শেয়ারFacebookWhatsApp

'সোনার তরী' কবিতার মূল বক্তব্য যেন 'গীত-শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি-মাঝে' কথাটির মধ্য নিহিত।-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকের কবিতাংশে উল্লিখিত 'গীত শেষে বীণা পড়ে থাকে ধুলি মাঝে' চরণটিই 'সোনার তরী' কবিতার অন্তর্ভাবনাকে প্রকাশ করে। কীর্তিমানের মৃত্যু নেই অর্থাৎ যারা ভালো কাজ করে তারা পৃথিবীতে অমর হয়ে থাকে। ঠিক সোনার তরী কবিতাটি একটি রূপক কবিতা এখানে রূপকের আড়ালে জীবনের একটি অমোঘ সত্যকে প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, কালের করালগ্রাসে মানুষ তার শারীরিক অস্তিত্ব হারায়,কিন্তু তার কৃতকর্মকে মৃত্যু স্পর্শ করতে পারে না। উদ্দীপকের কবিতাংশে নিজের সৃষ্টিকর্মকে ঘিরে কবির প্রত্যাশার দিকটি উম্মোচিত হয়েছে। মহাকালের স্রোতে কবি হারিয়ে গেলেও তার সৃষ্ট গান সবার মনে জেগে থাকে, এটাই কবির চাওয়া। তিনি লক্ষ্য করেছেন, গানের সুরে সবাই মোহিতো হয়, কিন্তু বাদ্যযন্ত্রের দিকে তাদের নজর পড়ে না। আর তাই কবি নিজের পরিবর্তে তার সৃষ্ট শিল্পকর্মের অমরতাই প্রার্থনা করেছেন। আলোচ্য কবিতায় আমরা এমন জীবন দর্শনই দেখতে পাই। সোনার তরী কবিতায় কবি বলতে চেয়েছেন, সানুষের কর্মই পৃথিবীতে টিকে থাকে,ব্যক্তিমানুষ নয়। অর্থাৎ, সৃষ্টিকর্ম কালের খেয়াতে স্থান পেলেও স্রষ্টাকে অতৃপ্তির বেদনা নিয়ে অপেক্ষা করতে হয় অনিবার্যভাবে মহাকালের শূন্যতায় বিলীন হওয়ার জন্য। অন্যদিকে উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি তাঁকে ভালো না বাঁসলেও তার গান তথা সৃষ্টিকর্মকে ভালোবাসার অনুরোধ জানিয়েছেন। এর মধ্যে দিয়ে আলোচ্য কবিতাটিতে প্রকাশিত মহাকালের কালস্রোতে সৃষ্টিকর্মের টিকে থাকার এবং শিল্পস্রষ্টার বিলীন হওয়ার প্রসঙ্গটি ফুটে উঠেছে।সুতরাং, প্রশ্নোক্ত উক্তিটির মাঝে সোনার তরী কবিতার মূল বক্তব্য নিহিত রয়েছে।

HSC Bangla 1st Paper কবিতা : সোনার তরী CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : সোনার তরী · সৃজনশীল

'সোনার তরী' কবিতার মূল বক্তব্য যেন 'গীত-শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি-মা…

উদ্দীপক

আমায় নহে গো ভালোবাস শুধু ভালোবাস মোর গান, বনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসান; চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচে গীত-শেষে বীণা পড়ে তাকে ধূলি-মাঝ।.

Mymensingh · 2022

উত্তর

'সোনার তরী' কবিতায় কবি ক্ষণিক হেসে সোনার ধান নিয়ে যেতে বলেছেন।

উত্তর

ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই, ছোট সে তরী” বলতে মহাকালরূপী ছোট সোনার তরণিতে সোনার ফসলরূপী মহৎ সৃষ্টিকর্মের স্থান হওয়া এবং ব্যক্তিসত্তার স্থান বা ঠাঁই না হওয়া বোঝানো হয়েছে । ব্যক্তি মানুষের মৃত্যুঅনিবার্য, তাকে রোধ করা সম্ভব নয়। কিন্তু কর্মফল বা অর্জনকে মৃত্যু স্পর্শ করতে পারেনা। আর তাই সোনার তরীতে কেবল কৃষকের সোনার ধান ঠাঁই পায়, কিন্তু ব্যক্তিকৃষককে অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে অপেক্ষা করতে হয় অনিবার্যভাবে মহাকালের স্রোতে বিলীন হওয়ার জন্য।মানুষ তার কর্মকে রেখে যায়, মানুষের স্থান হয় না এ নশ্বর পৃথিবীতে।প্রশ্নোক্ত চরণটিতে ঠাই নাই কথাটির মাধ্যমে এই অমেঘ সত্যটিকেই তুলে ধরা হয়েছ।

