সকলের সাথে হাসিমুখে কথা বলেন। তাদের বিপদে-আপদে সাহায্য করে তিনি গ্রামের মানুষের বিশ্বস্ত হয়ে ওঠেন। সকলকে তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করে তাদের আপন করে নেন। কিন্তু সবার আড়ালে অবৈধ ব্যবসার মাধ্যমে গড়ে তোলেন বিশাল প্রতিপত্তি। 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ ও উদ্দীপকের হোসেন মিয়া দুজনেই নিজেদের স্বার্থরক্ষায় গ্রামের সহজ-সরল মানুষকে ঠকিয়েছেন। মজিদ আল্লাহর কালামকে পুঁজি করে মানুষের মনে ভীতির সঞ্চার করে। মাজারকে কেন্দ্র করে টাকা উপার্জন করে সে। অন্যদিকে, হোসেন মিয়া সকলকে মিয়া বলে সম্বোধন করেন, বিপদে সাহায্য করেন, হাসিমুখে কথা বলেন। কিন্তু এসব কিছুর আড়ালে তিনি অবৈধভাবে বিশাল প্রতিপত্তি গড়ে তোলেন। লোকচক্ষুর আড়ালে নিজেদের প্রভাব-প্রতিপত্তি বিস্তারের দিক বিবেচনায় বলা যায়, নিজেদের স্বার্থরক্ষায় উদ্দীপকের হোসেন মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ একই পথের পথিক।
HSCBangla 1st Paperউপন্যাস : লালসালু
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?

  • অবধারিত
  • নাটকীয়
  • কাব্যিক
  • স্বাভাবিক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • বিশ্বাস
  • আনুগত্য
  • ভীতি
  • অনুরাগ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?

  • তাহের
  • খালেক
  • আক্কাস
  • ধলা মিয়া

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ১৯২০
  • ১৯২২
  • ১৮২০
  • ১৯২৬

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

  • চট্টগ্রাম
  • যশোর
  • রাজশাহী
  • খুলনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?

  • ফেণী
  • নোয়াখালী
  • কুমিল্লা
  • চট্টগ্রাম

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?

  • বাংলা সাহিত্য
  • বায়োলজি
  • অর্থনীতি
  • ইতিহাস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতো?

  • ঢাকা
  • চট্টগ্রাম
  • প্যারিস
  • কলকাতা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?

  • ১৯৪০ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৪৬ সালে
  • ১৯৪৭ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]

  • করাচি
  • লন্ডন
  • জার্মানি
  • প্যারিস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

  • ১৯৬৯
  • ১৯৭০
  • ১৯৭১
  • ১৯৭২

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

  • ১৯৪৮ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৫২ সালে
  • ১৯৬১ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতোসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।