শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকটি 'সুচেতনা' কবিতার সম্পূর্ণ ভাবের প্রকাশক হয়ে উঠতে পারেনি- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর: ➤ উদ্দীপকটি 'সুচেতনা' কবিতার সম্পূর্ণ ভাবের প্রকাশক হয়ে উঠতে পারেনি- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ আমরা সবাই চাই সুখী-সমৃদ্ধ এক মানবিক বিশ্ব। কিন্তু কিছু স্বার্থবাদী মানুষ হীন উদ্দেশ্যে পৃথিবীকে অস্থির করে তুলেছে, ঠেলে দিচ্ছে ধ্বংসের দিকে। আমাদের সম্মিলিত চেষ্টা ও মানবিক চেতনার বিকাশই পারে পৃথিবীকে রক্ষা করতে। ➤ উদ্দীপকে পৃথিবীর সব অসংগতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কথা বলা হয়েছে। কবি যত দানবিকতা, দুঃশাসন, বৈষম্য, বিশৃঙ্খলা সবকিছু থেকে এই বিশ্বকে মুক্ত করতে চান, 'সুচেতনা' কবিতায়ও এই দিকটি প্রকাশিত হয়েছে। 'সুচেতনা' কবিতায় কবি সুচেতনাকে বলেছেন এক দূরতর নির্জন দ্বীপ। যেখানে পড়ে রয়েছে কবির মন। কবি সমকালীন যুদ্ধবিগ্রহ, হানাহানি, রক্তপাতসহ পৃথিবীর নানা অসংগতি দেখে সেটিকে গভীরতর অসুখ বলে আখ্যায়িত করেছেন। কবি জানেন, এটি থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হলো মনীষীদের মতো সাধনা, যা তাঁরা শতাব্দীর পর শতাব্দী করে গেছেন। তবে এটি আলোচ্য কবিতার একটি দিকের প্রকাশমাত্র। এছাড়াও আলোচ্য কবিতায় অন্যান্য বিষয় ও ভাবের অবতারণা ঘটেছে। ➤ উদ্দীপকটি শুধু অসংগতির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার কথা বলে, যা 'সুচেতনা' কবিতার একটি অংশ। এছাড়াও আলোচ্য কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে অমানবিকতা, মনুষ্যত্বহীনতা, পীড়নকারী বা হত্যাকারীর চরিত্র, পৃথিবীর কাছে মানুষের ঋণ, মহামানবদের সাধনা, সর্বোপরি নতুন ভোরের প্রত্যাশা। এসব বিষয় উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: উদ্দীপকে পৃথিবীর নানা অসংগতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কথা বলা হয়েছে যা 'সুচেতনা' কবিতার একটি দিক মাত্র। কবিতার অন্যান্য বিষয় ও ভাব উদ্দীপকে অনুপস্থিত।

HSC Bangla 1st Paper কবিতা : সুচেতনা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : সুচেতনা · সৃজনশীল

উদ্দীপকটি 'সুচেতনা' কবিতার সম্পূর্ণ ভাবের প্রকাশক হয়ে উঠতে পারেনি- …

উদ্দীপক

দানব মরে না যদি, আমিও প্রস্তুত আমার রক্তেও আছে আরো অভিযান; ..\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots.. দুঃশাসনের আমি মৃত্যুদূত যত দিন লেলিহান বিশাল শৃঙ্খল আমার মুক্তির তৃষ্ণা তুফান উত্তল।

উত্তর

'নির্জন' শব্দের অর্থ জনহীন।

উত্তর

➤ 'সে অনেক শতাব্দীর মনীষীর কাজ' বলতে কবি বোঝাতে চেয়েছেন- পৃথিবীর ক্রমমুক্তি একক দিনে সম্ভব নয়। সেটি বহু যুগের সাধনা ও পরিশ্রমের কাজ। ➤ যুগে যুগে মহামানবরা এ পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে রেখে যাওয়ার জন্য সাধনা ও পরিশ্রম করে গেছেন। এমনকি পৃথিবীর মঙ্গল কামনা করে জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। তাদের মেধা, মনন ও ভালোবাসা দিয়ে তিল তিল করে গড়ে তুলেছেন এ পৃথিবীকে। এজন্যই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। সারকথা: প্রশ্নোক্ত চরণে কবি পৃথিবীকে সুন্দর করে গড়ার পেছনে মহামানবদের যুগযুগান্তরের সাধনার কথা বুঝিয়েছেন।