উত্তর

উদ্দীপকে বনের পাখির সাথে 'সোনার তরী' কবিতায় প্রকাশিত শিল্পস্রষ্টা তথা কৃষকের সাদৃশ্য রয়েছে। 'সোনার তরী' কবিতায় বর্ণিত কৃষক মূলত শিল্পস্রষ্টা। সোনার ধান হল সৃষ্টিকর্মের প্রতীক। কৃষক তাঁর জমি থেকে সোনার ধান কেটে অপেক্ষায় আছেন কখন তরী এসে ফসলসহ তাঁকে নিয়ে যাবে।অবশেষে কৃষকের কষ্টের ফসল সোনার ধান মহাকালের তরীতে স্থান পেলেও কৃষকের স্থান সেখানে হয়নি।বস্তুত, মহাকাল মানুষের শিল্পকর্মের কদর করলেও শিল্প স্রষ্টার কথা কেউ মনে রাখে না। উদ্দীপকের কবিতাংশের কবি নিজের সৃষ্ট গানের মাঝেই নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে চান।কেননা গান শেষ হলে বনের গায়ক পাখির খোঁজ কেউ করেনা,কেবল তার মিষ্টি গানই আমাদের ভালো লাগে।আবার সবাই জোসনা ভালবাসলেও চাঁদের কথা কারো মনে থাকে না। তেমনি গান শেষ হলে বিণাও পড়ে থাকে ধূলি মাঝে।অনুরূপভাবে 'সোনার তরী' কবিতাতেও এই অমোঘ সত্যটিই উন্মোচিত হয়েছে। মহাকালের স্রোতে মহৎ সৃষ্টিকর্ম টিকে থাকলেও শিল্পস্রষ্টাকে অবধারিতভাবেই কালস্রোতে হারিয়ে যেতে হয়। তাকে কেউ মনে রাখে না। সুতরাং উদ্দীপকের বনের পাখির সাথে আলোচ্য কবিতার কৃষকের সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়।.

উত্তর

উদ্দীপকের কবিতাংশে উল্লিখিত 'গীত শেষে বীণা পড়ে থাকে ধুলি মাঝে' চরণটিই 'সোনার তরী' কবিতার অন্তর্ভাবনাকে প্রকাশ করে। কীর্তিমানের মৃত্যু নেই অর্থাৎ যারা ভালো কাজ করে তারা পৃথিবীতে অমর হয়ে থাকে। ঠিক সোনার তরী কবিতাটি একটি রূপক কবিতা এখানে রূপকের আড়ালে জীবনের একটি অমোঘ সত্যকে প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, কালের করালগ্রাসে মানুষ তার শারীরিক অস্তিত্ব হারায়,কিন্তু তার কৃতকর্মকে মৃত্যু স্পর্শ করতে পারে না। উদ্দীপকের কবিতাংশে নিজের সৃষ্টিকর্মকে ঘিরে কবির প্রত্যাশার দিকটি উম্মোচিত হয়েছে। মহাকালের স্রোতে কবি হারিয়ে গেলেও তার সৃষ্ট গান সবার মনে জেগে থাকে, এটাই কবির চাওয়া। তিনি লক্ষ্য করেছেন, গানের সুরে সবাই মোহিতো হয়, কিন্তু বাদ্যযন্ত্রের দিকে তাদের নজর পড়ে না। আর তাই কবি নিজের পরিবর্তে তার সৃষ্ট শিল্পকর্মের অমরতাই প্রার্থনা করেছেন। আলোচ্য কবিতায় আমরা এমন জীবন দর্শনই দেখতে পাই। সোনার তরী কবিতায় কবি বলতে চেয়েছেন, সানুষের কর্মই পৃথিবীতে টিকে থাকে,ব্যক্তিমানুষ নয়। অর্থাৎ, সৃষ্টিকর্ম কালের খেয়াতে স্থান পেলেও স্রষ্টাকে অতৃপ্তির বেদনা নিয়ে অপেক্ষা করতে হয় অনিবার্যভাবে মহাকালের শূন্যতায় বিলীন হওয়ার জন্য। অন্যদিকে উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি তাঁকে ভালো না বাঁসলেও তার গান তথা সৃষ্টিকর্মকে ভালোবাসার অনুরোধ জানিয়েছেন। এর মধ্যে দিয়ে আলোচ্য কবিতাটিতে প্রকাশিত মহাকালের কালস্রোতে সৃষ্টিকর্মের টিকে থাকার এবং শিল্পস্রষ্টার বিলীন হওয়ার প্রসঙ্গটি ফুটে উঠেছে।সুতরাং, প্রশ্নোক্ত উক্তিটির মাঝে সোনার তরী কবিতার মূল বক্তব্য নিহিত রয়েছে।
HSCBangla 1st Paperকবিতা : সোনার তরী
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.কবিতায় কৃষকের কর্মস্থলটি কেমন?

