• উদ্দীপকের ভাবের সাথে 'প্রতিদান' কবিতার মূলভাবের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি হলো অনিষ্টকারীকে ক্ষমা করে দিয়ে প্রতিদানে উপকার করা।
• আমাদের সমাজে এমন অনেক মানুষ রয়েছে যারা অন্যের কাছ থেকে অন্যায় আচরণ পেয়েও তাদের ক্ষমা করে দেন। তারাই আদর্শ মানুষ।
• উদ্দীপকে দেখা যায়, এক বুড়ি প্রতিদিন হজরত মুহম্মদ (স.)-এর চলার পথে কাঁটা বিছিয়ে রাখত। নবিজি (স.) এতে কষ্ট পেতেন।
কিন্তু একদিন পথে কাঁটা না দেখে তিনি চিন্তায় পড়ে গেলেন। বুড়ির বাড়িতে গিয়ে তিনি দেখলেন বুড়ি অসুস্থ। তিনি বুড়িকে ক্ষমা করে দেন এবং তার সেবাযত্ন করেন। 'প্রতিদান' কবিতায়ও সমাজ-সংসারে বিদ্যমান বিভেদ-হিংসা, হানাহানির পরিবর্তে কবি এক প্রীতিময় সমাজ চেয়েছেন। তাই কবি অনিষ্টকারীকে শুধু ক্ষমাই করেননি, উপরন্তু প্রতিদানে তার উপকার করেছেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ভাবের সঙ্গে আলোচ্য কবিতার মূলভাবের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি হলো অনিষ্টকারীকে ক্ষমা করে দিয়ে প্রতিদানে উপকার করা।