➤ "উদ্দীপকের শেষ চরণে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের মূল বক্তব্য ফুটে উঠেছে।" মন্তব্যটি যথার্থ।
➤ যুগে যুগে তারুণ্যের অফুরন্ত শক্তি এই পৃথিবীকে অনেক ধ্বংসোন্মুখ পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করেছে। কারণ যৌবনের অধিকারীরা দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিমেয় ঔদার্য, বিপুল মনোবলের অধিকারী। মৃত্যুকে তুচ্ছ করে প্রগতিশীল ও কল্যাণকর জীবন রচনায় যৌবনের বিকল্প কিছু নেই।
➤ উদ্দীপকের শেষের দুটি চরণে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের মূল বক্তব্য ফুটে উঠেছে। কারণ উদ্দীপকে বলা হয়েছে, এ বয়সের অর্থাৎ যৌবনের কোনো সংশয় নেই। এই দেশের বুকে তাই আঠারো বছর বয়সের যৌবনের শক্তিকে কবি কামনা করেছেন সময় প্রতিকূলতা থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য। এই ভাবটি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের মূলভাব।
➤ প্রবন্ধে বলা হয়েছে যৌবন প্রাণশক্তির আধার। মানুষের জীবন গতিশীল ও প্রত্যাশাময় করতে পারে একমাত্র যৌবনই। দুক্ত দুর্বার, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনার প্রতীক 'যৌবন' মৃত্যুকে তুচ্ছ করে সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে। তাই এই যৌবন-শক্তিকে প্রাবন্ধিক উদাত্ত কণ্ঠে আহ্বান জানিয়েছেন সমস্ত জীর্ণ, পুরানোকে ধ্বংস করে নতুন জগৎ রচনার সাধনায় অগ্রসর হতে। প্রবন্ধের এই ভাবটি উদ্দীপকের শেষের দুই চরণে ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নের মন্তব্যটি যথার্থ।
সারকথা: 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক যৌবনের জয়গান করেছেন। জিনি যৌবনের ধর্মকে এদেশে প্রত্যাশা করেছেন, যে বিষয়টি উদ্দীপকের শেষ চরণে প্রতীয়মান। তাই বলা যায়, অনুচ্ছেদের শেষ চরণে আলোচ্য প্রবন্ধের মূল বক্তব্য ফুটে উঠেছে।