শেয়ারFacebookWhatsApp

'সোনার তরী' কবিতার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য উদ্দীপকে ধরা পড়েছে।” উক্তিটি সত্যতা বিচার কর।

উত্তর: উদ্দীপকের কবিতাংশে ফুটে ওঠা পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যু এবং তাঁর সুকৃতিময় কর্মের টিকে থাকার দিকটি 'সোনার তরী' কবিতার অন্তর্নিহিত তাৎপর্যকেই ধারণ করে। 'সোনার তরী' কবিতায় কবি মানুষের জীবনের অনিবার্য পরিণতির দিকটি সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। পাশাপাশি কবিতাটিতে তিনি মহৎ কর্মের গুরুত্বের দিকটিও তুলে ধরেছেন। কবি মনে করেন, মানুষ তার বয়সের মধ্যে বাঁচে না, বাঁচে অনন্য কর্মে। মানুষ শত বছর বেঁচে থাকলেও কেউ তাকে মনে রাখে না। পক্ষান্তরে, সুকৃতিময় কর্মের মাধ্যমে সে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন লাভ করতে পারে। উদ্দীপকের কবিতাংশে বলা হয়েছে মানুষ বেঁচে থাকতে পারে তার কর্মের মধ্য দিয়ে। সমগ্র জীবনে মানুষ যা করে যায় তাই পৃথিবীতে অমর হয়। অন্যদিকে, মানুষকে চলে যেতে হয় অনিবার্য নিয়তির দিকে। 'সোনার তরী' একটি রূপকধর্মী কবিতা। এ কবিতায় ধান কেটে অপেক্ষমাণ এক কৃষকের বাস্তবতার অন্তরালে কবিতার ভাবসত্যকে উন্মোচন করেছেন। কবি মনে করেন, মৃত্যু মানুষের অনিবার্য পরিণতি। একে কেউ রোধ করতে পারে না। তবে ব্যক্তিমানুষের মৃত্যু হলেও মৃত্যু তার কর্মকে স্পর্শ করতে পারে না। বস্তুত, যেকোনো মানুষ কীর্তিমান কিংবা বরণীয় হয়ে ওঠে তাঁর কর্মের উৎকর্ষে। উদ্দীপকের কবিতাংশে সে ভাবসত্যই উঠে এসেছে। দৈহিক মৃত্যু হলেও মানুষ তার সেবামূলক কাজের মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকতে পারে। অর্থাৎ, মানুষের জীবনের পরিণতি তথা মৃত্যু এবং সুকৃতিময় কর্মের মাধ্যমে মানুষের মনে বেঁচে থাকার এই দিকটি আলোচ্য কবিতার মূলভাবের সমান্তরাল। সে বিবেচনায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

HSC Bangla 1st Paper কবিতা : সোনার তরী CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : সোনার তরী · সৃজনশীল

'সোনার তরী' কবিতার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য উদ্দীপকে ধরা পড়েছে।” উক্তিট…

উদ্দীপক

একটা সময় সব অকেজো হয়ে যায় শরীর, মন ও বুদ্ধি। থেমে যায় বৃদ্ধি কেউ আর রাখে না মনে তায়। যৌবন থেকে মৃত্যু- অনেক সফল কাজ, কাজগুলো রেখে দাও, শুধু তুমি চলে যাও।

Dhaka · 2022

উত্তর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম 'বনফুল'।

উত্তর

প্রশ্নোক্ত চরণটিতে মহাকালের প্রতীক সোনার তরীতে মানুষের কর্মের স্থান হলেও সেখানে ব্যক্তিমানুষের যে স্থান হয় না, সে বিষয়টিই ফুটে উঠেছে। ব্যক্তিমানুষের মৃত্যু অনিবার্য; তাকে রোধ করা সম্ভব নয়। কিন্তু ব্যক্তির কর্মফল বা অর্জনকে মৃত্যু স্পর্শ করতে পারে না। আর তাই সোনার তরীতে কেবল কৃষকের সোনার ধানই ঠাঁই পায়, কিন্তু ব্যক্তিকৃষককে অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে অপেক্ষা করতে হয় অনিবার্যভাবে মহাকালের স্রোতে বিলীন হওয়ার জন্য। মানুষ তার কর্মকে রেখে যায়, মানুষের স্থান হয় না এ নশ্বর পৃথিবীতে। প্রশ্নোক্ত চরণটিতে ঠাঁই নাই কথাটির মাধ্যমে জীবনের এই অমোঘ সত্যটিকেই তুলে ধরা হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকের উল্লিখিত কাজগুলো 'সোনার তরী' কবিতায় বর্ণিত ব্যক্তিমানুষের সৃষ্টিকর্মের সঙ্গে তুলনীয়। 'সোনার তরী' কবিতায় কবি এক গভীর জীবনদর্শনকে উন্মোচন করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন, মহাকাল কেবল মানুষের সৃষ্টিশীল মহৎ কর্মকেই গ্রহণ করে; ব্যক্তিমানুষকে নয়। আর তাই কালপরিক্রমায় সৃষ্টিকর্ম রয়ে গেলেও মানুষকে অনিবার্যভাবে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হয়। আলোচ্য কবিতায় কৃষক চরিত্রটির আধারে কবি এ সত্যটিকেই উন্মোচন করেছেন। উদ্দীপকের কবিতাংশে মানুষের জীবনের এক অমোঘ সত্যের উদ্ঘাটন করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, সময়ের সাথে সাথে মানুষের শরীর, মন, বুদ্ধি সবকিছুই একসময় অচল হয়ে যায়। যৌবন থেকে বৃদ্ধ হওয়া পর্যন্ত মানুষের অনেক কাজ থাকে। কিন্তু তার কাজগুলোই কেবল পৃথিবীতে থেকে যায়, তাকে চলে যেতে হয়। আলোচ্য 'সোনার তরী' কবিতায়ও মানুষের সুকৃতিময় কর্মের অমরতার কথা বলা হয়েছে। সেখানে দেখানো হয়েছে, ব্যক্তিমানুষের মৃত্যু অনিবার্য হলেও তার সৃষ্টিকর্মের মৃত্যু নেই। সে বিবেচনায়, আলোচ্য কবিতার ব্যক্তিমানুষের মৃত্যুর বিপরীতে কর্মের অমরতার দিকটি উদ্দীপকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

উদ্দীপকের কবিতাংশে ফুটে ওঠা পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যু এবং তাঁর সুকৃতিময় কর্মের টিকে থাকার দিকটি 'সোনার তরী' কবিতার অন্তর্নিহিত তাৎপর্যকেই ধারণ করে। 'সোনার তরী' কবিতায় কবি মানুষের জীবনের অনিবার্য পরিণতির দিকটি সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। পাশাপাশি কবিতাটিতে তিনি মহৎ কর্মের গুরুত্বের দিকটিও তুলে ধরেছেন। কবি মনে করেন, মানুষ তার বয়সের মধ্যে বাঁচে না, বাঁচে অনন্য কর্মে। মানুষ শত বছর বেঁচে থাকলেও কেউ তাকে মনে রাখে না। পক্ষান্তরে, সুকৃতিময় কর্মের মাধ্যমে সে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন লাভ করতে পারে। উদ্দীপকের কবিতাংশে বলা হয়েছে মানুষ বেঁচে থাকতে পারে তার কর্মের মধ্য দিয়ে। সমগ্র জীবনে মানুষ যা করে যায় তাই পৃথিবীতে অমর হয়। অন্যদিকে, মানুষকে চলে যেতে হয় অনিবার্য নিয়তির দিকে। 'সোনার তরী' একটি রূপকধর্মী কবিতা। এ কবিতায় ধান কেটে অপেক্ষমাণ এক কৃষকের বাস্তবতার অন্তরালে কবিতার ভাবসত্যকে উন্মোচন করেছেন। কবি মনে করেন, মৃত্যু মানুষের অনিবার্য পরিণতি। একে কেউ রোধ করতে পারে না। তবে ব্যক্তিমানুষের মৃত্যু হলেও মৃত্যু তার কর্মকে স্পর্শ করতে পারে না। বস্তুত, যেকোনো মানুষ কীর্তিমান কিংবা বরণীয় হয়ে ওঠে তাঁর কর্মের উৎকর্ষে। উদ্দীপকের কবিতাংশে সে ভাবসত্যই উঠে এসেছে। দৈহিক মৃত্যু হলেও মানুষ তার সেবামূলক কাজের মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকতে পারে। অর্থাৎ, মানুষের জীবনের পরিণতি তথা মৃত্যু এবং সুকৃতিময় কর্মের মাধ্যমে মানুষের মনে বেঁচে থাকার এই দিকটি আলোচ্য কবিতার মূলভাবের সমান্তরাল। সে বিবেচনায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
HSCBangla 1st Paperকবিতা : সোনার তরী
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.কবিতায় কৃষকের কর্মস্থলটি কেমন?

