➤ উদ্দীপকের ডলির জীবন বিকাশের অন্তরায়। প্রচলিত সমাজব্যবস্থা 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি যথার্থ।
➤ সমাজব্যবস্থা যখন নারীশিক্ষা তথা নারীর উন্নতির বিরুদ্ধে থাকে তখন নারীজাতি প্রকৃত মূল্যায়ন পায় না। গৃহবন্দি হয়ে পড়ে তারা, পায় না বিকশিত হওয়ার সুযোগ। পুরুষশাসিত সমাজব্যবস্থা তাদের পদে পদে নিগৃহীত করে।
➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে পুরুষশাসিত সমাজব্যবস্থার উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে নারীরা পদে পদে লাঞ্ছনা ও কঞ্চনার শিকার নারীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ না দিয়ে পুরুষসমাজ তাদের দাসীর মতো জীবনযাপনে বাধ্য করে। উদ্দীপকেও আমরা দেখতে পাই, ডলি উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। ঘরের কাজকর্ম এবং স্বামীর হুকুম পালনেই তার জীবন সীমাবদ্ধ। মেধা থাকা সত্ত্বেও প্রচলিত সমাজব্যবস্থার কারণে সে আজ ভাগ্যবিড়ম্বিত, মর্যাদাহীন এক নারী।
➤ উদ্দীপকে দেখা যায় প্রচলিত সমাজব্যবস্থার কারণে ডলি গৃহকোণে আবদ্ধ হয়ে দিন কাটায়। সমাজ পুরুষকে মূল্যায়ন করায় তার উচ্চশিক্ষার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেনি। প্রচলিত সমাজব্যবস্থা অনুযায়ী স্বামীর হুকুম পালন ও সাংসারিক কাজকর্মেই সে আবন্ধ। 'অর্থালী' প্রবন্ধেও এ ধরনের সমাজব্যবস্থার কথাই বলা হয়েছে, যা নারীর জীবন বিকাশের অন্তরায়। তাই বলা যায়, 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে উল্লিখিত সমাজব্যবস্থাই উদ্দীপকের ডলির জীবন বিকাশের অন্তরায় হিসেবে কাজ করেছে।
সারকথা: পুরুষশাসিত সমাজে পুরুষ নিজের একচ্ছত্র প্রভুত্ব বজায় রাখতে নারীকে দমিয়ে রাখে। এ ধরনের সমাজে নারীর জীবন বিকগির হয় না। 'অর্থালী' প্রবন্ধে এ কথাই বলা হয়েছে যা উদ্দীপকের ডলির জীবন বিকাশের অন্তরায় হিসেবেও প্রকাশমান।