➤ উদ্দীপকের ববিতার মধ্যে নারীসত্তার যে জাগরণ লক্ষ করা যায় তা-ই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে সখক কামনা করেছেন।"- মন্তব্যটি যথার্থ।
➤ পুরুষশাসিত সমাজে নারীদের মুক্তি পেতে হলে নিজেদের সচেতন হতে হবে। নারীর মধ্যে যে দাসত্ব মনোভাব রয়েছে সেখান থেকে বের হতে না পারলে তারা কখনই মুক্তি পাবে না। মুক্তির জন্য আগে নিজেদের জেগে উঠতে হবে।
➤ উদ্দীপকের ববিতা যে মানসিতার পরিচয় দিয়েছে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক তাই চেয়েছেন। নারী শিক্ষিত হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াবে, স্বামীর ওপর নির্ভরশীল থাকবে না- এটাই লেখকের কাম্য। ববিতার মধ্যে এমন মানসিকতা দেখা যায়। সে চাকরি করে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে সংসারের অগ্রগতি সাধন করে। শিক্ষিত হয়ে নারীকে মানসিক দাসত্ব থেকে মুক্ত হয়ে সমাজ ও দেশের অগ্রগতির জন্য কাজ করতেই লেখক আহ্বান জানিয়েছেন।
➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে নারীকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে নারীর কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে সামাজিক বৈরী দৃষ্টিভঙ্গি উত্তরণের উপায় নির্ধারণ করে লেখক বলেছেন যে, নারীদের কর্মের পরিধি বিস্তৃত হলে সমাজে জরাজীর্ণ বিশ্বাসগুলো খুব সহজেই ভেঙে পড়বে। যদিও প্রচলিত সামাজিক বিশ্বাসের বিপরীতে এই উদ্যোগ সর্বজনগ্রাহ্য নাও হতে পারে, তবু প্রগতির পথে এই আয়োজন অবশ্যই ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তাই তিনি তাদেরকে শিক্ষিত হয়ে ববিতার মতো জীবনযাপন করার আহ্বান জানিয়েছে। এই বিবেচনায় বলা যায়, উদ্দীপকের ববিতার মধ্যে নারীসত্তার যে জাগরণ লক্ষ করা যায় তা-ই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক কামনা করেছেন।
সারকথা: উদ্দীপকের ববিতা যে মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকও তা কামনা করেছেন। লেখক অতান্ত দুঢ়তার সঙ্গেণ নারীকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।