উত্তর

➤ উদ্দীপকটি 'সুচেতনা' কবিতায় প্রকাশিত পৃথিবীর বৈরী অবস্থার বিরুদ্ধে সংগ্রামের দিকটি নির্দেশ করে। ➤ স্বার্থপরতার কারণে পৃথিবীতে আজ অশান্তি বিরাজ করছে। এর মাঝে রয়েছে সামাজিক বৈষম্য, শোষণ ও পীড়ন। একসময় প্রাণৈশ্বর্যে পূর্ণ পৃথিবী আজ ধূসর-উষর ধু-ধু মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। মানবিকতা এখানে লুণ্ঠিত, মনুষ্যত্ব তিরোহিত। মানবিক বোধের উন্মেষ ঘটানো ছাড়া এটি থেকে পরিত্রাণের পথ নেই। ➤ উদ্দীপকে সব অন্যায়, দুঃশাসন, দানবিকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। সমস্ত বিশৃঙ্খলা থেকে কবি এ পৃথিবীকে মুক্ত করতে চান। যার জন্য কবি অভিযান চালাতে প্রস্তুত। এ দিকটি 'সুচেতনা' কবিতায়ও উঠে এসেছে। কবি বর্তমান যুদ্ধবিদ্ধস্ত পৃথিবীর অস্থিরতা, হিংসা, হত্যা, ঘৃণা এবং ধ্বংসযজ্ঞের ব্যাপকতা দেখে আহত হয়েছেন। পৃথিবীকে এই গভীরতর অসুখ থেকে তিনি মুক্ত করতে চান। এজন্য তিনি মানবিক হতে চেয়েছেন। কারণ তিন জানেন এ পৃথিবীর কাছে আমরা সবাই ঋণী। এ পৃথিবীকে যেকোনো মূল্যে বাঁচাতে হবে। এজন্য তিনি মানবিকতার নতুন ভোরের আশা করেছেন। আর তা তখনই সম্ভব হবে যখন মানুষের মাঝে সুচেতনা জাগ্রত হবে। সারকথা: 'সুচেতনা' কবিতায় যুদ্ধবিধ্বস্ত পৃথিবীতে মানবিকতার ভোরের যে প্রত্যাশা করা হয়েছে উদ্দীপকটি সেই দিকটি নির্দেশ করেছে।

উত্তর

➤ উদ্দীপকটি 'সুচেতনা' কবিতার সম্পূর্ণ ভাবের প্রকাশক হয়ে উঠতে পারেনি- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ আমরা সবাই চাই সুখী-সমৃদ্ধ এক মানবিক বিশ্ব। কিন্তু কিছু স্বার্থবাদী মানুষ হীন উদ্দেশ্যে পৃথিবীকে অস্থির করে তুলেছে, ঠেলে দিচ্ছে ধ্বংসের দিকে। আমাদের সম্মিলিত চেষ্টা ও মানবিক চেতনার বিকাশই পারে পৃথিবীকে রক্ষা করতে। ➤ উদ্দীপকে পৃথিবীর সব অসংগতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কথা বলা হয়েছে। কবি যত দানবিকতা, দুঃশাসন, বৈষম্য, বিশৃঙ্খলা সবকিছু থেকে এই বিশ্বকে মুক্ত করতে চান, 'সুচেতনা' কবিতায়ও এই দিকটি প্রকাশিত হয়েছে। 'সুচেতনা' কবিতায় কবি সুচেতনাকে বলেছেন এক দূরতর নির্জন দ্বীপ। যেখানে পড়ে রয়েছে কবির মন। কবি সমকালীন যুদ্ধবিগ্রহ, হানাহানি, রক্তপাতসহ পৃথিবীর নানা অসংগতি দেখে সেটিকে গভীরতর অসুখ বলে আখ্যায়িত করেছেন। কবি জানেন, এটি থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হলো মনীষীদের মতো সাধনা, যা তাঁরা শতাব্দীর পর শতাব্দী করে গেছেন। তবে এটি আলোচ্য কবিতার একটি দিকের প্রকাশমাত্র। এছাড়াও আলোচ্য কবিতায় অন্যান্য বিষয় ও ভাবের অবতারণা ঘটেছে। ➤ উদ্দীপকটি শুধু অসংগতির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার কথা বলে, যা 'সুচেতনা' কবিতার একটি অংশ। এছাড়াও আলোচ্য কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে অমানবিকতা, মনুষ্যত্বহীনতা, পীড়নকারী বা হত্যাকারীর চরিত্র, পৃথিবীর কাছে মানুষের ঋণ, মহামানবদের সাধনা, সর্বোপরি নতুন ভোরের প্রত্যাশা। এসব বিষয় উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: উদ্দীপকে পৃথিবীর নানা অসংগতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কথা বলা হয়েছে যা 'সুচেতনা' কবিতার একটি দিক মাত্র। কবিতার অন্যান্য বিষয় ও ভাব উদ্দীপকে অনুপস্থিত।
HSCBangla 1st Paperকবিতা : সুচেতনা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.' মানুষ তবু ঋণী পৃথিবীরই কাছে' উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে-

