•'প্রতিদান' কবিতার কবির চাওয়ার আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে উদ্দীপকে।
• পৃথিবীকে সুন্দর ও ভালোবাসাপূর্ণ করে গড়ে তোলার জন্য মানুষে মানুষে প্রীতিময় সম্পর্ক স্থাপন জরুরি। এর জন্য প্রয়োজন সহনশীল আচরণ, মানবিক মূল্যবোধ এবং পরার্থপরতা।
• উদ্দীপকের শফিক সাহেব একজন সৎ, ক্ষমাশীল ও পরোপকারী মানুষ। তিনি ছোট ভাইকে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা ও ত্যাগের মাধ্যমে মানুষ করেন। কিন্তু তার ভাই রফিক প্রতারণা করে তাকে ঠকায়। এতে দুই ভাইয়ের মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। রফিক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে ক্ষমাশীল শফিক সাহেব আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। সব ভুলে ভাইকে দেখতে ছুটে যান এবং তাদের মধ্যে আবার ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়। শফিক সাহেবের এই ক্ষমাশীল ও সহনশীল আচরণের সাথে 'প্রতিদান' কবিতার মিল লক্ষ করা যায়।
• উদ্দীপকের শফিক সাহেবের আচরণ 'প্রতিদান' কবিতার কবির চাওয়ার সাথে আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে মাত্র। 'প্রতিদান' কবিতায় কবি অসৎ মানুষের প্রতিদান কীভাবে দেওয়া যায় তা বুঝিয়েছেন। কবি দুঃখের সাথে ব্যক্ত করেন যে, যারা কবিকে দূরে ঠেলে দিয়েছে, কষ্ট দিয়েছে, আঘাতে আঘাতে করেছে জর্জরিত তিনি তাদেরকেই আপন করতে ছুটে চলেন। সমাজ-সংসারে বিদ্যমান বিভেদ, হিংসা-হানাহানি দ্বারা আক্রান্ত হয়েও কবিকণ্ঠে প্রতিশোধের বদলে ব্যক্ত হয়েছে প্রীতিময় এক পরিবেশ সৃষ্টির আকাঙ্ক্ষা, যা উদ্দীপকে নেই। এসব বিবেচনায় দেখা যায়, উদ্দীপকে 'প্রতিদান' কবিতার আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।