  • ছোটো
  • বড়ো
  • কোলাহলপূর্ণ
  • নির্জন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.'কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা'- বলতে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কী বুঝিয়েছেন?

  • অনিশ্চয়তা
  • অপ্রাপ্তিবোধ
  • হতাশা
  • আশঙ্কা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.নিচের কোনটি রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ?

  • পুনশ্চ
  • দেনা-পাওনা
  • রাজসিংহ
  • ডাকঘর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'সোনার তরী' কবিতায় বর্ণিত নদীটির স্রোত- i. বর্শার মতো ধারালো ii. ক্ষুরের মতো ধারালো iii. বিদ্যুতের মতো ক্ষীপ্র নিচের কোনটি সঠিক?

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.'সোনার তরী' কবিতাটিতে নিঃসঙ্গ কৃষক বলতে মূলত কাকে বোঝানো হয়েছে?

  • মাঝিকে
  • কবিকে
  • শিল্পীকে
  • গায়ককে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বাঁকা জল খেলা করার মধ্য দিয়ে নদীর জলের কোন দিকটি উন্মোচিত হয়েছে?

  • হিংস্রতা
  • উদ্দামতা
  • শান্তরূপ
  • প্রবহমানতা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'ক্ষুরধারা' কবিতায় কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

  • ক্ষুরের মতো ধারালো বর্শা
  • ক্ষুরের মতো ধারালো অস্ত্র
  • ক্ষুরের মতো ধারালো নদী
  • ক্ষুরের মতো ধারালো স্রোত

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কবি 'ছোটো খেত' বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন?

  • আয়তনে ছোটো খেত
  • নদীর ছোটো চর
  • মানুষের জীবনপরিধি
  • অজানার দেশ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কোন উদ্ধৃতির বা উদ্ধৃতিগুচ্ছের মাধ্যমে 'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের অসহায়ত্ব ব্যক্ত করা যায়?

  • আমি অপার হয়ে বসে আছি ওহে দয়াময়
  • আমার সাম্পান যাত্রী না লয়, ভাঙা আমার তরী
  • এই আসা-যাওয়ার খেয়ার কূলে আমার বাড়ি
  • সময় গেলে সাধন হবে না

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.'কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা'- এখানে 'কূলে' শব্দটি কীসের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে?

  • ইহজগৎ
  • নদীর কূল
  • ধানখেত
  • পরপার

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.'তরুছায়া' অর্থ কী?

  • গাছের ছায়া
  • নদীর ছায়া
  • বাড়ির ছায়া
  • প্রাণীর ছায়া

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'এখন আমারে'লহো করুণা করে'- 'আমারে' বলতে এখানে কাকে বোঝানো হয়েছে?

  • কৃষককে
  • মাঝিকে
  • মৃত্যুকে
  • ভূস্বামীকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

কবিতায় কৃষকের কর্মস্থলটি কেমন?'কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা'- বলতে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কী বুঝিয়েছেন?নিচের কোনটি রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ?'সোনার তরী' কবিতায় বর্ণিত নদীটির স্রোত- i. বর্শার মতো ধারালো ii. ক্ষুরের মতো ধার'সোনার তরী' কবিতাটিতে নিঃসঙ্গ কৃষক বলতে মূলত কাকে বোঝানো হয়েছে?বাঁকা জল খেলা করার মধ্য দিয়ে নদীর জলের কোন দিকটি উন্মোচিত হয়েছে?'ক্ষুরধারা' কবিতায় কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?কবি 'ছোটো খেত' বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন?কোন উদ্ধৃতির বা উদ্ধৃতিগুচ্ছের মাধ্যমে 'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের অসহায়ত্ব ব্যক্ত'কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা'- এখানে 'কূলে' শব্দটি কীসের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হ'তরুছায়া' অর্থ কী?'এখন আমারে'লহো করুণা করে'- 'আমারে' বলতে এখানে কাকে বোঝানো হয়েছে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।