  • ইহলৌকিকতা
  • ভাবালুতা
  • সাম্যবাদী চেতনা
  • পরাবাস্তববাদী চেতনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.উদ্দীপক ও কবিতার মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে-

  • অতীতের মোহমুগ্ধতা
  • দেশপ্রেমের চেতনা
  • সংকট উত্তরণের প্রত্যাশা
  • সমকাল নিয়ে হতাশা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.জীবনানন্দ দাশের জন্মতারিখ কোনটি?

  • ১৭ই জানুয়ারি, ১৮৯৯
  • ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯
  • ২৭ শে জানুয়ারি, ১৮৮৯
  • ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ১৮৮৯

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কবি জীবনানন্দ দাশের মা কী ছিলেন?

  • কবি
  • চিকিৎসক
  • চিত্রশিল্পী
  • ঔপন্যাসিক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.জীবনানন্দ দাশ কোন সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন?

  • বাংলা সাহিত্যে
  • ইংরেজি সাহিত্যে
  • ফরাসি সাহিত্যে
  • ফারসি সাহিত্যে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.কাকে রবীন্দ্র-পরবর্তী যুগের শ্রেষ্ঠ আধুনিক কবি বলা হয়?

  • আল মাহমুদকে
  • জীবনানন্দ দাশকে
  • ফররুখ আহমদকে
  • শামসুর রাহমানকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের পর বাংলা কবিতায় সবচেয়ে বেশি মৌলিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন কে?

  • সুফিয়া কামাল
  • আল মাহমুদ
  • সুকান্ত ভট্টাচার্য
  • জীবনানন্দ দাশ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কত সালে প্রকাশিত হয়?

  • ১৯২৬ সালে
  • ১৯২৫ সালে
  • ১৯২৭ সালে
  • ১৯২৮ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.জীবনানন্দের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?

  • ঝরা পালক
  • মহাপৃথিবী
  • ধূসর পাণ্ডুলিপি
  • বনলতা সেন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.' ঝরা পালক' ও 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' জীবনানন্দ দাশের কোন ধরনের রচনা?

  • নাটক
  • উপন্যাস
  • কাব্যগ্রন্থ
  • ভ্রমণকাহিনি

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.' কবিতার কথা' জীবনানন্দ দাশের কোন ধরনের রচনা?

  • কাব্য
  • প্রবন্ধ
  • গল্প
  • উপন্যাস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কবি জীবনানন্দ দাশ রচিত বিখ্যাত উপন্যাস কোনটি?

  • মাল্যবান
  • কবিতার কথা
  • ঝরা পালক
  • বনলতা সেন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

' মানুষ তবু ঋণী পৃথিবীরই কাছে' উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে-উদ্দীপক ও কবিতার মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে-জীবনানন্দ দাশের জন্মতারিখ কোনটি?কবি জীবনানন্দ দাশের মা কী ছিলেন?জীবনানন্দ দাশ কোন সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন?কাকে রবীন্দ্র-পরবর্তী যুগের শ্রেষ্ঠ আধুনিক কবি বলা হয়?রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের পর বাংলা কবিতায় সবচেয়ে বেশি মৌলিকতার স্বাজীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কত সালে প্রকাশিত হয়?জীবনানন্দের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?' ঝরা পালক' ও 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' জীবনানন্দ দাশের কোন ধরনের রচনা?' কবিতার কথা' জীবনানন্দ দাশের কোন ধরনের রচনা?কবি জীবনানন্দ দাশ রচিত বিখ্যাত উপন্যাস কোনটি?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।