শেয়ারFacebookWhatsApp

"উদ্দীপকের শেষ চরণে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের মূল বক্তব্য ফুটে উঠেছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: ➤ "উদ্দীপকের শেষ চরণে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের মূল বক্তব্য ফুটে উঠেছে।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ যুগে যুগে তারুণ্যের অফুরন্ত শক্তি এই পৃথিবীকে অনেক ধ্বংসোন্মুখ পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করেছে। কারণ যৌবনের অধিকারীরা দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিমেয় ঔদার্য, বিপুল মনোবলের অধিকারী। মৃত্যুকে তুচ্ছ করে প্রগতিশীল ও কল্যাণকর জীবন রচনায় যৌবনের বিকল্প কিছু নেই। ➤ উদ্দীপকের শেষের দুটি চরণে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের মূল বক্তব্য ফুটে উঠেছে। কারণ উদ্দীপকে বলা হয়েছে, এ বয়সের অর্থাৎ যৌবনের কোনো সংশয় নেই। এই দেশের বুকে তাই আঠারো বছর বয়সের যৌবনের শক্তিকে কবি কামনা করেছেন সময় প্রতিকূলতা থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য। এই ভাবটি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের মূলভাব। ➤ প্রবন্ধে বলা হয়েছে যৌবন প্রাণশক্তির আধার। মানুষের জীবন গতিশীল ও প্রত্যাশাময় করতে পারে একমাত্র যৌবনই। দুক্ত দুর্বার, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনার প্রতীক 'যৌবন' মৃত্যুকে তুচ্ছ করে সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে। তাই এই যৌবন-শক্তিকে প্রাবন্ধিক উদাত্ত কণ্ঠে আহ্বান জানিয়েছেন সমস্ত জীর্ণ, পুরানোকে ধ্বংস করে নতুন জগৎ রচনার সাধনায় অগ্রসর হতে। প্রবন্ধের এই ভাবটি উদ্দীপকের শেষের দুই চরণে ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নের মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক যৌবনের জয়গান করেছেন। জিনি যৌবনের ধর্মকে এদেশে প্রত্যাশা করেছেন, যে বিষয়টি উদ্দীপকের শেষ চরণে প্রতীয়মান। তাই বলা যায়, অনুচ্ছেদের শেষ চরণে আলোচ্য প্রবন্ধের মূল বক্তব্য ফুটে উঠেছে।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : যৌবনের গান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : যৌবনের গান · সৃজনশীল

"উদ্দীপকের শেষ চরণে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের মূল বক্তব্য ফুটে উঠেছে।"…

উদ্দীপক

এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয় পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে এ বয়সে তাই নেই কোনো সংশয়- এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে। [সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজ, গাজীপুর]

