শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের বিশেষ দুটি দিকের প্রতিফলন ঘটেছে, পুরো অংশ নয়। মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর: ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের মূলভাবের বিশেষ দুটি দিক উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে, তা হচ্ছে সাহিত্য ও সাহিত্যের বর্তমান অবস্থা। ➤ সাহিত্য মানবমন থেকে উৎসারিত শিল্পকর্ম। সাহিত্য মনের আনন্দে আপনিই প্রকাশিত হয়। এর প্রকৃত রসাস্বাদন করতে হলে মনের আনন্দেই করতে হয়। জোর করে বা হাজারো ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে সাহিত্যরসের উদ্রেক করা যায় না, বরং তা কঠিন মনে হয়। ➤ উদ্দীপকে সাহিত্যের দুটি দিক উপস্থাপিত হয়েছে। সাহিত্য হলো সৃজনশীল মনের তরঙ্গায়িত কথামালার লিখিত রূপ। এর জন্য কোনো নিয়ম বা নীতি নেই। সাহিত্যিকরা মনের উল্লাসে রচনা করেছেন সাহিত্য। মনের ইচ্ছায় মানুষ সাহিত্যকে কাছে টানবে, সাহিত্যরসে হৃদয়কে তৃপ্ত করবে। বর্তমান সময়ে হচ্ছে তার সম্পূর্ণ উল্টোটা। আনাড়ি সাহিত্যিকরা পাঠকের মনের ভুলের জন্যই সস্তা সাহিত্য সৃষ্টি করে থাকে। অথচ সাহিত্য কারও মনোরঞ্জনের বিষয় নয়; বরং সাহিত্য হচ্ছে পড়া, বোঝা ও হৃদয়ঙ্গম করার বিষয়। অন্যদিকে বর্তমান সময়ে আমাদের স্কুলমাস্টাররা যেভাবে সাহিত্য পড়ানোর ভার গ্রহণ করেছেন তাতে ছাত্ররা আনন্দহীন বেত্রাঘাতের মতোই সাহিত্যকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে। ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্যের প্রতি আমাদের অরুচির কারণ দর্শানো হয়েছে। আর 'শিল্পী' চরিত্রের মাধ্যমে সাহিত্যিকের সাবলীলতা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। শিল্প যেমন শিল্পীর হাতেই শুধু মানায়, অন্যের হাতে আনাড়ি হয়ে পড়ে, সাহিত্য তেমনই সাহিত্যিকের কাছেই মানায়, সাধারণ মানুষ সাহিত্য গড়তে গেলে আনাড়ি, সাহিত্যই সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে শিক্ষকের কারণে ছাত্ররা সাহিত্যকে উপদ্রব ভাবতে শুরু করেছে। উদ্দীপকে ও 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের এ দুটি দিক স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের মূলভাবের বিশেষ দুটি দিক ফুটে উঠেছে। সারকথা: উদ্দীপকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের মূলভাবের বিশেষ দুটি দিক ফুটে উঠেছে। প্রথমটা হলো সাহিত্যের সংজ্ঞা আর দ্বিতীয়টা হলো বর্তমান সময়ে সাহিত্যরসের প্রতি আমাদের অরুচির কারণ। মূলত সাহিত্য হলো স্বতঃস্ফূর্ত মনের জন্য আনন্দের বিষয়। কিন্তু জোর করে পড়ানো ও বোঝানোর জন্য সাহিত্যের সৃষ্টি হয়নি।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : সাহিত্যে খেলা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : সাহিত্যে খেলা · সৃজনশীল

উদ্দীপকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের বিশেষ দুটি দিকের প্রতিফলন ঘটেছে,…

উদ্দীপক

সাহিত্য হচ্ছে সৃজনশীল মনের তরঙ্গায়িত কথামালার লিখিত গাঁথুনি। মনের উল্লাসে সাহিত্যিকরা সাহিত্য রচনা করে গেছেন। আর সাহিতোর পরশে যার মন দোলায়িত হয় তিনি আপনাআপনিই সাহিত্য পড়বেন। মূলত সাহিত্য হচ্ছে একধরনের মনের খেলা। বাস্তব জীবনের বাস্তব খেলা। এ খেলায় শুধু সাহিত্যে নিবেদিতপ্রাণ খেলোয়াড়ই পরশ নিবেন। কিন্তু বর্তমানে এর উল্টোটাই দেখা যায়। যার মধ্যে সাহিত্য ভাবনার ছিটেফোঁটাও নেই, তাকেও সাহিত্য গেলানো হয়। ফলে স্বভাবতই সাহিত্যের মতো উন্নত বিষয়ের প্রতি তার অরুচি ও বিতৃষ্ণা জন্মে।