  • ছোটো
  • বড়ো
  • কোলাহলপূর্ণ
  • নির্জন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.'কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা'- বলতে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কী বুঝিয়েছেন?

  • অনিশ্চয়তা
  • অপ্রাপ্তিবোধ
  • হতাশা
  • আশঙ্কা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.নিচের কোনটি রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ?

  • পুনশ্চ
  • দেনা-পাওনা
  • রাজসিংহ
  • ডাকঘর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'সোনার তরী' কবিতায় বর্ণিত নদীটির স্রোত- i. বর্শার মতো ধারালো ii. ক্ষুরের মতো ধারালো iii. বিদ্যুতের মতো ক্ষীপ্র নিচের কোনটি সঠিক?

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.'সোনার তরী' কবিতাটিতে নিঃসঙ্গ কৃষক বলতে মূলত কাকে বোঝানো হয়েছে?

  • মাঝিকে
  • কবিকে
  • শিল্পীকে
  • গায়ককে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বাঁকা জল খেলা করার মধ্য দিয়ে নদীর জলের কোন দিকটি উন্মোচিত হয়েছে?

  • হিংস্রতা
  • উদ্দামতা
  • শান্তরূপ
  • প্রবহমানতা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'ক্ষুরধারা' কবিতায় কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

  • ক্ষুরের মতো ধারালো বর্শা
  • ক্ষুরের মতো ধারালো অস্ত্র
  • ক্ষুরের মতো ধারালো নদী
  • ক্ষুরের মতো ধারালো স্রোত

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কবি 'ছোটো খেত' বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন?

  • আয়তনে ছোটো খেত
  • নদীর ছোটো চর
  • মানুষের জীবনপরিধি
  • অজানার দেশ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কোন উদ্ধৃতির বা উদ্ধৃতিগুচ্ছের মাধ্যমে 'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের অসহায়ত্ব ব্যক্ত করা যায়?

  • আমি অপার হয়ে বসে আছি ওহে দয়াময়
  • আমার সাম্পান যাত্রী না লয়, ভাঙা আমার তরী
  • এই আসা-যাওয়ার খেয়ার কূলে আমার বাড়ি
  • সময় গেলে সাধন হবে না

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.'কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা'- এখানে 'কূলে' শব্দটি কীসের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে?

  • ইহজগৎ
  • নদীর কূল
  • ধানখেত
  • পরপার

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.'তরুছায়া' অর্থ কী?

  • গাছের ছায়া
  • নদীর ছায়া
  • বাড়ির ছায়া
  • প্রাণীর ছায়া

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'এখন আমারে'লহো করুণা করে'- 'আমারে' বলতে এখানে কাকে বোঝানো হয়েছে?

  • কৃষককে
  • মাঝিকে
  • মৃত্যুকে
  • ভূস্বামীকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

কবিতায় কৃষকের কর্মস্থলটি কেমন?'কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা'- বলতে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কী বুঝিয়েছেন?নিচের কোনটি রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ?'সোনার তরী' কবিতায় বর্ণিত নদীটির স্রোত- i. বর্শার মতো ধারালো ii. ক্ষুরের মতো ধার'সোনার তরী' কবিতাটিতে নিঃসঙ্গ কৃষক বলতে মূলত কাকে বোঝানো হয়েছে?বাঁকা জল খেলা করার মধ্য দিয়ে নদীর জলের কোন দিকটি উন্মোচিত হয়েছে?'ক্ষুরধারা' কবিতায় কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?কবি 'ছোটো খেত' বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন?কোন উদ্ধৃতির বা উদ্ধৃতিগুচ্ছের মাধ্যমে 'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের অসহায়ত্ব ব্যক্ত'কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা'- এখানে 'কূলে' শব্দটি কীসের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হ'তরুছায়া' অর্থ কী?'এখন আমারে'লহো করুণা করে'- 'আমারে' বলতে এখানে কাকে বোঝানো হয়েছে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।