➤ সম্পর্ক থাকলেও উদ্দীপকটি 'সুচেতনা' কবিতার সম্পূর্ণ ভাবনার দ্যোতক হয়ে উঠতে পারেনি- মন্তব্যটি যথার্থ।
➤ আমাদের এই পৃথিবীতে নানা অসংগতি বিদ্যমান। চারদিকের হত্যা, ধ্বংস, বৈষম্য, ঘৃণা ইত্যাদি পৃথিবীকে অস্থির ও অশান্ত করে তুলেছে। এসব কারণেই আজ আমরা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছি। এটি থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রয়োজন মানবিক বোধের বিকাশ ও শুভ চিন্তার বাস্তবায়ন।
➤ উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি বিষাদে পূর্ণ এই পৃথিবীতে নতুন প্রাণৈশ্বর্যে ভরপুর এক পৃথিবীকে কামনা করেছেন। দিন-রাতের বেদনা, নিঃসঙ্গতা কাটিয়ে তিনি নতুনভাবে বাঁচতে চান। 'সুচেতনা' কবিতায় কবির সুচেতনা অনেক দূরে থাকায় কবি মনে করেন পৃথিবী আজ অন্ধকারাচ্ছন্ন। এই অন্ধকার একদিন কেটে যাবে, আবার নতুন প্রভাতে নতুন সূর্য উদিত হবে। কিন্তু এই বিষয়টি ছাড়াও আলোচ্য কবিতায় আরও অনেক বিষয়ের প্রকাশ ঘটেছে।
➤ উদ্দীপকে 'সুচেতনা' কবিতার শুধু একটি ভাব ধারণ করে মাত্র। কবিতায় প্রকাশিত পৃথিবীর অবস্থা, কবির হতাশা, কবির চেতনা এবং আত্মস্বার্থে মগ্ন মানুষের হানাহানির এই বিষয়গুলো উদ্দীপকে সম্পূর্ণভাবে উঠে আসেনি। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
সারকথা: উদ্দীপকে অস্থির ও বিক্ষুব্ধ পৃথিবীতে নতুন জীবনের জন্য আশাবাদ ব্যক্ত হয়েছে, যা 'সুচেতনা' কবিতার একটি ভাবের। প্রকাশমাত্র। কবিতার অন্যান্য বিষয় এখানে অনুপস্থিত।