➤ "উদ্দীপকে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে উল্লিখিত যৌবনের মাতৃরূপ প্রতিফলিত হয়েছে।" মন্তব্যটি যথার্থ।
➤ যুগে যুগে তারুণ্যই অফুরন্ত প্রাণশক্তির উৎস হিসেবে প্রশংসা কুড়িয়েছে। কেননা তারা দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদাহ অপরিমেয় ঔদার্য, বিপুল মনোবলের অধিকারী। মৃত্যুকে তুচ্ছ করে প্রগতিশীল কল্যাণকর জীবন রচনায় তাদের বিকল্প নেই।
➤ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক তারুণ্যের প্রশস্তি করেছেন। তারুণ্যের তেজ, শক্তি, গতিবেগ, আশা, উৎসাহ, ঔদার্য, সাধনা- সবকিছুই নতুন ও প্রগতিশীল সমাজ তথা সভ্যতা গড়ে তোলার জন্য। যৌবনশক্তি কেবল আবিষ্কার, উদ্ভাবন, সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে কল্যাণকর, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ বিশ্ব গড়ে তুলবে। তারুণ্যশক্তি দুর্বলের পাশে বল হয়ে দাঁড়াবে, আশাহতের বুকে আশা জাগাবে। উদ্দীপকেও অনুরূপ চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে। যারা দুর্বল তাদের প্রতি মানবিক বোধ থেকেই তাদের অবস্থা তুলে ধরেছেন।
➤ উদ্দীপকের প্রতিটি চরণে ক্লিষ্টতার যে করুণ হাহাকার প্রতিধ্বনিত হয়েছে তা বেদনাদায়ক। কারণ এখনও অনেকের মুখে প্রতিবাদের ভাষা নেই। যেন নত শিরে সবকিছু মেনে নেওয়াই তাদের নিয়তি। তাই কাঁধে ভারী বোঝা নিয়ে ধীর পায়ে তারা এগিয়ে যায় কোনো রকমে প্রাণ বাঁচিয়ে। তারুণ্যশক্তি এসব ম্লানমুখ ও মুকের প্রতি সহানুভূতিশীল, তারাই এদেরকে দেখায় আশার আলো, বুকে জাগায় অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকার স্বপ্ন। এদিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
সারকথা: যৌবনের মাতৃরূপ- কথাটির মাধ্যমে যৌবনের বিদ্রোহী ও সংগ্রামী রূপের পাশাপাশি তারুণ্যশক্তির মানবিক চেতনায় দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।