উত্তর

কালাপাহাড় ১৫৬৮ খ্রিষ্টাব্দে পুরী আক্রমণ করে মন্দির ও দেবদেবীর মূর্তি ধ্বংস করে।

উত্তর

➤ যৌবনের মাতৃরূপ বলতে লেখক যৌবনের সেবাধর্মী কোমল রূপকে বুঝিয়েছেন। ➤ যৌবনের শক্তি ঝড়ের মতো বিধ্বংসী। পৃথিবীর মিথ্যার সমস্ত আগল ভেঙে সত্যের স্বরূপ উন্মোচন এবং সত্যকে প্রতিষ্ঠাই এ শক্তির মূল লক্ষ্য। কিন্তু কখনো কখনো যৌবন কোমল রূপেও আবির্ভূত হয়। সেবাপরায়ণতা, দয়ার্দ্রতা যৌবনের আরেক রূপ। যৌবন ক্ষুধার্তকে অন্ন দান করে, অসহায়কে সাহস জোগায়, দুর্গতদের পাশে দাঁড়ায় সর্বাত্মক সাহায্য নিয়ে। আর্তের পাশে থেকে রাত জেগে সেবা করে। মূলত এই রূপকেই লেখক যৌবনের মাতৃরূপ বলেছেন। সারকথা: যৌবনের মাতৃরূপ বলতে লেখক যৌবনের সেবাধর্মী কোষল রূপকে বুঝিয়েছেন।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের প্রথম দুই চরণে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের যৌবনের নির্ভীক চেতনার দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে। ➤ যৌবনের শক্তি অপরিসীম। কোনো বাধাবিঘ্নই যৌবনকে তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে পারে না। দেশকে প্রগতির পথে, কুসংস্কার থেকে মূল্যবোধের পথে, উন্নতির পথে নিয়ে যেতে যৌবনের অপরিমেয় শক্তির কোনো বিকল্প নেই। ➤ উদ্দীপকের প্রথম দুটি চরণে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে বর্ণিত যৌবনের প্রকৃত ধর্ম যে নির্ভীকতা সেই দিকটি প্রকাশিত হয়েছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে 'এ বয়স' অর্থাৎ যুবা বয়স বা যৌবন ভীরু বা কাপুরুষ নয়। গত দুর্গম পথই হোক না কেন, সেখানে চলতে গিয়ে যৌবন কখনো ভয়ে থেমে যায় না। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধেও প্রাবন্ধিক তারুণ্যের প্রশস্তি প্রসঙ্গে তার স্বরূপ উপস্থাপন করেছেন। যৌবন হচ্ছে অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার, যা সাধারণ মানুষের জীবনকে করে তোলে গতিশীল। দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিসীম ঔদার্য, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনার প্রতীক যৌবন মৃত্যুকে তুচ্ছ করে, সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্নভিন্ন করে সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ও স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে। প্রবন্ধের এই দিককে উদ্দীপকের প্রথম চরণ দুটি সমর্থন করে। সারকথা: উদ্দীপকের প্রথম দুটি চরণে গতিময়তা প্রকাশ পেয়েছে যা যৌবনের নির্ভীক চেতনার দিককে সমর্থন করে।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকের শেষ চরণে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের মূল বক্তব্য ফুটে উঠেছে।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ যুগে যুগে তারুণ্যের অফুরন্ত শক্তি এই পৃথিবীকে অনেক ধ্বংসোন্মুখ পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করেছে। কারণ যৌবনের অধিকারীরা দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিমেয় ঔদার্য, বিপুল মনোবলের অধিকারী। মৃত্যুকে তুচ্ছ করে প্রগতিশীল ও কল্যাণকর জীবন রচনায় যৌবনের বিকল্প কিছু নেই। ➤ উদ্দীপকের শেষের দুটি চরণে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের মূল বক্তব্য ফুটে উঠেছে। কারণ উদ্দীপকে বলা হয়েছে, এ বয়সের অর্থাৎ যৌবনের কোনো সংশয় নেই। এই দেশের বুকে তাই আঠারো বছর বয়সের যৌবনের শক্তিকে কবি কামনা করেছেন সময় প্রতিকূলতা থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য। এই ভাবটি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের মূলভাব। ➤ প্রবন্ধে বলা হয়েছে যৌবন প্রাণশক্তির আধার। মানুষের জীবন গতিশীল ও প্রত্যাশাময় করতে পারে একমাত্র যৌবনই। দুক্ত দুর্বার, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনার প্রতীক 'যৌবন' মৃত্যুকে তুচ্ছ করে সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে। তাই এই যৌবন-শক্তিকে প্রাবন্ধিক উদাত্ত কণ্ঠে আহ্বান জানিয়েছেন সমস্ত জীর্ণ, পুরানোকে ধ্বংস করে নতুন জগৎ রচনার সাধনায় অগ্রসর হতে। প্রবন্ধের এই ভাবটি উদ্দীপকের শেষের দুই চরণে ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নের মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক যৌবনের জয়গান করেছেন। জিনি যৌবনের ধর্মকে এদেশে প্রত্যাশা করেছেন, যে বিষয়টি উদ্দীপকের শেষ চরণে প্রতীয়মান। তাই বলা যায়, অনুচ্ছেদের শেষ চরণে আলোচ্য প্রবন্ধের মূল বক্তব্য ফুটে উঠেছে।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : যৌবনের গান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.' যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক কী হয়ে তরুণদের মহাদান গ্রহণ করতে চান?