উত্তর

পুতুল গড়া ফরাসি ভাস্কর রোদ্যার খেলা।

উত্তর

➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রাণীর দেহে অবস্থানকারী আত্মাকে জীবাত্মা এবং পরম ব্রহ্মা, ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তার আত্মাকে পরমাত্মা বলা হয়। ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে জীবাত্মা ও পরমাত্মার মধ্যকার সম্পর্ক অকাট্য। মূলত সাহিত্যলীলার বিষয়টি বোঝানোর লক্ষ্যেই লেখক তাঁর 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে জীবাত্মা ও পরমাত্মার প্রসঙ্গ টেনেছেন। ঈশ্বর যেমন লীলার জন্য এই জগৎ সৃষ্টি করেছেন, তেমনই কবির সৃষ্টিও এই বিশ্ব সৃষ্টির অনুরূপ। সেই সৃষ্টির মূল হচ্ছে অন্তরাত্মার স্ফূর্তি এবং আনন্দ হলো তার ফল। অর্থাৎ সাহিত্য সৃষ্টি জীবায়ার লীলামাত্র এবং সেই লীলা বিশ্বলীলার অন্তর্ভুক্ত। এটা থেকেও সুস্পষ্ট যে, জীবাত্মা ও পরমাত্মার মধ্যকার সম্পর্ক অকাট্য, অবিচ্ছেদ্য। সারকথা: প্রাণীর দেহে অবস্থানকারী আত্মাকে জীবাত্মা এবং পরম ব্রহ্মা, ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তার আত্মাকে পরমাত্মা বলা হয়। জীবাত্মা ও পরমাত্মার মধ্যকার সম্পর্ক অকাটা, অবিচ্ছেদ্য।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের শেষ অংশের সাদৃশ্য বিদ্যমান। ➤ সাহিত্য হলো সমাজের দর্পণ। সাহিত্যের মধ্য দিয়ে সমাজের চিত্র ফুটে ওঠে। সাহিত্য সব সময় ব্যক্তিমনে আনন্দ দান করতে পারে না। কারণ সাহ্যিরসে সিক্ত হতে সবাই পারে না। ➤ উদ্দীপকে সাহিত্যরসে অরুচির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধেও কাব্যরসে অরুচির ব্যাপারটা দেখতে পাই। প্রবন্ধের শেষ অংশে এই বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। সাধারণত সাহিত্য হলো পড়ার ও বোঝার জিনিস; পড়ানোর বা বোঝানোর জিনিস নয়। কিন্তু আমাদের স্কুল মাস্টাররা সাহিত্য পড়ান ও বোঝান। এতে শ্রোতাদের সাথে কবিমনের মিল তো দূরে থাক, কবির কাব্য বা সাহিত্যিকের সাহিত্যও তাদের দৃষ্টিগোচর হয় না। ফলে সাহিত্য আনন্দের বন্ধু না হয়ে তাদের কাছে বিতৃষ্ণার বস্তু হিসেবে বিবেচিত হয়। মূলত এর জন্য দায়ী আমাদের সমাজের শিক্ষকরা। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের এ বিষয়টির সঙ্গে উদ্দীপকের আলোচনার পুরোপুরি সাদৃশ্য বিদ্যমান। সারকথা: উদ্দীপকে সাহিত্যের সংজ্ঞা ও সাহিত্যের প্রতি অরুচি সৃষ্টি হওয়ার কারণ আলোচিত হয়েছে। এর সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্দের শেষের অংশের মিল রয়েছে। কারণ এখানে একই বিষয়ে আলোচনা রয়েছে।

