উদ্দীপকের 'আমিত্ব'কে বলি দেওয়া 'প্রতিদান' কবিতার পরার্থপরতার দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'প্রতিদান' কবিতায় কবি আত্মকেন্দ্রিকতার বিপরীতে পরার্থপরতার এক অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর মতে, পরার্থপরতার মাঝেই প্রকৃত সুখ নিহিত। আর তাই সমাজ-সংসারে বিদ্যমান ঘৃণা ও হানাহানিতে আক্রান্ত হওয়ার পরও তিনি এক প্রীতিপূর্ণ পরিবেশ কামনা করেছেন।
উদ্দীপকের কবিতাংশে পরার্থপরতার মাঝেই সুখ খুঁজে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কেননা, আমিত্বকে বলি দিয়ে অপরের কল্যাণে আত্মনিবেদনের মাধ্যমেই সুখ লাভ সম্ভব। একইভাবে, 'প্রতিদান' কবিতায়ও কবি পরার্থপর মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে তিনি তাঁর ঘর যে ব্যক্তি ভেঙেছে বা যে তাঁকে নিয়ত আঘাত করেছে, সেই শত্রুকে তিনি ভালোবাসার মাধ্যমে আপন করে নিতে চেয়েছেন, যা উদ্দীপকের পরার্থপরতার আদর্শকেই তুলে ধরে। এভাবেই উদ্দীপকের 'আমিত্ব'কে বলি দেওয়া আলোচ্য কবিতার পরার্থপরতার দিকটির সাথেই সাদৃশ্যপূর্ণ।