• উদ্দীপকের অধিকারের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতার অধিকার পুরোপুরি সাদৃশ্যপূর্ণ।
• মানুষকে শোষণ-পীড়ন করে খুব বেশি দিন দমিয়ে রাখা যায় না। একসময় না একসময় অধিকার সচেতন হয়ে ওঠে এবং শোষকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়।
• উদ্দীপকে দীর্ঘকাল শোষিত হওয়া শ্রেণির ক্ষোভ প্রকাশ পায়। শোষিত শ্রেণি দিনের পর দিন তাদের যে অধিকার হরণ হয়েছে তা ফিরে পাওয়ার অঙ্গীকার প্রকাশ করে। উদ্দীপকে বহু যুগের যন্ত্রণা, শোষণ-নির্যাতন থেকে বাঙালি জাতিকে তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সোচ্চার করে তোলার যে আহ্বান ধ্বনিত হয়েছে তা 'বিদ্রোহী' কবিতায়ও প্রতিফলিত হয়েছে। কবি এখানে জাতির আত্মজাগরণের বিদ্রোহকে নির্দেশ করেছেন। কবির বিদ্রোহ নিপীড়িত মানুষকে শোষকের অন্যায়-অত্যাচার ও শোষণ থেকে মুক্তিদান ও তাদের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য। উদ্দীপকে যে অধিকারের কথা বলা হয়েছে তাও সাধারণ মানুষের মুক্তি এবং তাদের জন্য উন্নতি ও শান্তি বয়ে আনা। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের অধিকারের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতার অধিকার পুরোপুরি সাদৃশ্যপূর্ণ।