উত্তর

➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের মূলভাবের বিশেষ দুটি দিক উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে, তা হচ্ছে সাহিত্য ও সাহিত্যের বর্তমান অবস্থা। ➤ সাহিত্য মানবমন থেকে উৎসারিত শিল্পকর্ম। সাহিত্য মনের আনন্দে আপনিই প্রকাশিত হয়। এর প্রকৃত রসাস্বাদন করতে হলে মনের আনন্দেই করতে হয়। জোর করে বা হাজারো ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে সাহিত্যরসের উদ্রেক করা যায় না, বরং তা কঠিন মনে হয়। ➤ উদ্দীপকে সাহিত্যের দুটি দিক উপস্থাপিত হয়েছে। সাহিত্য হলো সৃজনশীল মনের তরঙ্গায়িত কথামালার লিখিত রূপ। এর জন্য কোনো নিয়ম বা নীতি নেই। সাহিত্যিকরা মনের উল্লাসে রচনা করেছেন সাহিত্য। মনের ইচ্ছায় মানুষ সাহিত্যকে কাছে টানবে, সাহিত্যরসে হৃদয়কে তৃপ্ত করবে। বর্তমান সময়ে হচ্ছে তার সম্পূর্ণ উল্টোটা। আনাড়ি সাহিত্যিকরা পাঠকের মনের ভুলের জন্যই সস্তা সাহিত্য সৃষ্টি করে থাকে। অথচ সাহিত্য কারও মনোরঞ্জনের বিষয় নয়; বরং সাহিত্য হচ্ছে পড়া, বোঝা ও হৃদয়ঙ্গম করার বিষয়। অন্যদিকে বর্তমান সময়ে আমাদের স্কুলমাস্টাররা যেভাবে সাহিত্য পড়ানোর ভার গ্রহণ করেছেন তাতে ছাত্ররা আনন্দহীন বেত্রাঘাতের মতোই সাহিত্যকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে। ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্যের প্রতি আমাদের অরুচির কারণ দর্শানো হয়েছে। আর 'শিল্পী' চরিত্রের মাধ্যমে সাহিত্যিকের সাবলীলতা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। শিল্প যেমন শিল্পীর হাতেই শুধু মানায়, অন্যের হাতে আনাড়ি হয়ে পড়ে, সাহিত্য তেমনই সাহিত্যিকের কাছেই মানায়, সাধারণ মানুষ সাহিত্য গড়তে গেলে আনাড়ি, সাহিত্যই সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে শিক্ষকের কারণে ছাত্ররা সাহিত্যকে উপদ্রব ভাবতে শুরু করেছে। উদ্দীপকে ও 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের এ দুটি দিক স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের মূলভাবের বিশেষ দুটি দিক ফুটে উঠেছে। সারকথা: উদ্দীপকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের মূলভাবের বিশেষ দুটি দিক ফুটে উঠেছে। প্রথমটা হলো সাহিত্যের সংজ্ঞা আর দ্বিতীয়টা হলো বর্তমান সময়ে সাহিত্যরসের প্রতি আমাদের অরুচির কারণ। মূলত সাহিত্য হলো স্বতঃস্ফূর্ত মনের জন্য আনন্দের বিষয়। কিন্তু জোর করে পড়ানো ও বোঝানোর জন্য সাহিত্যের সৃষ্টি হয়নি।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : সাহিত্যে খেলা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.' পরার্থ' শব্দের অর্থ কোনটি?

  • পারিতোষিক
  • মনোজগৎ
  • পরোপকার
  • মনোরঞ্জন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সাহিত্য 'স্বধর্মচ্যুত' হয় তখন, যখন সাহিত্যচর্চা হয়¾

  • ফললাভের আকাঙ্ক্ষাশূন্য
  • জনসাধারণের মনোরঞ্জনের জন্য
  • জনসাধারণের মঙ্গলের জন্য
  • শিল্পীচিত্তের সম্পূর্ণতার লক্ষ্যে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.' সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে অনুচ্ছেদটির 'জ্ঞানের কথা'র সমার্থক ভাব হলো— i. খবর প্রদান ii. পাঠকের মনতুষ্টি iii. মুখস্থবিদ্যা নিচের কোনটি সঠিক?

  • i
  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্রমথ চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস কোথায়?

  • ঢাকা জেলায়
  • পাবনা জেলায়
  • যশোর জেলায়
  • কুমিল্লা জেলায়

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.প্রমথ চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস ছিল পাবনা জেলার কোন গ্রামে?

  • হরিপুর
  • মণিপুর
  • গোবিন্দপুর
  • রসুলপুর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.প্রমথ চৌধুরী কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে
  • ১৮৭০ খ্রিষ্টাব্দে
  • ১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে
  • ১৮৬৫ খ্রিষ্টাব্দে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.প্রমথ চৌধুরী কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?

  • ঢাকা
  • চট্টগ্রাম
  • যশোর
  • পাবনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক- [রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ]

  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • প্রমথ চৌধুরী
  • কাজী নজরুল ইসলাম
  • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম কী?

  • নীললোহিত
  • ভানুসিংহ
  • বীরবল
  • কালকুট

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতির প্রথম মুখপত্র পত্রিকার নাম কী?

  • ভারতী
  • মিহির
  • দিগদর্শন
  • সবুজপত্র

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.' সবুজপত্র' পত্রিকাটি কত সাল থেকে প্রকাশিত হয়?

  • ১৯১২ সাল থেকে
  • ১৯১৩ সাল থেকে
  • ১৯১৪ সাল থেকে
  • ১৯১৬ সাল থেকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.প্রমথ চৌধুরী কোথা থেকে বার-এট ল সম্পন্ন করেন?

  • ইংল্যান্ড
  • ফ্রান্স
  • আমেরিকা
  • কানাডা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।