➤ "উদ্দীপকের দামাল ছেলেটিই 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের যৌবনের প্রতীক।" মন্তব্যটি যথার্থ।
➤ মানবজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের মধ্যে সবচেয়ে সতেজ সবুজ অবস্থাটি যৌবন। যৌবন বলতে কেবল তরুণ বয়সকেই নির্দেশ করে না। তারুণ্যের চেতনাকেও নির্দেশ করে। এই চেতনা বৃদ্ধ বয়সেও থাকতে পারে। আবার তরুণ বয়সেও বার্ধক্য আসতে পারে।
➤ উদ্দীপকে সুমি নামক এক মেয়ে মিরপুরে খুন হলে তার প্রকৃত খুনকে খুঁজে সংবাদ কাভার করা এবং খুনের রহস্য উদঘাটনের দায়িত্ব দেওয়া হয় এক বৃদ্ধ সাংবাদিককে। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে শুধু মানুষের কান্না যা আর আবেগজড়িত কথাবার্তা দিয়ে ঘটনাটিকে বেদনাবিধুর করেই তুলেছেন, প্রকৃত তদন্তের কিছুই করেননি। এমন সময় এই খুনের রহস্য উদঘাটনের দায়িত্ব নেয় এক তরুণ সাংবাদিক। সে তদন্ত চালাতে থাকে। ধীরে ধীরে এই ব্যাপারে জোর এর রহস্যের জট খুলতে শুরু করে, তখন চতুর্দিক থেকে তরুণ সাংবাদিকের প্রাণনাশের হুমকি এলেও শেষ পর্যন্ত তাকে দমন করা সম্ভব হলো না। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে যৌবনের এই চেতনায়ই প্রত্যাশা করা হয়েছে।।
➤ 'যৌবনের গান' রচনায় লেখক যৌবনের সুস্পষ্ট রূপরেখা বর্ণনা করেছেন। তাঁর মতে, যৌবন এক অপ্রতিরোধ্য ধর্মের নাম। যৌবনের পূজারি তরুণদের হৃদয়ে যৌবন সঞ্চার করে দুরন্ত সাহস। অত্যাচারীর সামনে যমদূত হয়ে দাঁড়ায় আর মজলুমের জন্য তার হৃদয়ে ঝরনার মতো চিরন্তন কান্নার স্রোত বয়ে চলে। পৃথিবীর রহস্য উদঘাটনে এরা অকুতোভয়। অনাহারীর মুখে আহার তুলে দেয়, আর্তের সেবা করে, দুর্দশাগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ায় তরুণরা। উদ্দীপকের দামাল ছেলেটি এই যৌবনের প্রতীক। এই দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
সারকথা: 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখুক, যৌবনের যে দুর্দম ম রূপরেখা অঙ্কন করেছেন, তা উদ্দীপকের তরুণ সাংবাদিকের দুঃসাহসী চরিত্রের মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে।