➤ উদ্দীপকের অনন্ত 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের যৌবনের দূরন্ত গতিময়তার দিকটি নির্দেশ করে।
➤ যৌবন হলো জীবনের ধর্ম। এ ধর্ম অন্য সব ধর্মকে ছাপিয়ে উর্ধ্বে অবস্থান করে। এ ধর্মের কোনো জাত নেই, বর্ণ নেই, দেশ নেই, কাল নেই। যৌবন সব দেশ, কাল, সময়কে জয় করে নিয়েছে। ন্যায়কে প্রতিষ্ঠাই যৌবনের একমাত্র উদ্দেশ্য।
➤ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে যৌবনের তেজদীপ্ত রূপ প্রকাশ পেয়েছে। যৌবন কোনো ভয় বা আশঙ্কায় ভীত নয়। সব ভয়, সব আশঙ্কা কাটিয়ে যৌবন আপনার গতিতে চলে। কোনো প্রতিবন্ধকতা যৌবনকে বুখে দিতে পারে না। প্রচন্ড শক্তিতে যৌবন নিজের পথ নিজেই রচনা করে। পৃথিবীকে সে করে তোলে স্বাভাবিক। সৃষ্টির চাহিদা মেটানো যৌবনধর্মের বিশেষ দিক। ফলে তার পদচারণা কখনো সমুদ্রে, কখনো পাষাণ পাহাড়ে, আবার কখনো বিজন মরুভূমিতে। উদ্দীপকের অনন্তও একই চরিত্রের বাহক। সে সারা দেশ সাইকেলে ভ্রমণ করেছে এবং মানুষকে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতন করেছে। মূলত সাধারণ দৃষ্টিতে এই অনন্ত তার ইচ্ছা থেকে পিছপা হয়নি। অকুতোভয় সাহস নিয়ে সারা দেশে একাই রচনা করেছে গণসচেতনতার জোয়ার। এভাবে উদ্দীপকের অনন্তর যৌবনের দুরন্ত গতিময়তার দিকটি নির্দেশ করে।
সারকথা: 'যৌবনের গান' প্রবন্দে যৌবনের যে তেজদীপ্ত রূপ প্রকাশ পেয়েছে, উদ্দীপকের অনন্ত সেই দিকটার প্রতিষ্ঠা করেছে।