  • মধ্যমণি
  • দলপতি
  • সহযাত্রী
  • পূজারী

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.“ আমি কবি- বনের পাখির মতো স্বভাব আমার গান করার।”— উক্তিটিতে বোঝানো হয়েছে-

  • যৌবনের উচ্ছলতা
  • মানবকল্যাণে ব্রতী হওয়া
  • তারুণ্যের প্রতি অকুণ্ঠ পক্ষপাত
  • গানের পাখির সাথে কবিতার তুলনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অনুচ্ছেদে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে বর্ণিত তারুণ্যের কোন বৈশিষ্ট্যের সর্বাধিক প্রতিফলন ঘটেছে?

  • উদ্যম
  • ঔদার্য
  • মাতৃরূপ
  • সাধনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.অনুচ্ছেদে বর্ণিত বার্ধক্যের বিপরীত ভাষ্য কোনটি?

  • শক্তির পেছনে রুধির ধারার মতো গোপন
  • সে রাত্রির পর রাত্রি জাগিয়া পরিচর্যা করে
  • তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির বিদারী
  • অনন্ত আকাশের সীমা খুঁজিতে গিয়া প্রাণ হারায়

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ১৮৯৯ সালে
  • ১৮৯০ সালে
  • ১৮৭৯ সালে
  • ১৮৮০ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা কত সনে জন্মগ্রহণ করেন?

  • \[১৩০৬ ]
  • \[১৩০৪ ]
  • \[১৩০৫ ]
  • \[১৩০৩ ]

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কাজী নজরুল ইসলাম কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?

  • বরিশাল
  • বর্ধমান
  • পাবনা
  • চট্টগ্রাম

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কাজী নজরুল ইসলামের পিতার নাম কী?

  • ফকির আহমদ
  • আমীর মাহমুদ
  • জালাল আহমদ
  • খলিল আহমদ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কাজী নজরুল ইসলামের মাতার নাম কী?

  • সাবেরা খাতুন
  • জাহেদা খাতুন
  • আলেয়া খাতুন
  • খাদেজা খাতুন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন?

  • ১৯১৬ সালে
  • ১৯১৭ সালে
  • ১৯১৮ সালে
  • ১৯১৯ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.কাজী নজরুল ইসলাম সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার সময় কোন শ্রেণির ছাত্র ছিলেন?

  • অষ্টম
  • সপ্তম
  • নবম
  • দশম

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.' বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী' গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?

  • সবুজপত্র
  • মাসিক সওগাত
  • ধূমকেতু
  • মাসিক মোহাম্মদী

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

' যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক কী হয়ে তরুণদের মহাদান গ্রহণ করতে চান?“ আমি কবি- বনের পাখির মতো স্বভাব আমার গান করার।”— উক্তিটিতে বোঝানো হয়েছে-অনুচ্ছেদে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে বর্ণিত তারুণ্যের কোন বৈশিষ্ট্যের সর্বাধিক প্রতিফঅনুচ্ছেদে বর্ণিত বার্ধক্যের বিপরীত ভাষ্য কোনটি?কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা কত সনে জন্মগ্রহণ করেন?কাজী নজরুল ইসলাম কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?কাজী নজরুল ইসলামের পিতার নাম কী?কাজী নজরুল ইসলামের মাতার নাম কী?কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন?কাজী নজরুল ইসলাম সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার সময় কোন শ্রেণির ছাত্র ছিলেন?' বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী' গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।