"উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের মূল কথা।" মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।
উত্তর: ➤ "উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের মূল কথা।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ নারী পূর্বে যে অবস্থায় ছিল বর্তমানে আর তেমন নেই। বর্তমানে নারীরা অধিকার সচেতন। বর্তমান তারা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে পুরুষের সঙ্গে সমান তালে সমাজের অগ্রগতি সম্পন্ন করছে। নারীর এই জাগরণ বিশ্বের জন্য কল্যাণকর। ➤ উদ্দীপকে নারীকে জেগে ওঠার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। সমাজ ও দেশের স্বার্থে নারীকে জেগে উঠতেই হবে, অন্যথায় সমাজের প্রকৃত অগ্রগতি সাধন সম্ভব নয়। রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন 'অর্ধাঙ্গী: প্রবন্ধে এই যুক্তি প্রদর্শন করেছেন। কর্মক্ষেত্রে আমাদের নারীরা অনেক পিছিয়ে আছে। সমাজের অর্ধেক অংশ নারীকে এভাবে পেছনে ফেলে রেখে পুরুষের পক্ষে এককভাবে কর্মক্ষেত্রে আশানুরূপ সাফল্য সম্ভব নয়। 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে নারীকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। নারীর কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে তিনি বলেছেন যে, নারীদের কর্মের পরিধি বিস্তৃত হলে সমাজে জরাজীর্ণ বিশ্বাসগুলো খুব সহজেই ভেঙে পড়বে। ➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখকের মতানুসারে পৃথিবীর সকল সুসভ্য জাতির নারীরা যেখানে শিক্ষা ও আত্মবিশ্বাসের ফলে পুরুষদের সঙ্গীরূণে তাদের পাশাপাশি উন্নতির চরম শিখরে আরোহণ করছে, সেখানে বাঙালি নারীসমাজ অন্তঃপুরবাসিনী বন্দিনির মতো জীবনযাপন করছে। তাই দেশ ও জাতির কল্যাণে তাদেরকে জেগে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন লেখক ও উদ্দীপকের বস্তা। এই বিবেচনায় বলল যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের মূল কথা। সুতরাং মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: সমাজজীবনের অগ্রগতি ও কল্যাণ সাধনের জন্য পিছিয়েপড়া নারীসমাজকে জেগে উঠতেই হবে। নারীসমাজের অনগ্রসরতাই সমাজ ও জাতীয় উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়।
HSC Bangla 1st Paper গদ্য : অর্ধাঙ্গী CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : অর্ধাঙ্গী · সৃজনশীল
"উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর