উদ্দীপকের কবিতাংশে এবং 'সুচেতনা' কবিতায় প্রতিফলিত কবির বক্তব্য কি এক? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর: ➤ হ্যাঁ, উদ্দীপকের কবিতাংশে এবং 'সুচেতনা' কবিতায় প্রতিফলিত কবির বক্তব্য একসূত্রে গাঁথা। ➤ মানুষ তার হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে পৃথিবীকে অশান্ত করে তুলেছে। মানুষের নেতিবাচক চিন্তা ও কর্মকান্ডে এ সুন্দর ও প্রাচুর্যময় পৃথিবী ক্রমশ হিংসা-বিদ্বেষে পরিপূর্ণ হয়ে উঠছে। পৃথিবীকে তারা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে। এর মধ্যে একদল মানুষ এর বিপরীতে কাজ করে। তারা শত প্রতিকূলতার মধ্যেও নতুন জীবনের প্রত্যাশা করে। ➤ উদ্দীপকের কবিতাংশে 'চুনিয়া' নামক গ্রামের মানবিক প্রত্যাশা প্রকাশ পেয়েছে। মানব সমাজে যে হিংসা-বিদ্বেষ বিদ্যমান তা চুনিয়াতে নেই। সভ্য সমাজের অনেকেই এ ধরনের স্নিগ্ধ সুন্দর গ্রাম তথা জীবনের প্রত্যাশা করে। যেখানে রক্তপাত নেই, মানুষের প্রতি মানুষের বিদ্বেষ নেই। যেখানে পৃথিবীর কুরুক্ষেত্রগুলোতে সুগন্ধি ফুলের চাষ হয়। উদ্দীপকের এই মানবিক প্রত্যাশা 'সুচেতনা' কবিতায় প্রতিফলিত কবির মানবিক চেতনার সঙ্গে মিলে যায়। এ কবিতায় কবি সমকালীন অশান্তি, বিক্ষুব্ধ পৃথিবীর চিত্র তুলে ধরে তা থেকে পরিত্রাণের জন্য শুভ চেতনা বা সুচেতনার গুরুত্ব নির্দেশ করেছেন। ➤ 'সুচেতনা' কবিতায় কবি সুচেতনা শব্দটি শুভ চেতনা হিসেবে ব্যবহার করেছেন। এ কবিতায় হিংসা-দ্বেষ-ঘৃণা তথা ধ্বংসোন্মুখ পৃথিবীর চিত্র তুলে ধরে তা থেকে উত্তরণের আশাবাদ ব্যক্ত হয়েছে। কবি মনে করেন বস্তুগত শোক, স্বার্থদ্বন্দ্বকে অতিক্রম করে পৃথিবী একদিন প্রাচুর্যময় হয়ে বাহ্য গৌরবে সেজে উঠবে। মানুষের প্রতি মানুষ আরও বেশি মানবিক হবে; তাদের শুভবোধ জাগ্রত হবে। যা উদ্দীপকের মূলভাবকে নির্দেশ করে। এভাবে উদ্দীপকের চুনিয়া এবং কবিতায় কবির বক্তব্য একসূত্রে গাঁথা। সারকথা: উদ্দীপকের কবিতাংশে হিংসা-বিদ্বেষহীন, রক্তপাতহীন সুন্দর ও প্রাচুর্যময় মানবিক পৃথিবীর প্রত্যাশা করা হয়েছে, যা 'সুচেতনা' কবিতার মূলভাবকে নির্দেশ করে। এই দিক বিচারে উদ্দীপকের চুনিয়ার' বক্তব্য এবং 'সুচেতনা' কবিতার কবির বক্তব্য একসূত্রে গাঁথা।
HSC Bangla 1st Paper কবিতা : সুচেতনা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : সুচেতনা · সৃজনশীল
উদ্দীপকের কবিতাংশে এবং 'সুচেতনা' কবিতায় প্রতিফলিত কবির বক্তব্য কি এ…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর