শেয়ারFacebookWhatsApp

"উদ্দীপকের করিম সাহেবের সৃষ্ট সাহিত্য 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ অনুসারে উৎকৃষ্ট সাহিত্যজগৎ থেকে ছিটকে পড়েছে।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: ➤ "উদ্দীপকের করিম সাহেবের সৃষ্ট সাহিত্য 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ অনুসারে উৎকৃষ্ট সাহিত্যজগৎ থেকে ছিটকে পড়েছে।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ উৎকৃষ্ট সাহিত্য থেকে ধনী-গরিব, ব্রাহ্মণ-শূদ্র সকলেই আনন্দ লাভ করতে পারে। সাহিত্য কোনো বিশেষ শ্রেণির মনস্কৃষ্টির জন্য রচিত হয় না, হওয়া উচিতও নয়। তাহলে সাহিত্য নিজ ধর্ম থেকে ছিটকে পড়বে। সাহিত্যের কাজ শুধুই আনন্দ দান করা, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। ➤ উদ্দীপকের করিম সাহেব লেখালেখি করেন। তাঁর রচিত রচনাগুলো সমাজের এক নির্দিষ্ট শ্রেণির মনস্তুটির জন্য রচিত। তাদের বাহবা পাওয়া এবং তার মাধ্যমে অর্থ অর্জন করা করিম সাহেবের লক্ষ্য। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ অনুসারে আনন্দ দান ছাড়া সাহিত্যের অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে না। যদি থাকে তবে সেটা সাহিত্যের পর্যায়ে পড়বে না। ধর্মচ্যুত হয়ে পরিণত হবে জুয়াখেলায়। ➤ খেলার আনন্দ যেমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়, তেমনই সাহিত্যও কোনো উদ্দেশ্যে রচিত হলে তার নিজস্ব গতিপথ হারাবে। উদ্দীপকের করিম সাহেব সমাজের বিশেষ একশ্রেণির জন্য লেখেন। এজন্য তাঁর লেখা সাহিত্যের পর্যায় পড়ে না। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বলেছেন, সাহিত্য জগৎ নির্মল আনন্দের জগৎ। এদিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, সাহিত্যের একমাত্র উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আনন্দ দান করা, অন্য কিছুই নয়। কিন্তু উদ্দীপকের করিম সাহেব অর্থ উপার্জনের এবং মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে সাহিত্য রচনা করেন, এজন্য তাঁর সাহিত্য স্বধর্মচ্যুত।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : সাহিত্যে খেলা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : সাহিত্যে খেলা · সৃজনশীল

"উদ্দীপকের করিম সাহেবের সৃষ্ট সাহিত্য 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ অনুসা…

উদ্দীপক

করিম সাহেবের সৃষ্ট সাহিত্যজগৎ এখন সংকীর্ণতার গাঢ় ছায়ায় আচ্ছন্ন হয়ে গেছে। তাঁর সৃষ্টিকর্ম এখন আর বিশ্বমানবের মনের সকো নিতানতুন সম্বন্ধ পাতানোর উদারতা দেখায় না। তাঁর সাহিত্যের রঙ্গমঞ্চে এক নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষের জীবনালেখ্য মধ্যস্থ হয়। যাঁরা নিজেদের মনন্তুষ্টির বিনিময়ে করিম সাহেবকে মেকি প্রশংসাপূর্ণ পারিশ্রমিক দেন। আর এতেই খুশি হয়ে তিনি সাহিত্যের মর্মবাণীকে অগ্রাহ্য করে ঐ বিশেষ শ্রেণির মনোরঞ্জনের জন্য তাঁর অমূল্য সৃজনশক্তিকে নিয়োগ করেন।

