'সাহিত্যের স্বধর্মচ্যুত' হওয়ার বিষয়টি উপরের অনুচ্ছেদে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে, বুঝিয়ে দাও।
উত্তর: ➤ সাহিত্যের মাধ্যমে শুধু লোকের হিতসাধন ও সন্তুষ্টির চেষ্টা করা হলে 'সাহিত্যের স্বধর্মচ্যুতি' হয়, কথাটি অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে। ➤ সাহিত্যের উদ্দেশ্য হচ্ছে সবাইকে আনন্দদান করা, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। সমাজের মনোরঞ্জন করতে গেলে সাহিত্য হয়ে পড়বে স্বধর্মচ্যুত। সাহিত্য রচনা করার সময় লেখকের এই বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হয়। ➤ অনুচ্ছেদে দৃষ্টান্ত হিসেবে বলা হয়েছে, সূর্য পূর্বাকাশে ওঠে- এই তথ্য আমাদের মনকে আকর্ষণ করে না। কিন্তু সূর্যোদয়ে যে সৌন্দর্য ও দেখার আনন্দ তা সৃষ্টিকাল থেকে আজও বিদ্যমান। এই সৌন্দর্য ও আনন্দানুভূতি পাঠকহৃদয়ে জাগিয়ে তোলাই সাহিত্যের কাজ। সাহিত্যের সৌন্দর্যানুভূতি যদি কারও মনোরঞ্জন বা হিতসাধন করে তাতে সাহিত্যের ধর্ম নষ্ট হয় না। কিন্তু যদি শুধু লোকের হিতসাধন ও সন্তুষ্টির জন্য সাহিত্য সৃষ্টি করা হয় তবে সেই সাহিত্য হয়ে পড়বে কুলত্যাগী। এই ধরনের সাহিত্য অধিক সস্তা খেলনার মতো 'সাহিত্যের স্বধর্মচ্যুত' হওয়ার বিষয়টি উপরের অনুচ্ছেদে এভাবেই প্রতিফলিত হয়েছে। সারকথা: যদি শুধু লোকহিতার্থে ও কারও মনোরঞ্জনের জন্য সাহিত্য সৃষ্টি করা হয় তবে তা স্বধর্মচ্যুত হয়।
HSC Bangla 1st Paper গদ্য : সাহিত্যে খেলা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : সাহিত্যে খেলা · সৃজনশীল
'সাহিত্যের স্বধর্মচ্যুত' হওয়ার বিষয়টি উপরের অনুচ্ছেদে কীভাবে প্রতিফ…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর