➤ "উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই প্রধান।" উক্তিটি যথার্থ।
➤ খেলা দেখা মানবজীবনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থ বহন করে না। এ দেখার পেছনে একটিই কারণ বিদ্যমান, তা হলো আনন্দলাভ। এ রকম নিছক আনন্দলাভের জন্য মানুষ আরেকটি কাজ করে, তা হলো সাহিত্যপাঠ।
➤ উদ্দীপকের করিম শেখ যেমন খেলা দেখে আনন্দ উপভোগ করেন তেমনই সাহিত্য পাঠ করে পাঠক অনাবিল আনন্দ উপভোগ করে থাকেন। প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যকে খেলার সঙ্গে তুলনা করেছেন। সাহিত্য এক জটিল শিল্পকর্ম, কিন্তু তা আনন্দদায়ক। এর স্রষ্টারা আনন্দ ভুবনে কল্পনারথের অভিযাত্রী। সে কারণেই সাহিত্যকে খেলা বলা হয়েছে। লেখকের মতে, সাহিত্যের উদ্দেশ্য অনাবিল আনন্দ দান করা, শিক্ষা দেওয়া নয়। খেলার উদ্দেশ্যও তাই। এ কারণে উদ্দীপকের করিম শেখ খেলা দেখে এবং সাহিত্য পাঠ করে অনাবিল আনন্দ উপভোগ করেন।
➤ লেখক শিল্পরাজ্যে কোনো রকম কার্যোদ্ধার বা উদ্দেশ্য সাধনের চেয়ে খেলা করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। খেলার মাধ্যমে যেমন উদ্দীপকের করিম শেখ নিছক আনন্দ উপভোগ করে থাকেন, তেমনই সাহিত্যের মাধ্যমেও পাঠক অনাবিল আনন্দ উপভোগ করে থাকেন। এদিক থেকে মন্তব্যটি যথার্থ।
সারকথা: খেলাধুলা যেমন মানুষকে আনন্দদান করে তেমনই সাহিত্যও মানুষকে অনাবিল আনন্দদান করে। তাই আলোচ্য প্রবন্ধে সাহিত্যকে প্রমথ চৌধুরী খেলাধুলার সঙ্গে তুলনা করেছেন।