উত্তর

উপরি পাওয়া' বলতে বোঝায় বাড়তি আয় উপার্জন।

উত্তর

➤ "সাহিত্যের উদ্দেশ্য আনন্দদান করা, শিক্ষা দান করা নয়।" উক্তিটি দ্বারা লেখক সাহিত্যের মূল উদ্দেশ্য নির্দেশ করেছেন। ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক দেখিয়েছেন যে, ভারতীয় সাহিত্যের আদি কবি বাল্মীকি রামায়ণ রচনা করেছিলেন, আদিতে মুনি-ঋষিদের জন্য অথচ জনসাধারণ আজও তার শ্রবণে-পঠনে আনন্দ উপভোগ করে। তার একমাত্র কারণ সেই 'রামায়ণ' কাব্য হিসেবে অমর এবং আনন্দের ধর্মই তাই যে তা সংক্রামক। একথা বলা বাহুলা যে, বড় বড় মুনি-ঋষিদের কিঞ্চিৎ শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্য বাল্মীকির ছিল না। তার প্রমাণও 'রামায়ণ' শ্রবণকারী মুনি-ঋষিদের আনন্দে আত্মহারা হওয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায়। লেখক এজন্যই বলেছেন, সাহিত্যের উদ্দেশ্য আনন্দদান করা, শিক্ষাদান করা নয়। সারকথা: সাহিত্যের মূল উদ্দেশ্য- মানুষকে আনন্দ দান করা, কাউকে শিক্ষা দান করা নয়।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের করিম সাহেবের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাহিত্য রচনার উদ্দেশ্যের বৈসাদৃশ্য রয়েছে। ➤ সাহিত্য হলো ব্যক্তিমনের আনন্দের খোরাক। সাহিত্য ব্যক্তিকে অচেনা জগৎ থেকে ঘুরিয়ে আনে। তবে সব সাহিত্যের এমন গুণ থাকে না। সাহিত্য যখন কারও মনোরঞ্জনের জন্য রচিত হয় তখন সেটি তার সাহিত্যগুণ হারায়। ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য সৃষ্টির উদ্দেশ্য, কারণ, প্রভাব ইত্যাদি উল্লেখ করতে গিয়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সাহিত্যিকের নানা গুণ ব্যক্ত করেছেন। সাহিত্যের উদ্দেশ্য হলো খেলার ছলে আনন্দ দেওয়া, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। কোনোকিছুর পাওয়ার আশায় যদি সাহিত্য রচিত হয় তবে তা ধর্মচ্যুত হয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, করিম সাহেব সাহিত্য রচনা করেন বিশেষ একশ্রেণির লোকের মনোরঞ্জনের জন্য। সাহিত্য রচনাকে তিনি টাকা উপার্জনের উৎস হিসেবে ধরে নিয়েছেন। এজন্য তাঁর রচনা সাহিত্যের পর্যায়ে পড়ে না। কেননা সাহিত্যের উদ্দেশ্য তা নয়। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, সাহিত্যের উদ্দেশ্য শুধু নির্মল আনন্দ দান করা, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। আনন্দকে বাদ দিয়ে কারও মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে সাহিত্য রচিত হলে তা প্রকৃত সাহিত্য হবে না। এই দিক থেকে উদ্দীপকের করিম সাহেবের সাথে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের বৈসাদৃশ্য রয়েছে। সারকথা: সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন সাহিত্যের কাজ হচ্ছে নির্মল আনন্দ দান ছাড়া অ অন্য কিছুই নয়। কিন্তু উদ্দীপকের করিম উপার্জনের উদ্দেশ্যে লেখেন, এই। ক্ষেত্রেই প্রবন্ধের সাথে অমিল লক্ষণীয়।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকের করিম সাহেবের সৃষ্ট সাহিত্য 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ অনুসারে উৎকৃষ্ট সাহিত্যজগৎ থেকে ছিটকে পড়েছে।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ উৎকৃষ্ট সাহিত্য থেকে ধনী-গরিব, ব্রাহ্মণ-শূদ্র সকলেই আনন্দ লাভ করতে পারে। সাহিত্য কোনো বিশেষ শ্রেণির মনস্কৃষ্টির জন্য রচিত হয় না, হওয়া উচিতও নয়। তাহলে সাহিত্য নিজ ধর্ম থেকে ছিটকে পড়বে। সাহিত্যের কাজ শুধুই আনন্দ দান করা, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। ➤ উদ্দীপকের করিম সাহেব লেখালেখি করেন। তাঁর রচিত রচনাগুলো সমাজের এক নির্দিষ্ট শ্রেণির মনস্তুটির জন্য রচিত। তাদের বাহবা পাওয়া এবং তার মাধ্যমে অর্থ অর্জন করা করিম সাহেবের লক্ষ্য। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ অনুসারে আনন্দ দান ছাড়া সাহিত্যের অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে না। যদি থাকে তবে সেটা সাহিত্যের পর্যায়ে পড়বে না। ধর্মচ্যুত হয়ে পরিণত হবে জুয়াখেলায়। ➤ খেলার আনন্দ যেমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়, তেমনই সাহিত্যও কোনো উদ্দেশ্যে রচিত হলে তার নিজস্ব গতিপথ হারাবে। উদ্দীপকের করিম সাহেব সমাজের বিশেষ একশ্রেণির জন্য লেখেন। এজন্য তাঁর লেখা সাহিত্যের পর্যায় পড়ে না। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বলেছেন, সাহিত্য জগৎ নির্মল আনন্দের জগৎ। এদিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, সাহিত্যের একমাত্র উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আনন্দ দান করা, অন্য কিছুই নয়। কিন্তু উদ্দীপকের করিম সাহেব অর্থ উপার্জনের এবং মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে সাহিত্য রচনা করেন, এজন্য তাঁর সাহিত্য স্বধর্মচ্যুত।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : সাহিত্যে খেলা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.' পরার্থ' শব্দের অর্থ কোনটি?

