➤ উক্তিটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে পুরুষ শিক্ষা-দীক্ষায়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত যেখানে ইচ্ছা বিচরণ করে; স্ত্রীরা সেখানে শুধু শিশুশিক্ষা 'বোধোদয়' পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকে।
➤ সমাজের বিধিব্যবস্থা নারীদেরকে পুরুষের অবস্থা থেকে অনেক ক্ষেত্রে পৃথক করে রেখেছে। কেননা পুরুষকে যেখানে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হচ্ছে নারীকে সেখানে শুধু মক্তবে আরবি শিক্ষা, ঘরে বসেই শিশুশিক্ষা, রান্নাবান্না ও সংসার চালানোর শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। স্বামী যখন কল্পনার সাহায্যে সুদূর আকাশে গ্রহনক্ষত্রমালাবেষ্টিত সৌরজগতে বিচরণ করে, স্ত্রী তখন রন্ধনশালায় বিচরণ করে, চাল-ডাল ওজন করে এবং রাঁধুনির গতি নির্ণয় করে। তাই লেখক নারীদের এই অধঃগতির কথা বোঝাতে গিয়েই বলেছেন, প্রভুদের বিদ্যার গতির সীমা নেই, স্ত্রীদের বিদ্যার দৌড় সচরাচর 'বোধোদয়' পর্যন্ত।
সারকথা: শিক্ষা-দীক্ষায়, আনে-গুণে, বিদ্যা-বুদ্ধিতে বড় হয়ে ওঠার জন্য পুরুষ যেখানে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত পেরিয়ে যায়, নারীকে সেখানে শুধু আরবি পাঠ ও শিশুশিক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়।