  • পারিতোষিক
  • মনোজগৎ
  • পরোপকার
  • মনোরঞ্জন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সাহিত্য 'স্বধর্মচ্যুত' হয় তখন, যখন সাহিত্যচর্চা হয়¾

  • ফললাভের আকাঙ্ক্ষাশূন্য
  • জনসাধারণের মনোরঞ্জনের জন্য
  • জনসাধারণের মঙ্গলের জন্য
  • শিল্পীচিত্তের সম্পূর্ণতার লক্ষ্যে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.' সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে অনুচ্ছেদটির 'জ্ঞানের কথা'র সমার্থক ভাব হলো— i. খবর প্রদান ii. পাঠকের মনতুষ্টি iii. মুখস্থবিদ্যা নিচের কোনটি সঠিক?

  • i
  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্রমথ চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস কোথায়?

  • ঢাকা জেলায়
  • পাবনা জেলায়
  • যশোর জেলায়
  • কুমিল্লা জেলায়

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.প্রমথ চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস ছিল পাবনা জেলার কোন গ্রামে?

  • হরিপুর
  • মণিপুর
  • গোবিন্দপুর
  • রসুলপুর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.প্রমথ চৌধুরী কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে
  • ১৮৭০ খ্রিষ্টাব্দে
  • ১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে
  • ১৮৬৫ খ্রিষ্টাব্দে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.প্রমথ চৌধুরী কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?

  • ঢাকা
  • চট্টগ্রাম
  • যশোর
  • পাবনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক- [রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ]

  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • প্রমথ চৌধুরী
  • কাজী নজরুল ইসলাম
  • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম কী?

  • নীললোহিত
  • ভানুসিংহ
  • বীরবল
  • কালকুট

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতির প্রথম মুখপত্র পত্রিকার নাম কী?

  • ভারতী
  • মিহির
  • দিগদর্শন
  • সবুজপত্র

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.' সবুজপত্র' পত্রিকাটি কত সাল থেকে প্রকাশিত হয়?

  • ১৯১২ সাল থেকে
  • ১৯১৩ সাল থেকে
  • ১৯১৪ সাল থেকে
  • ১৯১৬ সাল থেকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.প্রমথ চৌধুরী কোথা থেকে বার-এট ল সম্পন্ন করেন?

  • ইংল্যান্ড
  • ফ্রান্স
  • আমেরিকা
  • কানাডা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

"উদ্দীপকের করিম সাহেবের সৃষ্ট সাহিত্য 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ অনুসা… | Prosthuti